সাফল্য বয়স দেখে আসে না!

বলা হয়, ভারতীয় সিনেমায় বয়স ষাটের ঘরে চলে গেলে আর লিড রোল পাওয়া যায় না। তবে, এই ধারণার পুরোটাই বানোয়াট। বুড়ো বয়সেও এখানে তারকারা এমন সব সিনেমা করেন যা দেখে দর্শকরা তাজ্জব বনে যান, হোক সেটা শীর্ষ কিংবা সহ-চরিত্রে।

দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ানোর সাথে সাথে বক্স অফিসেও আসে বিরাট সাফল্য। তাঁরা বুঝিয়ে দিয়েছেন, বয়স স্রেফ একটা সংখ্যা। তেমনই কিছু সাফল্য মন্ডিত ছবি ও তারকাদের নিয়ে আমাদের এই আয়োজন।

  • ধর্মেন্দ্র (৮২ বছর)

দুই ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওলকে নিয়ে ধমেন্দ্র’র করা ‘ইয়ামলা পাগলা দিওয়ানা’ সিনেমাটি বক্স অফিস থেকে ৫৪ কোটি রুপি আয় করে।

  • ম্যামোথি (৬৬ বছর)

দক্ষিণের এই কিংবদন্তির ‘দ্য গ্রেট ফাদার’ সিনেমাটি ৫০ কোটি রুপি আয় করে।

  • চীরঞ্জীবী (৬২ বছর)

‘খিলাড়ি ১৫০’ সিনেমাতে দেখা গিয়েছিল এই মেগাস্টারকে। বিশ্বব্যাপি সিনেমাটি ১৬৪ কোটি রুপির ব্যবসা করে।

  • অমিতাভ বচ্চন (৭৫ বছর)

বিগ ‘বি’ অভিনীত ‘পিকু’ সিনেমাটির মোট আয় ৭৮ কোটি রুপি। এর মধ্যে ৬৫ কোটিই এসেছে ভারত থেকে। সর্বশেষ তাঁর ‘১০২ নট আউট’ও ৪৮ কোটি রুপির ব্যবসা করে।

  • পরেশ রাওয়াল (৬৭)

প্রতিভাবান এই অভিনেতার প্রশংসিত সিনেমা ‘ওহ মাই গড’। সিনেমাটির আয় ছিল ৮১ কোটি রুপি।

  • কমল হাসান (৬৩)

কিংবদন্তিতুল্য এই অভিনেতা ‘থুনগাভানাম’ সিনেমায় কাজ করেছেন। সিনেমাটি ১৫০ কোটি রুপি আয় করেছে।

  • রজনীকান্ত (৬৭)

তামিল সুপারস্টার রজনীকান্তকে নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। তাঁর করা ‘কাবালি’ সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে ৬৫০ কোটি রুপির ব্যবসা করেছে।

  • ঋষি কাপুর (৬৫)

ঋষি কাপুরের হিট সিনেমা ‘কাপুর অ্যান্ড সন্স’। সিনেমাটি ৭০ কোটি আয় করে। সর্বশেষ অমিতাভ বচ্চনের সাথে তাঁর ‘১০২ নট আউট’ও ৪৮ কোটি রুপির ব্যবসা করে।

  • অনিল কাপুর (৬১ বছর)

বলিউডের চীরতরুণ অভিনেতা অনিল কাপুর। তাঁর ‘মুবারাকাম’ সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে ৯৩ কোটি রুপি আয় করে। রেস ও ওয়েলকাম ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকেও তার বিস্তর সাফল্য আসে।

  • নাসিরুদ্দিন শাহ (৬৭ বছর)

বুড়ো বয়সে নাসিরুদ্দিন শাহ’র সাফল্যের শেষ নেই। তার ‘জিন্দেগী না মিলেগি দোবারা’ ৯০ কোটি ও ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ ৮০ কোটি রুপির ব্যবসা করে।

– দেশিমার্টিনি.কম ও বক্স অফিস ইন্ডিয়া অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।