এশিয়ার দ্বিতীয় সেরা এখন বাংলাদেশ!

পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের ওয়ানডে জয়ের সংখ্যা খুব বেশি নয়। আবুধাবিতে শেষ ম্যাচটা ধরলে মোট পাঁচটা। এর প্রথমটা অবশ্যই ১৯৯৯ বিশ্বকাপের সেই বিখ্যাত জয়। তবে, বাকি সবগুলো জয় এসেছে ২০১৫ থেকে বর্তমান সময়ের মধ্যে।

এই সময়ের মধ্যে পাকিস্তানের সাথে চারটি ওয়ানডে খেলে সবগুলোই জিতেছে বাংলাদেশ। এরমধ্যে ২০১৫ সালে নিজেদের মাটিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ। সর্বশেষটা তো আসলো পাকিস্তানের ‘নিজেদের মাঠ’ আরব আমিরাতেই।

টুর্নামেন্টের সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩৭ রানে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। পাকিস্তানের এই দলটাই কিন্তু গেল বছর ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতকে হারিয়ে জিতে এসেছিল আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা। আগামী শুক্রবার ভারতের বিপক্ষে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে নামবে বাংলাদেশ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে ২৩৯ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯৯ রান করেন মুশফিক। এছাড়া মোহাম্মদ মিথুন ৬০ ও মাহমুুদুল্লাহ ২৫ রান করেন। জবাবে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২০২ রান করতে পারে পাকিস্তান। মুস্তাফিজুর ৪৩ রানে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন।

আরো পড়ুন

২০১৫ সাল থেকে ধরলে টি-টোয়েন্টিতেও মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশই। তিনটি ম্যাচের মধ্যে দু’টিই জিতেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে একটি আবার এসেছে গত এশিয়া কাপেই, মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২০১৬’র মার্চের সেই ম্যাচে পাকিস্তানকে পাঁচ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ।

সেই জয় দিয়ে বাংলাদেশ উঠে যায় ফাইনালে। এবার আবুধাবির জয় দিয়ে নিশ্চিত হল বাংলাদেশের ফাইনাল। এশিয়া অঞ্চলে ক্রিকেটীয় শক্তি হিসেবে শ্রীলঙ্কাকে বাংলাদেশ মোটামুটি আগেই পেছনে ফেলেছে। এবার টানা দুই এশিয়া কাপের ফলাফল প্রমাণ করছে, একটু একটু করে বাংলাদেশ ছিটকে ফেলতে শুরু করেছে পাকিস্তানকেও।

সামনে থাকে কেবল ভারত। এদিক থেকে বাংলাদেশ এখন এশিয়া অঞ্চলের দ্বিতীয় সেরা দল। সীমিত ওভারের পরিসংখ্যান তাই বলে। র‌্যাংকিংয়ে শ্রীলঙ্কা আগে থেকেই আমাদের পেছনে আছে। পাকিস্তান আছে অল্প একটু সামনে। কে জানে, শিগগিরই হয়তো এই ব্যবধানটাও ঘুচে যাবে। এবার এশিয়া কাপের শিরোপা জিততে পারলেই র‌্যাংকিয়ে আরো একবার বড় উত্থান আসতে বাধ্য বাংলাদেশের।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।