যদিও নতুন সূচিতে বাংলাদেশেরই লাভ, তবুও…

এশিয়া কাপের সূচিতে যে আচমকা বদল এসেছে, তাতে কিন্তু বেশ কিছুটা লাভই হয়েছে বাংলাদেশের!

আগের যা সূচি ছিল, তাতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে পরপর দুই দিন খেলতে হতো আবু ধাবিতে। এই টুর্নামেন্টে সব দলই দুবাইয়ে থাকছে। এখান থেকে গিয়ে ম্যাচ খেলতে হচ্ছে। তো ২০ তারিখ আবু ধাবিতে আফগানদের বিপক্ষে খেলে দুবাই হোটেলে ফিরতে ফিরতে রাত দেড়টা-দুইটা। পরদিনই আবার ম্যাচ খেলতে দুপুরের মধ্যে যেতে হতো আবু ধাবিতে। এখন সেটি হচ্ছে না। ২০ তারিখ আবু ধাবিতে। ২১ তারিখ দুবাইয়ে।

সুবিধা হয়েছে আরেকটি জায়গাতেও। আগের সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বে চ্যাম্পিয়ন হলে সুপার ফোরের শেষ ম্যাচটি বাংলাদেশকে খেলতে হতো ২৫ তারিখ। সেক্ষেত্রে ১৯ থেকে ২৫, এই ৬ দিনের মধ্যেই ছিল ৪ ম্যাচ। এখানে যে কন্ডিশন, দুই-একজন ক্রিকেটার তাতে ফিট-টিট হয়ে যেতে পারত গরমে। এখন শেষ ম্যাচটি ২৬ তারিখ। মানে একটি দিন বেশি বিশ্রাম মিলছে।

তার পরও কেন প্রতিবাদে সোচ্চার মাশরাফি? কারণ ব্যাপার নৈতিকতার। কারণ, অন্যায় সব সময়ই অন্যায়।

আজ বাংলাদেশের পক্ষে এসেছে, অন্য সময় হয়ত পক্ষে আসবে না। মূল ব্যাপার হলো, ভারতের সবকটি ম্যাচ দুবাইয়ে রাখতেই আচমকা এই পরিবর্তন। একটি দলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই এই পরিবর্তন। টুর্নামেন্টের আয়োজক এসিসির আর্থিক লাভের আরও বেশ কিছু ব্যাপারও আছে এই পরিবর্তনের পেছনে। তবে মূল ব্যাপার হলো, ভারত বাড়তি সুবিধাটা পাচ্ছে। পাড়ার ক্রিকেটেও টুর্নামেন্টের মাঝপথে এমন পরিবর্তন এতটা সহজে হয় না।

নিজেদের পক্ষে এসেছে বলে এবার মাশরাফি অনায়াসে চুপ থাকতে পারতেন। কিন্তু ব্যাপারটা নৈতিকতার। কোড অব কন্ডাক্ট ও আরও অনেক শেকল পরানো থাকলেও অধিনায়ক যথেষ্ট কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কারণ, মাশরাফি স্পেশাল একজন!

– ফেসবুক ওয়াল থেকে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।