রুপালি পর্দায় খাবারের গল্প

খাবার ছাড়া জীবন চলে না। তবে, বলিউডের সাথে খাবারের সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া একটু বেশিই বেমানান। তারপরও কি করে যেন, নানা ভাবেই হিন্দি ছবিতে খাবারের গল্প টেনে আনে নির্মাতা। শুধু খাবারের গল্প নিয়েও ছবি হয়েছে বলিউডে। তেমনই কিছু ছবি নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন।

  • রামজি লন্ডনওয়ালে (২০০৫)

বিহারের রামজি একজন বাবুর্চি। চাকরি পেয়ে আসেন লন্ডনে। এসেই শুনেন তাঁর চাকরিদাতা মারা গেছেন। এরপর লন্ডনে শুরু হয় তাঁর সংগ্রাম। সঞ্জয় ডায়মার নির্মানে ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছেন আর মাধবন। তাঁর বিপরীতে সামিতা বাঙ্গার্গি।

  • চিনি কম (২০০৭)

আর বালকির এই ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে ৬৪ বছর বয়সী এক শেফ বুদ্ধদেবকে কেন্দ্র করে। তিনি লন্ডনের শীর্ষ একটি ভারতীয় রেস্টুরেন্টের মালিক। তাঁর জীবনে আসেন ৩৪ বছর বয়সী নিনা ভার্মা। অন্যান্য চরিত্র করেছেন পরেশ রাওয়াল, জোহরা স্যায়গাল। ছবিটা অন্যরকম একটা ভালবাসার গল্প বলে।

  • স্ট্যানলি কা ডাব্বা (২০১১)

স্ট্যানলি নামের এক অনাথ শিশু ও তাঁর স্কুলের গল্প। যদিও, স্কুলেও কেউ জানে না সে অনাথ। স্কুলে কোনো টিফিন সে আনতে পারে না। কারণ, সে কাজ করে একটা খাবারের হোটেলে। যদিও, বানিয়ে বানিয়ে নিজের নামে অনেক গল্পই করে। আমোল গুপ্তের নির্মানে ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্র করেছেন পার্থ গুপ্তে।

  • লাভ শুভ তে চিকেন খোড়ানা (২০১২)

নিজেদের পুরনো একটা রেসিপির সন্ধান করছে একটা একান্নবর্তী পরিবার। সেই নিয়ে আবর্তিত হয়েছে ছবির গল্প। খুব আন্ডাররেটেড এই ছবির নির্মাতা সামির শর্মা। অভিনয়ে আছেন কুনাল কাপুর, হুমা কুরেশিরা।

  • দ্য লাঞ্চবক্স (২০১৩)

মাঝবয়সী একজন একাকী অ্যাকাউনটেন্টের জীবন নিয়ে এগিয়ে গেছে ছবির গল্প। ভদ্রলোক অনেকটা ভুল করে অদেখা এক নারীর হাতের রান্না খেয়ে তার প্রেমে পড়ে যান। ইরফান খানের নাম আসলেই এই ছবিটার প্রসঙ্গ আসতে বাধ্য। ঋতেষ বাত্রার নির্মানে ছবিতে আরো আছেন নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী ও নির্মাত কওর।

  • দাওয়াত-ই-ইশক (২০১৪)

এটা মূলত একটা ভালবাসার গল্প। লখনৌ’র শীর্ষ বাবুর্চি তারিক ‘তারু’ হায়দারকে ধোঁকা দেন হায়দ্রাবাদের গুলরেজ ‘গুল্লু’ কাদির। গুল্লু এই কাজ আরো করেছেন। সব বিয়ের পাত্রের বিরুদ্ধে তিনি যৌতুক নেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তবে, তারিক কেবল অভিযোগের ভিত্তি পুলিশী হেফাজতে গিয়ে থেমে যান না। তিনি, ততক্ষণে প্রেমে পড়ে গেছেন গুল্লুর, বড় গভীর সে প্রেম।

  • শেফ (২০১৭)

 

রোশান নিউ ইয়র্কে থাকেন। পেশায় শেফ, কিংবা বাবুর্চি। মধ্যবয়সী এই ভদ্রলোক আসেন ভারতের কোচিতে, নিজের সাবেক স্ত্রী আর ছেলের সাথে দেখা করতে। সময় কাটান নিজের ছেলের সাথে, রান্না নিয়ে নিজের প্যাশনটা ছড়িয়ে দেন ছেলের মাঝে। রাজা কৃ্ষ্ণ মেননের নির্মানে সিনেমাতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছেন সাইফ আলী খান।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।