চেষ্টাগুলো ‘হিট’ হয়ে ফুটবে তো?

শেষ কয়েকটা বছর ভিন্ন ঘরানার অভিনয় শিল্পীরা বেশ সুনাম কুড়াচ্ছেন। বলা যায়, ভিকি কৌশল, আয়ুষ্মান খুড়ানা, রণবীর সিং, রাধিকা আপতে, কার্তিক আরিয়ান, ভূমি পেদনেকার কিংবা রাজকুমার রাওরাই এখন বলিউড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তবে, এর বাইরেও কয়েকজন আছেন যারা সত্যিকার অর্থেই ভাল কাজ দিয়ে সাফল্য পায়ার জন্য মরিয়া হয়ে আছেন। কিন্তু, কোনো ভাবেই ব্যাটে বলে হচ্ছে না। কখনো তারা প্রচলিত ফর্মুলার বানিজ্যিক ছবি করছেন, দর্শক ফিরিয়ে দিচ্ছেন, আবার হয়তো ভিন্ন কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন – সেটাও দর্শকের মন:পুত হচ্ছে না। ফলে, যত সময় যাচ্ছে তাঁদের ব্যর্থতার সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। তাই, বড় একটা হিটের সন্ধানে হন্যে হয়ে আছেন তাঁরা।

  • অর্জুন কাপুর

নিজের অভিষেক সিনেমা ‘ইশাকজাদে’-তে যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েই বলিউডে যাত্রা শুরু হয়েছিল অর্জুনের। এরপর ‘ফাইন্ডিং ফ্যানি ও ‘টু স্টেটস’-এর মত ছবি করেছেন। সেই সময়টাতে তিনি এমন একটা পর্যায়ে চলে গিয়েছিলেন, যেখানে কেবল শীর্ষশ্রেণির তারকারাই থাকেন। তবে, পরবর্তীতে তিনি দর্শকদের নিরাশ করেছেন। তাঁর সর্বশেষ দু’টি ছবি ‘মুবারাকাম’ ও ‘নামাস্তে লন্ডন’ প্রত্যাখ্যান করেছে দর্শকরা। খুব বেশি একঘেঁয়ে কাজ থেকে এবার অর্জুনকে বের হতেই হবে।

  • সোনাক্ষী সিনহা

সোনাক্ষী সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর অভিনীত ‘নূর’ বা ‘ইত্তেফাক’ সিনেমায় প্রশংসা কুড়িয়েছেন। যদিও, তাতে বক্স অফিসের কান্না বন্ধ হয়নি। এমনকি ‘হ্যাপি ফির ভাগ জায়েগি’ সিনেমাতেও দর্শক যতটা বিনোদন আশা করেছিল তার শতভাগ উপস্থিত ছিল না। ফলে, আশাহত হয়েই থিয়েটার ছেড়েছেন তাঁরা। ফলে বলাই বাহুল্য, স্ক্রিপ্ট নির্বাচনে আরো সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে সোনাক্ষীর।

  • পরিনীতি চোপড়া

মনে রাখার মত এক অভিষেক ছিল পরিনীতির। তবে, এরপরই তিনি হোঁচট খান। গেল বছরই অবশ্য তাঁর ‘গোলমাল এগেইন’ ছবিটি সুপারহিট হয়। তবে, সেখানে তাঁর অবদান ছিল সামান্যই। বরং গেল বছর ‘নামাস্তে লন্ডন’-এর জন্য নিন্দাই বেশি শুনতে হয়েছে তাকে। তাঁর প্রতিভা নিয়ে দর্শক ও সমালোচক – কোনো পক্ষের কোনো কালেই সন্দেহ ছিল না। তবে, স্ক্রিপ্ট বাছাইয়ে পরিনীতির যে সমস্যা আছে, সেটা এখন খুবই প্রকট। এটাই বড় সাফল্য পাওয়ার পেছনে বাঁধা তাঁর জন্য।

  • সিদ্ধার্থ মালহোত্রা

সাম্প্রতিক সময়ে বড় কোনো হিট না থাকার পরও সিদ্ধার্থের ফ্যান-ফলোয়িংয়ের কোনো কমতি নেই। গেল বছরের ‘আইয়ারে’ ভাল কিছুর আভাস দিলেও কাগজে-কলমে বক্স অফিসের জন্য লাভজনক বলে প্রমাণিত হয়নি। সিদ্ধার্থের সর্বশেষ ব্যবসাসফল ছবি ২০১৬ সালের ‘কাপুর অ্যান্ড সন্স’। এরপর বিভিন্ন ঘরানার চারটি ছবি করলেও কোনোটিতেই সাফল্যের মুখ দেখেননি তিনি।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।