তারকারাও অভ্যাসের দাস

পর্দার পাত্র-পাত্রীরা সাধারণের জন্য দূর আকাশের তারা। তবে, তাঁরাও তো রক্ত-মাংসের মানুষ। সাধারণের মত তাঁদের মধ্যেও দোষ গুণ ভাল মন্দ আছে। তাঁদেরও ভাল লাগা, মন্দ লাগা আছে। আছে কিছু বিচিত্র শক কিংবা বাজে অভ্যাস।

  • শাহরুখ খান

কিং খান তাঁর পায়ের জুতো নিয়ে খুব আচ্ছন্ন থাকেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, দিনে কেবল একবারই তাঁর জুতো খোলা হয়। কখনো জুতো পায়ে দিয়ে ঘুমিয়েও যান। এর বাদে শাহরুখ হলেন চেইন স্মোকার। কখনো দিনে ১০০-টির মত সিগারেট খেয়ে ফেলেন।

  • সালমান খান

ভাইজানের সাবান সংগ্রহের নেশা আছে। তাঁর বাড়িতে আছে নানা দেশের নানা রকম সাবানের সম্ভার। হাতে বানানো থেকে শুরু করে ডিজাইনার সাবান – কি নেই তাঁর সংগ্রহশালায়।

  • আয়ুষমান খোড়ানা

তিনি দাঁতের ব্যাপারে খুব সচেতন। তরুণ এই নায়ক দিনে অনেকবার দাঁত মাজেন। তাই সব সময় তাঁর সাথে থাকে ডেন্টাল কিট।

  • অজয় দেবগন

জনপ্রিয় এই তারকা না পারতে কারো সাথে হাত মেলান না। তিনি মনে করেন এর থেকে জীবানু এক শরীর থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়ায়।

  • রণবীর কাপুর

শুনলে অবাক হবেন ২০০৯ সালের আগ পর্যন্ত নিজের হাতে নখ কাটতে জানতেন না এই সুপারস্টার। ওই সময় অবধি মা নিতু সিং কাপুরকেই সেই সেই কাজটা করে দিতে হত।

  • সানি লিওন

সানি লিওন নিজের পায়ের ব্যাপারে খুব অবসেসড। জিসম ২, মানে তাঁর অভিষেক সিনেমায় তাকে ১৫ মিনিট বাদে বাদে নিজের পা ধুতে দেখা যায়।

  • কারিনা কাপুর

বেবোর বাজে অভ্যাস হল তিনি নখ কামড়ান। সে জন্য তাঁর নখগুলো বরাবরই খুব ছোট থাকে। সেজন্য পর্দায় তিনি আর্টিফিশিয়াল নখ ব্যবহার করেন। উজ্জ্বল রঙের নখ কারিনার পছন্দ, যদিও মাঝে মধ্যে নেইল পেইন্টও খেয়ে ফেলেন।

  • শহীদ কাপুর

তিনি কফির পাগল। দিনে কম করে হলেও ১০ কাপ কফি খান তিনি।

  • অমিতাভ বচ্চন

বলিউডের শাহেনশাহ’র অভ্যাসটা খুব ভুতুড়ে। তাঁর হাতে সব সময় ঘড়ি থাকে, একটা নয় দু-দু’টো। একটিতে ভারতীয় সময় থাকে। অন্যটিতে দেশের বাইরে পরিবারের কোনো সদস্য থাকলে সেই দেশের সময় থাকে। ছেলে অভিষেক কিংবা ছেলের বউ ঐশ্বরিয়া দেশের বাইরে থাকলে এটা কাজে লাগে বিগ বি’র। শুধু তাই নয়, মোবাইলের নেটওয়ার্কজতিন ঝঞ্ঝাট এড়ানোর জন্য তাঁর সাথে একাধিক মোবাইল থাকে।

  • সুস্মিতা সেন

বাথরুমে নয়, বরং খোলা জায়গায় গোসল করতে বেশি পছন্দ সুস্মিতার। তাই, তাঁর বাড়ির উঠোনে একটা বাথট্যাব বসানো আছে।

  • জন আব্রাহাম

জন আব্রাহামের এই বৈশিষ্টটা খুব কমন। তিনি যেখানেই বসুন না কেন, পা নাড়ানো ছাড়া থাকতে পারেন না।

  • জিতেন্দ্র

জিতেন্দ্র টয়লেটে বসে পেপে খান। রোজ খান। কোনো ভাবেই তিনি এই স্বভাব পাল্টাতে পারেননি।

  • সঞ্জয় দত্ত

অ্যালকোহল তিনি এখন অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু, তামাক সেবনটা কোনো ভাবেই বাদ দিতে পারছেন না সঞ্জু বাবা। এমনকি ক্যান্সার সচেতনতা বিষয়ক একটা অনুষ্ঠানেও তাঁকে লুকিয়ে তামাক সেবন করতে দেখা যায়।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।