মুকেশ আম্বানি ও অপরচুনিটি কস্ট মিজার করতে পারার বিশাল দক্ষতা

১৯৮০ সালে মুকেশ আম্বানির এমবিএ করার সুযোগ হয় স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু তার বাবা ধীরুভাই আম্বানী বললেন- পুস্তকের এমবিএ’র চেয়ে নিজের ব্যবসায় বাস্তব মার্কেটের ধারনা নিতে। মুকেশ আম্বানি বাবার কথা রাখলেন, ফিরে আসলেন দেশে এবং বাবার ব্যবসায় বসে বাস্তব মার্কেটের ধারণা নিতে থাকলেন।

আজ ২০২০ সালে এখন পর্যন্ত তার মোট সম্পদের মূল্য প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার। এখানে একটু জানিয়ে রাখি, বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ বাংলাদেশ ব্যাংকের রয়েছে মাত্র ৩৬ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। সেখানে মুকেশ আম্বানি তার নামে থাকা ২১ বিলিয়ন ডলারের ঋণ তিনি মাত্র ১০ সপ্তাহেই পরিশোধ করে দিয়েছেন, সেটাও এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যই। এর ফলে তিনি এক ধাক্কাতে এসে গিয়েছেন আবার বিশ্বের সেরা ১০ ধনীর তালিকায়। এছাড়া তিনি পিছনে ফেলে দিয়েছেন এশিয়ার সেরা ধনী পনি মাকে, তাও সম্পদের দূরত্ব ১০ বিলিয়নের কাছাকাছি।

দ্রত বাড়ছে মুকেশ আম্বানির মোট সম্পদ

যদি দেখা যায় এই করোনা পরিস্থিতিতে অধিকাংশ ধনী ব্যাক্তির সম্পদের মূল্য বেড়েছে, এর প্রধান কারণ অধিকাংশ ধনীরাই বিনিয়োগ করেছিলেন টেকনোলজির উন্নয়নে আর সেটাই তাদের সম্পত্তিকে বাড়িয়েছে ২৫% থেকে ১৫০% পর্যন্ত।

এই করোনা পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি সম্পদ বেড়েছে আমাজনের জেফ বেজসের এবং এর পরেই নাম এসেছে ভারতের মুকেশ আম্বানীর।

পরিশেষে এটাই বলা চলে – জীবনে ‘অপরচুনিটি কস্ট মিজার’ করতে পারাটাও বিশাল এক দক্ষতা, একজন সত্যিকারের লিডারই সেটা করতে পারেন।

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।