টি-টোয়েন্টি সিরিজ প্রিভিউ

টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তির ১৯ বছর পরে প্রথমবারের মতো ভারতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, যার সূচনা হবে আগামীকালের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে। দিল্লির বায়ু দূষণ নিয়ে প্রচুর লেখালিখি হচ্ছে, ক্রিকেটাররা মাস্ক পরে অনুশীলন করছে, তবু এখানেই ম্যাচ আয়োজন করা হচ্ছে। এই সময়টাতে দিল্লীতে বায়ু দূষণের ব্যাপারটা গত কয়েক বছর ধরেই প্রচলিত, বিসিসিআইয়ের আরেকটু সংবেদনশীল হওয়া উচিত ছিল। তবে ম্যাচ মাত্র ২০ ওভারের, এবং দুই দলকেই যেহেতু এর মধ্যে খেলতে হবে – কন্ডিশন নিয়ে বেশি কিছু লেখা অবান্তর।

টি২০ হাইলি স্কিলের খেলা। টেস্ট যদি হয় ৩ ঘন্টার সিনেমা, ওয়ানডে ৪০ মিনিটের নাটক, টি-টোয়েন্টি হলো ৩০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপন। ওইটুকু সময়ের মধ্যেই সমস্ত সাবসটেন্স উপস্থাপন করতে হয়। টি-টোয়েন্টিকে একটা সময় পর্যন্ত কোনো খেলাই গণ্য করতাম না, কিন্তু যখন থেকে সিনেমা, নাটক আর বিজ্ঞাপনের এন্টারপ্রেটেশন আত্মস্থ করেছি, বুঝতে পেরেছি এর একটা স্বতন্ত্র আবেদন রয়েছে, একে উপেক্ষা বা অবজ্ঞা করা মানে সেই আবেদনের অন্তর্নিহিত এসেন্সটা উপলব্ধিতে ব্যর্থ হয়ে জাজমেন্টাল আচরণ করা। আমরা সিনেমাতে বিজ্ঞাপনের টুইস্ট প্রত্যাশা করি না, অনুরূপ বিজ্ঞাপনে নাটক বা সিনেমার ফ্লেভার চাইতে পারি না। যদি চাই সেটা ফরম্যাটের সমস্যা নয়, নিজেদের প্রত্যাশা সংক্রান্ত গোলযোগ।

টি২০ তে বাংলাদেশ সবচাইতে দুর্বল, একাদশে অন্তত ৭ জন টি-টোয়েন্টিতে মানানসই ক্রিকেটার থাকলে তবেই কোনো একদিন বাংলাদেশ টি২০ তে উন্নতি করতে পারবে। নিকট ভবিষ্যতে সেই সম্ভাবনা কতটুকু বাস্তব তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছি।

ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজকে বলতে পারি আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ প্রস্তুতির সূচনাবিন্দু হিসেবে।

স্কোয়াড প্রসঙ্গে আসা যাক। যেহেতু অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপ হবে, বাউন্সি পিচের ব্যাপারটি মাথায় রেখে সৌম্যকে হয়তোবা আরো সুযোগ দেয়া হবে। সৌম্য টি-টোয়েন্টিতে কেন পারে না এটা নিয়ে আমার হাইপোথিসিস হলো, ওয়ানডেতে ডট বল প্রেসার থাকে কম; ওভারে একটা বাউন্ডারি মেরে ৪টা বল ডট দিলেও চোখে পড়ে না সেভাবে। টি-টোয়েন্টিতে প্রতিটি বলকেই কাজে লাগানোর প্রেসার থাকে, ডট বল অনেকটাই আত্মঘাতী হয়ে উঠে। সৌম্য এই জায়গাটায় খেই হারিয়ে ফেলে। প্রতি বলে রান বের করার মতো স্কোরিং শট তাঁর নেই, করণীয় ঠিক করতে সে দ্বিধায় ভোগে, এর মধ্যেই যা ঘটার ঘটে যায়। সৌম্যের কাছ থেকে তাই টি-টোয়েন্টিতে ভালো কন্ট্রিবিউশন পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

টি২০ তে বাংলাদেশ সবচাইতে বেশি ভরসা করতো সাব্বিরের ওপর, সেই মোহ কেটে গেছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে সাব্বিরের থাকার সম্ভাবনা শূন্যপ্রায়। ফলে ৭ নম্বর পজিশনে ভ্যাকুউয়াম তৈরি হয়েছে।সাকিব না থাকায় এই পজিশনটি এখন একটি স্ট্র‍্যাটেজিক সিদ্ধান্তের অবকাশ তৈরি করেছে। ৪ জন নিয়মিত বোলার খেলালে বাকি ৪ ওভারের জন্য আফিফ,রিয়াদ আর মোসাদ্দেকের দায়িত্ব নিতে হবে। সাকিব খেলা অবস্থাতেও নিয়মিত বোলারের সংখ্যা ৪ জনই দেখা গেছে অবশ্য। আফিফ ডানহাতি অফব্রেক হওয়াতে তার কাছ থেকে বোলিংয়ে প্রত্যাশা কম, বোলিংয়ে বৈচিত্র‍্যের জন্য একজন বামহাতি স্পিনার নিবে। অন্যদিকে লেগস্পিনারও খেলাবে, তাতে পেসারের সংখ্যা হয়ে যাবে মোটেকালে ২, এতে বোলিং দুর্বল হয়ে পড়বে।

সংস্কারাচ্ছন্ন চিন্তা থেকে সরে এসেছে লেগি আর বাঁহাতি স্পিনারকে বাই রোটেশনে খেলানো উচিত। সাইফুদ্দিন স্কোয়াডে থাকলে তাকে ৭ নম্বরে পাঠিয়ে এই সমস্যা খুব সহজেই সমাধান করা যাবে। বিপ্লব লেগি হিসেবে খেললেও মূলত সে ব্যাটসম্যান। তাকে ৭ এ ট্রাই করবে, নাকি ৭ জেনুইন ব্যাটসম্যান খেলাবে এটা নিয়েও দোটানা কাজ করতে পারে।

আপাতদৃষ্টে মনে হচ্ছে, ৭-এ ব্যাটসম্যান খেলাবে। সাব্বিরকে পরিকল্পনার বাইরে রেখে মিঠুনকে দিয়ে চেষ্টা করা হবে সম্ভবত। মিঠুনের স্লগ করার ক্ষমতা রয়েছে, যদিও কোয়ালিটি বোলিংয়ের বিপক্ষে সেই সক্ষমতা প্রশ্নসাপেক্ষ। আগামী সিরিজগুলোতে এই পজিশনে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলতে পারে। সম্ভাব্য স্যাম্পল হিসেবে ইয়াসির আলিকে দেখা যেতে পারে ভবিষ্যতের কোনো সিরিজে।

তাইজুল টি-টোয়েন্টিতে অচল এটা ইতোমধ্যেই প্রমাণিত। সম্ভবত তড়িঘড়ি করে শেষ মুহূর্তে তাকে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে কেবলমাত্র এই সিরিজের কথা মাথায় রেখে। এই জায়গায় নিকট ভবিষ্যতে অন্য কোনো বাঁহাতি স্পিনার দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল।

সাইফউদ্দিন ইনজুরির কারণে কতদিন বাইরে থাকে, বা অ্যাকশন বদলাতে হয় কিনা, এরকম বেশ কিছু ফ্যাক্টর বিবেচনায় রাখতে হবে পেসার নির্বাচনের ক্ষেত্রে। যদিও মুস্তাফিজ একজন গল্পসর্বস্ব বোলার, তবু বাকিদের মান আরো খারাপ হওয়াতে মুস্তাফিজের জায়গা নিয়ে চ্যালেঞ্জ নেই। শফিউল আর আল আমিনের মধ্যে আল আমিনকেই এগিয়ে রাখবো, যদিও তার শৃংখলা ঘাটতির পুরনো স্বভাব শুধরেছে কিনা বলা যাচ্ছে না। আবু হায়দারও অপশন হতে পারে, তবে একই সাথে দুজন বাঁহাতি পেসার খেলানোর সম্ভাবনা কম। অনুর্ধ্ব১৯ এর মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী যদিও বাঁহাতি, ব্যাটিং সামর্থ্যের কারণে নিকট ভবিষ্যতে সেও বিবেচনায় আসতে পারে যদি অনুর্ধ্ব১৯ বিশ্বকাপে অনবদ্য পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে। শফিউলের টানা খেলার রেকর্ড কম। তাই এই পজিশনে ভ্যাকুউয়াম তৈরি হবে।

তবে ইন্টারেস্টিং খেলা হবে ৩ আর ৬ নং পজিশন নিয়ে। সাকিব না থাকায় আফিফকেই ৩ এ খেলানো হবে সম্ভবত। মোসাদ্দেক খেলবে ৬ এ; আফিফ ব্যর্থ হলে সেখানে একজন ওপেনারকে ট্রাই করা হতে পারে। ৬ এ মোসাদ্দেকও ব্যর্থ হলে ২ জনের মধ্যে যে তুলনামূলক কম খারাপ সে-ই সুযোগ পাবে। এখানে আর কোনো বিকল্প দেখা যাচ্ছে না।

যদিও তামিম ইকবালকে টি-টোয়েন্টিতে মানানসই লাগে না, সাকিব না থাকায় তামিমকে টপ অর্ডারে রাখবেই কোচ-নির্বাচকেরা।

তার সঙ্গী কে হতে পারে?

এখনো পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সবচাইতে প্রমিজিং ব্যাটসম্যান লিটন দাস। কিন্তু সে ৩ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ১টাতে চলনসই রান করে বাকি ২টায় বাজেভাবে আউট হয়। নাঈম শেখ যদি সুযোগ পেয়ে কিছুটা হলেও কাজে লাগাতে পারে, লিটনের অবস্থান নড়বড়ে হয়ে যাবে, বা সে ব্যাক আপ ওপেনার হয়ে যাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের মতো।

প্রশ্ন হলো, নাঈম শেখ কি সুযোগ পাবে? যেহেতু সৌম্যের অভিজ্ঞতা বেশি, প্রথম ২ ম্যাচে নাঈমের বাইরে থাকার সম্ভাবনাকেই বাস্তব মনে হচ্ছে। সৌম্য-লিটনের মধ্যে যে ২ ম্যাচে বেশি খারাপ খেলবে সেই জায়গাতে ৩য় ম্যাচে তার অভিষেক ঘটতে পারে। তবে বাংলাদেশের কালচারে ভরসা নেই,দেখা গেল মিঠুনের পরিবর্তে প্রথম ম্যাচ থেকে তাকেই ৭এ খেলানো হচ্ছে। এটা হলে নাঈমের সম্ভাবনাকে হত্যা করা হবে।

ভারতের খেলোয়াড় রিজার্ভ অনেক বেশি। নতুন খেলোয়াড়দের মানও আমাদের অধিকাংশ নিয়মিত খেলোয়াড়দের তুলনায় অনেকটাই বেশি। তাই ভারতের স্কোয়াড দেখে যারা দুর্বল বলছেন সেই দলে আমি নেই।

তবু এবারের সফরে টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে প্রথমবারের মতো হারানোর সম্ভাবনা উজ্জ্বল লাগছে। মনে হওয়ার পেছনে ক্রিকেটিয় কারণ সামান্য, অন্যান্য কয়েকটি আনুষঙ্গিক কারণকেই গুরুতর মনে করছি।

  • সাকিবকে ছাড়া ১ বছর খেলতে হবে। সাকিব ছাড়া বাংলাদেশ খুবই অর্ডিনারি দল, এরকম কথা অনেকেই বলে থাকে, এটা অন্য প্লেয়ারদের ইগোকে কিছুটা হলেও আহত করে। সাকিব নেই, তাই প্রায় সবার মধ্যেই দেখিয়ে দেবো মনোভাব কাজ করতে পারে।
  • আইসিএল কাণ্ডের পর আবারো বাংলাদেশের ক্রিকেট ধাক্কা খেয়েছে একটা। ধর্মঘট করার কারণে প্লেয়ারদের মধ্যে ভয় ঢুকে যাওয়ার কথা, পারফর্ম না করলেই বাদ পড়ে যাবো— এমন আশংকার দরুণ সিরিয়াসনেস বাড়তে পারে।
  • লিটন দাস, মাহমুদুল্লাহ আর মুশফিকের আইপিএল এ দল পাবার একটা সম্ভাবনার কথা পড়লাম সমকাল/কালের কণ্ঠ/যুগান্তর এ; এই সিরিজে বাড়তি পারফরম্যান্স দেখালে সেই সম্ভাবনা বাড়বে। তাছাড়া আগামী বছর সাকিব যেহেতু আইপিএল এ থাকছে না, নতুন কোনো বাংলাদেশী ক্রিকেটারকে চুক্তিবদ্ধ করার স্ট্র‍্যাটেজি নিতেও পারে ফ্র‍্যাঞ্চাইজিগুলো। বাংলাদেশী কাউকে নিলে বাংলাদেশের দর্শকদের আইপিএল এর প্রতি আগ্রহ কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পায়। এটা প্লেয়াররাও জানে তাদের জন্য সুযোগ তৈরি হয়েছে।
  • টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অধিনায়ক কে হবে তাও নির্ভর করবে এই সিরিজের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের ওপর। মোসাদ্দেক, লিটন, মাহমুদুল্লাহ ৩ জনই আছে তালিকায়; এখানেও একটা ব্যক্তিগত অর্জনের টার্গেট থাকবে।

উল্লিখিত ৪টি ফ্যাক্টর দলের ডেসপারেটনেস বৃদ্ধিতে টনিক হিসেবে কাজ করতে পারে। তাতেই দল জিতে যাবে বলার সুযোগ নেই, তবে জেতার সম্ভাবনা কিছুটা বৃদ্ধি পাবে বলা যায়।

  • স্পটলাইট

টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশের ৫ জন ক্রিকেটারের পারফরম্যান্সে বিশেষ নজর রাখবো। এদের মধ্যে ৩ জন যদি ধারাবাহিকতা দেখায়, বাংলাদেশ ৩ ম্যাচের ১টাতে অবশ্যই জিতবে।

আফিফ হোসেন: জিম্বাবুইয়ের বিপক্ষে ৮ নম্বরে নেমে ফিফটি করার পরের ৩ ইনিংসে উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেনি আফিফ। আমরা অনেকেই মতামত দিয়েছিলাম ৬-৭ এ নামার দরুণ বল থাকে না তেমন, একারণে স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারছে না। এই সিরিজে যদি ৩ এ উঠে আসে সেই মতামত আর খাটবে না৷ আফিফ বল নষ্ট করে না, বিজি ক্রিকেটার। ব্যাটিংয়ে যদি প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে পারে দলের স্কোর কম্পিটিটিভ হবে, চেজিংয়েও সুবিধা পাওয়া যাবে।

লিটন দাস: আশরাফুল নিষিদ্ধ হওয়ার অনেক বছর পর একজন ব্যাটসম্যান পেয়েছি যার ব্যাটিং উপভোগ করি। কিন্তু আশরাফুলের মতোই তার ধারাবাহিকতার অভাব। কিন্তু বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টিতে কতদূর কী করবে তা অনেকটাই নির্ভর করছে লিটন কেমন শুরু করছে তার উপর। আফগানিস্তানের মুজিব তাকে কীভাবে ভুগিয়েছে ভারতীয়দের কাছে সেই ফুটেজ নিশ্চিতভাবেই রয়েছে, সেক্ষেত্রে তারাও হয়তোবা ওয়াশিংটন সুন্দরকে দিয়ে বোলিং ওপেন করাবে। সেই কৌশল উতরে যাওয়ার মতো স্মার্টনেস তার আছে কিনা দেখার বিষয় সেটাই।

আমিনুল বিপ্লব: মাত্র ১ টি-টোয়েন্টি খেলেছে, লেগস্পিনার হিসেবেও সে পার্ট টাইমার, গুগলি দিতে পারে না– প্রথম ম্যাচ দেখেই অনেকে সেই রায় দিয়ে ফেলেছে। হিটম্যান রোহিতের সামনে সে কেমন বোলিং করে সেটা থেকেই অনুমান করা যাবে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে।

মোসাদ্দেক হোসেন: তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দুটো- পেস বোলিংয়ের বিপক্ষে যারপরনাই দুর্বল, এবং ফিল্ডিংয়ে ক্যাজুয়াল। তাকে টি২০ এর অধিনায়কত্ব দেয়ার চিন্তা পত্রিকাসূত্রে জেনেছিলাম, অন্যদিকে তার টি২০ খেলার সামর্থ্য নিয়েই প্রশ্ন তুলে অনেকে। এই সিরিজে তার পারফরম্যান্স তাই বিশেষ মনোযোগ দাবি করে। সেই সাথে স্পিন বলে ছক্কা মারার ক্ষমতা তার বাড়তি যোগ্যতা। গত সিরিজে জিম্বাবুইয়ে এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২টি ম্যাচ জেতানোতে তার কন্ট্রিবিউশন ছিল। নিজেকে কতটা বদলাতে পারলো সেটাও দেখার বিষয়।

আল আমিন হোসেন: ৩ বছর পরে জাতীয় দলে ফেরত এসেছে। তার বোলিংয়ে ভ্যারিয়েশন আছে যথেষ্ট, যা টি-টোয়েন্টির জন্য উপযুক্ত। প্রত্যাবর্তনকে সে কীভাবে উদযাপন করে তা অবশ্যই বিবেচ্য। ভারতের বিপক্ষে টি২০ তে তার রেকর্ডও সবার চাইতে ভালো।

মুশফিকের কাছ থেকে টি-টোয়েন্টিতে প্রত্যাশা নেই বিশেষ, রিয়াদ মেয়াদ উত্তীর্ণ, মুস্তাফিজ উইকেট পেলেও প্রচুর রান লিক করে, শফিউলের বোলিং নিয়ে তার নিজেরই কনফিডেন্স আছে কিনা বলা দুরূহ। তাই ৫ জন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অন্যরাই প্রাধান্য পেয়েছে।

ভারত সফর জাতীয় দলের জন্য ওয়েক আপ কল, কিংবা বলা যেতে পুনর্গঠন আর পুনর্বিন্যাসের নতুন অধ্যায়। তার সাথে ক্রিকেটাররা কতটা মানিয়ে নিলো জানা যাবে আগামীকালই।

প্রথম টি-টোয়েন্টির জন্য পছন্দের একাদশ দিয়ে বিশ্রামে যাচ্ছি – লিটন, নাঈম শেখ, আফিফ, মুশফিক, রিয়াদ, মোসাদ্দেক, সৌম্য, বিপ্লব, আল আমিন, শফিউল ও মুস্তাফিজ।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।