কোনো ফুরসৎ মেলে না তাঁদের!

সিনেমা বানানো লম্বা সময়ের ব্যাপার। সেজন্যই, এক বছরে দুই কি তিনটার বেশি সিনেমায় একজন অভিনেতার পক্ষে কাজ করা সম্ভব হয় না। তবে, এর মধ্যেও ব্যাতিক্রমধর্মী কয়েকজন অভিনেতা আছেন, যারা তাঁদের ক্যারিয়ারে একটি নির্দিষ্ট বছর গাদাখানেক ছবি করেছেন। এদের মধ্যে কেউ এত ভাল ভাল স্ক্রিপ্ট পান যে না করতে পারেন না, আর কেউ কেউ কোনো বাছবিচার না করেই ছবি সাইন করেন।

  • অমিতাভ বচ্চন

১৯৭৫ সাল। তখন অমিতাভের ক্যারিয়ারের শুরুর দিক। সে বছর ছয়টি সিনেমায় কাজ করেন বিগ বি।

  • শত্রঘ্ন সিনহা

একারে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া শত্রুঘ্ন নিজের জমানায় খুব জনপ্রিয় অভিনেতাদের একজন ছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি আটটি সিনেমায় অভিনয় করেন।

  • অজয় দেবগন

১৯৯১ সালে অভিষেকের পর অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা পান অজয় দেবগন। এই তারকা ১৯৯৩ সালে, এক বছরেই আটটি সিনেমায় কাজ করেন।

  • ধর্মেন্দ্র

বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রথম দিককার সুপার স্টারদের একজন তিনি। ১৯৭১ সালে তিনি একাই নয়টি সিনেমায় কাজ করেন।

  • জিতেন্দ্র

১৯৭৯ সালে জিতেন্দ্র নয়টি সিনেমা কাজ করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি এক বছরে ধর্মেন্দ্রর করা নয়টি সিনেমার রেকর্ডে ভাগ বসান।

  • জ্যাকি শ্রফ

১৯৮৯ সালে জ্যাকি দাদা একই বছরে নয়টি সিনেমা করেন। তখন ক্যারিয়ারের স্বর্ণালী দিন কাটাচ্ছিলেন তিনি।

  • রাজেশ খান্না

রাজেশ খান্না ছিলেন বলিউডের অন্যতম সেরা একজন  এনটানটেইনার। তিনি ১৯৭২ সালে ১০ টি সিনেমায় কাজ করেন। এই রেকর্ড অনেকদিন টিকে ছিল।

  • অক্ষয় কুমার

অক্ষয় আজো বলিউডের সবচেয়ে সক্রীয় অভিনেতাদের একজন। এখনো তিনি প্রতি বছর চারটা-পাঁচটা করে সিনেমা করেন।  ১৯৯৪ সালে তিনি এক বছরে ১১ টি সিনেমায় কাজ করে ভেঙে ফেলেন রাজেশ খান্নার রেকর্ড।

  • গোবিন্দ

বলিউডে আসা  মাত্রই হট কেকের মত গোবিন্দর চাহিদা বাড়তে থাকে দর্শক মহলে। তখন তিনি যে সিনেমা পেতেন, কোনো বাছবিচার না করেই সেটা করতেন। ১৯৮৯ সালে এক বছরে তিনি মোট ১৩ টি সিনেমায় কাজ করেন।

  • মিঠুন চক্রবর্তী

মিঠুন চক্রবর্তীর জনপ্রিয়তা নিয়ে কোনো কালেই সন্দেহ ছিল না। আর সেজন্যই তো বাঙালি এই অভিনেতা আছেন এই তালিকায় সবার ওপরে। খ্যাতিমান আর কর্মঠ এই ডিস্কো ড্যান্সার ১৯৮৬ সালে একাই ১৬ টি ভিন্ন ভিন্ন সিনেমায় কাজ করেন।

– এন্টারটেলস অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।