চিত্তাকর্ষক তিন: দ্য রেস টু দ্য থ্রন

কিংবদন্তিতুল্য ত্রয়ী – সালমান খান, শাহরুখ খান ও আমির খান প্রায় তিন যুগ ধরে ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সিংহাসনে বসে আছেন। ‘সিনিয়র’দের এই তালিকায় যোগ হবেন হৃত্বিক রোশন ও অক্ষয় ‍কুমার। বলা যায় আগের প্রজন্মের অনিল কাপুর, গোবিন্দ ও সানি দেওলদের সাথে তীব্র প্রতিযোগীতার পরও এই পাঁচজন আজো নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছেন।

তবে, এখন বলিউডে পরিবর্তনের বাতাস বইছে। আর সেই বাতাসে উড়ছে নতুনের কেতন। সেই মঞ্চে অনেকের ভিড়ে তিন অভিনেতা আগামীদিনের জন্য নিজেদের শক্ত ভিত গড়ে ফেলেছেন। তাঁদের নিয়েই আমাদের এই আয়োজন।

  • রণবীর কাপুর

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বলা হচ্ছে রণবীর হলেন বলিউডের ‘নেক্সট বিগ থিঙ’। ‘রকস্টার’ ও ‘বরফি’র মত সিনেমার সাফল্যই তার প্রমাণ। ‘ইয়েহ জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’র পর তিনি সুপার স্টারডম পাওয়ার দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু, ‘বেশরম’, ‘বোম্বে ভেলভেট’ ও ‘রয়’ সেটা বিলম্বিতি করে। যদিও, ‘সাঞ্জু’ দিয়ে আবারও তিনি বড় সাফল্যে ফিরেছেন। আসন্ন সিনেমা ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ও ‘শমসেরা’ দিয়ে সাফল্য আরো বাড়ারই কথা।

অভিষেক: ২০০৭ সাল

সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমা: সাঞ্জু (৩৪১ কোটি রুপি)

  • রণবীর সিং

যত দিন যাচ্ছে ততই বিস্মিত করে চলেছেন রণবীর সিং। যশ রাজ ফিল্মসের ব্যানারে ‘ব্যান্ড বাজা বারাত’ দিয়ে স্মরণীয় অভিষেকের পর সঞ্জয় লীলা বনসালির সাথে তার দারুণ টিউনিং হয়েছে। এর সুবাদে এই অভিনেতা-পরিচালক জুটি তিনটি হিট সিনেমা – রাম লিলা, বাজিরাও মাস্তানি ও পদ্মাবত উপহার দিয়েছে। এরপর রোহিত শেঠির সিনেমা সিম্বাতে অ্যাকশন নিয়ে আসছেন রণবীর।

অভিষেক: ২০১০ সাল

সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমা: পদ্মাবত (৩০০ কোটি রুপি)

  • বরুণ ধাওয়ান

তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে জনপ্রিয়। সেজন্যই তো তার মাঝারী মানের গল্প দিয়েও ‘জুড়ুয়া ২’ ও ‘এবিসি ২’ বলিউডে ভাল ব্যবসা করেছে। রোম্যান্স, কমেডি বা অ্যাকশন – মোটামুটি সব জনরাতেই কাজ করেছেন বরুণ। ‘বাদলাপুর’ ও ‘অক্টোবর’ সিনেমাতে সিরিয়াস চরিত্র করে নিজের প্রচলিত অভিনয়ের ঘরানা ভেঙেছেন। ‘সুই ধাগা’, ‘রণভূমি’, ‘কলঙ্ক’ দিয়ে নিজেকে আরো কতটা ওপরে নিয়ে যাবেন বরুণ সেটা সময়ই বলে দেবে।

অভিষেক: ২০১২ সাল

সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমা: জুড়ুয়া ২ (১৩৮ কোটি রুপি)

– কইমই অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।