নিজের মতো চলি, বক্স অফিসের মতো নয়: ঐশ্বরিয়া রায়

স্থাপত্যবিদ্যা পড়তে এসেছিল নীল নয়না মেয়েটি। তাঁর মধ্যে বিশেষ কিছু পেয়েছিলেন তার এক প্রফেসর, যিনি ছিলেন একজন ফটোগ্রাফারও। তিনি তাঁর মডেলিং পোর্ট-ফোলিও প্রস্তুত করতে ইচ্ছা প্রকাশ করলে মেয়েটি না করতে পারেনি। ক্যান্সার রোগাক্রান্ত প্রফেসরের ইচ্ছাতেই কিছু ছবি তুললো প্রকৌশলী হতে চাওয়া তন্বী তরুণীটি। তারপর তাঁর জীবনছবি পাল্টে গেল। ১৯৯৪ সালের বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগীতায়ও অংশ নিয়ে ফেলল সে কি করে যেন। শীর্ষস্থানও দখল করে ফেলল। নতুন এক নীল নয়না সুন্দরীর দেখা পেয়ে গেল বলিউড, তাঁর নাম ঐশ্বরিয়া রায়।

প্রফেসর যদি ছবি না তুলতেন তাহলে আমাদের দেখা হতো না চোখের বালির ‘বিনোদিনী’- কে। প্রয়াত নির্মাতা ঋতুপর্ণ ঘোষ এক চলচ্চিত্র উৎসবে অ্যাশের মেন্টর সঞ্জয় লীলা বানসালির সাথে আলাপও করতেন না তার জন্য। জীবনের গল্পগুলো বোধহয় এমনই হয়, মোড়ে মোড়ে থাকে নাটকীয়তা।

সম্প্রতি ফেমিনা ম্যাগাজিন এ বিশ্বসুন্দরীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে ‘অ্যাশ’-এর জুহুর ছিমছাম অফিসে। তারা সবসময় সেরা সুন্দরীদের নিয়ে প্রচ্ছদ সাজায় এবং তাদের তালিকায় ঐশ্বরিয়ার অবস্থান শুরুর দিকেই হয়। তাই গতবছরের ন্যায় এবারো তাকেই বেছে নেয়া হয় প্রচ্ছদকন্যারূপে। এ আলাপচারিতায় দুই যুগ বলিউড জগতে কাটানো ঐশ্বরিয়া জানিয়েছেন অনেককিছু। তার সে সাক্ষাৎকারে চলে এসেছে জীবনের নানা দিক। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো আমাদের মতো করে।

যে মেয়েটি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছিল, শো বিজনেসে কোন যোগাযোগ ছিল না, তবুও কেন গ্ল্যামার জগতকে তিনি বেছে নিয়েছিলেন?

এটি আবেগি কোন সিদ্ধান্ত ছিল না, অনেকটা একাডেমিক সিদ্ধান্ত ছিল। আমার বাবা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার বলে তাকে অনেকটা সময় বাইরে থাকতে হতো। আমার মা আমাকে ও আমার বড় ভাইকে দেখাশোনা করতেন, আমি তার বন্ধুর মতো ছিলাম। মিকি (কন্ট্রাক্টর, মেকাপ আর্টিস্ট) প্রায়ই আমাকে বলতো আমি কেমন বুড়ি ছিলাম মানসিকভাবে। আমার ভাইয়ের চেয়ে আমি তিন বছরের ছোট, কিন্তু মানুষজন আমাকে বড় ভাবত। আমার এই পরিপক্কতাটা ছিল। পরে যখন আমি গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করি তখন আমি জানতাম আমার সিদ্ধান্তকে জাজ করা হবে। লোকজন ভাববে আমি আমার চেহারার জন্য এখানে এসেছি। আমি বিজ্ঞান পড়তাম, হয় ডাক্তার নাহয় আর্কিটেক্ট হবো; আমি রচনা সংসদ একাডেমি অব আর্কিটেকচারে ভর্তি হয়েছিলাম। আমি ফটোশুট করি আমার ইংরেজির প্রফেসরের জন্য। আমি যখন শুনলাম তিনি ক্যান্সারের রোগী তখনই রাজি হয়ে যাই। এভাবেই মডেলিং জগতে পা রাখি।

আপনি পরিচিত হবার আগে টিভিতে কিছু বিজ্ঞাপন করেছিলেন, একটা বিখ্যাত উক্তি ছিল – হাই, আই এম সানজানা।

আমি প্রথম টিভি বিজ্ঞাপন করি ১৯৯২ সালের মে মাসে, ‘সানজানা’ হয়েছিল সে বছরের ডিসেম্বরে। দর্শক আমাকে পছন্দ করেছিলেন। প্রহলাদ কাক্কার (যিনি ‘সানজানা’ নির্মাণ করেছিলেন) বলেছিলেন কি করে টি-স্কয়ার নিয়ে ধূলোমাখা শার্ট গায়ে তার অফিসে এসেছিলাম। তখন আমি ছাত্রী ছিলাম এবং কখনো এভাবে প্রকাশিত হইনি। অথচ তখনো আমি প্রফেশনালই ছিলাম। আমার কাগজপত্র ঠিকঠাক ছিল। আমার সঙ্গে চুক্তিও হয়, আমার ল’ইয়ার তা করে। আমি শুধু একটি সই করেছিলাম।

ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া হবার পর আপনি কি আর্কিটেক্ট হবার ব্যাপারে সিরিয়াস ছিলেন?

এমনকি আমার প্রথম বছরেই আমি টিভি কমার্শিয়াল করেছিলাম, ‘সানজানা’ সহ। আমার প্রফেসররা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন আর্কিটেকচারের মডেলিং আর আমার করা মডেলিং এক নয়। আমি প্রথম সারির ছাত্রী ছিলাম, আমার সহপাঠীরা আমাকে বিশ্বাস করতে চাইতো না। আমাকে আর সাধারন স্টুডেন্টের মতো দেখা হবেনা আর আমিও চাইতামনা আমার ক্রেডিট নিয়ে কারো সন্দেহ থাকুক। আমার ক্যারিয়ার পছন্দের বিষয়টা ভিন্ন ছিল কারণ আমি বলিউডে ঢুকবো ভাবিনি। কিন্তু এটি হয়ে যায় দ্বিতীয় বর্ষে থাকার সময় যখন মিস ওয়ার্ল্ড জিতে গেলাম। আমি ব্যাচমেটদের সাথে থাকবো কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন শুরু হয় শুরুতেই। আমি যখন দেশে আসি কলেজ আমাকে সংবর্ধনা দেয়, সিনিয়রদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেয়ার সময়ই আমি টের পেয়েছিলাম…

অবশেষে আপনি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত হলেন?

টাইটেল পাবার আগেও আমাকে প্রভাবিত করা হয়েছিল। ধর্মেশ দর্শন আমাকে ‘রাজা হিন্দুস্তানী’ অফার করেছিলেন, ইয়াশজি (ইয়াশ চোপড়া) ‘মেয়নে তো মোহাব্বত কার লি’ ছবিতে আমাকে লঞ্চ করতে চেয়েছিলেন যেটি পরে ‘দিল তো পাগল হ্যায়’ হয়। আমার সাথে শেখর কাপুর, রাজিভ মেনন, মনি রত্নম সবার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল। আমার গল্পটা অন্য নতুন মুখদের মতো ছিল না। সবাই একটি ছবি দিয়ে ভাগ্য যাচাই করে আমি একসঙ্গে ২-৩ টি ছবিতে সাইন করেছিলাম। মনির সঙ্গে ‘ইরুভার’ ছবির শুটিং করার সময় আমার হৃদয় বলছিল এটাই আমার বাড়ি।

আপনি ভারতের প্রথিতযশা পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেছেন। তারা তাদের একাধিক কাজে আপনাকে যুক্ত করেছেন, এটাই তো ছিল বড় প্রশংসা।

আমি খুবই কৃতজ্ঞ। পৃথিবী আমাকে চেনে ডিরেক্টরদের সঙ্গে বারবার কাজ করার জন্য, কিন্তু সে সময়ে আমি কিছু ভাল অফার ছেড়েছিলাম অন্যকাজের সঙ্গে শিডিউল ক্ল্যাশ করবে বলে। পরবর্তীতে আমি কিছুটা পরিচিত হলে আমার সহকর্মীরা অবাক হতো যে আমি শুরুতে আমি অন্তর্মুখী ছিলাম, কাজ করতাম করে বাসায় চলে যেতাম সে কি করে এতকিছু করলাম। আমি কোন আড্ডায় থাকতাম না। এমনকি অভিকে বিয়ের আগেও সে আমার বন্ধু ছিল অনেকদিন। বিয়ের পর সোশ্যাল হতে শুরু করেছি। আমাদের এত ঠাঁসানো শিডিউল থাকতো যে আড্ডা দেয়ার সময়ই পেতাম না।

তাদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা বলুন, ধরুন মনি রত্মম।

কাজ শুরু করার জন্য সে দারুণ একজন। আমি একবার তাকে প্রশ্ন করেছিলাম, তুমি কি ঠিক আছ এমন শুট করার জন্য যেটি সবার কাছে প্রশ্নবিদ্ধ, যা জগতে ঘটে কিনা নিশ্চিত নয়? মনি জবাব দিয়েছিল, আমি জানিনা আমি কি খুঁজছি তবে আমি জানি আমি কি চাইনা। এভাবেই যাদুকরী কিছু পাওয়া যায়, নতুন এবং তাৎক্ষণিক কিছু ঘটে।

সে আমাদের সবার মাঝে বিষয়টি খুঁজেছিল।

এবং সঞ্জয় লীলা বানসালি?

সঞ্জয়ের সঙ্গে আমার বন্ধন এমন যে আমরা ঘরের একপ্রান্তে থেকেও চোখের দিকে তাকিয়ে বুঝে ফেলি কি করা উচিৎ। মনির সঙ্গে এটি হচ্ছে না জানার যাদু, আর সঞ্জয়ের সঙ্গে জানার যাদু। ‘গুজারিশ’ ছবির পোস্টারে আমি সরাসরি মাটিতে তাকিয়েছিলাম, আমার কপালের রগ ফুলে উঠেছিল; দৃশ্যটি অপরিকল্পিত ছিল যেটি সঞ্জয় ঠিকই নিয়েছিল। সে আমাকে ‘অবজার্ভ’ করতো এবং বলেছিল আমি চরিত্রের সঙ্গে মিশে গিয়েছিলাম বলে তার টিম আমাকে স্পেস দিয়েছিল। এটা নিয়মিত হতো শুটিং সেটে। আমি সঞ্জয়ের দিকে তাকাতাম সেও আমার দিকে তাকাত, বুঝে নিতাম সে কি চায়। এরকম অনেক মুহূর্ত আছে আমার তার সঙ্গে, দেবদাসের শুটিং স্পটেও।

আরো আছেন, ঋতুপর্ণ ঘোষ, আশুতোষ গোয়ারিকার …

আমি ঋতুদাকে মিস করি। তিনি সৃজনশীল কাজ করতে পারতেন। আমাদেরও আরো কাজ করা হতে পারতো। সঞ্জয় ঋতুদাকে গভীরভাবে জানতেন, তাই তিনি একটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমার কথা তাকে বলেন, এভাবেই আমি চোখের বালিতে সুযোগ পেয়েছিলাম। যখন সঞ্জয় এটি দেখলেন তখন তিনি তাকে হাসতে হাসতে প্রশ্ন করেছিলেন কি করে পঞ্চাশ ভাগের এক ভাগ বাজেটে কাজটি করলেন। আবার আশুর সঙ্গে যোধা আকবরে কাজ করার সময় আমাদের কাজ করার সমীকরণ পাল্টে গেল, তখন আমি সদ্যবিবাহিতা ছিলাম। আমরা ক্রিয়েটিভ আলাপ করতাম।

আরেকটি মাইলস্টোন ছিল যখন গুরিন্দর চাধার সঙ্গে ব্রাইড এন্ড প্রেজুডিস করি, জেন অস্টিনের ক্লাসিককে ভারতীয়রূপে পরিবর্তন করা হয়েছিল টুইস্ট, হাস্যরস দিয়ে। আন্তর্জাতিক ভার্সনটি ভাল ব্যবসা করলেও বাল্লে বাল্লে (হিন্দী ডাবকৃত ভার্সন) ফ্লপ হয়। এনিয়ে অনেকে প্রশ্ন করেছিল কেন আমি এমন একটি ছবিতে কাজ করে সময় নষ্ট করেছি। আমার জবাব ছিল আমি একটি ইংরেজী ছবি করেছি যেটির হিন্দি ডাবিংকৃত ভার্সন আমার অভিনয় জাজ করার ব্যারোমিটার হতে পারেনা। আমি সকল সমালোচনা নিজের কাঁধে নিয়েছি। এমনকি যখন আমার ক্যারিয়ার শুরু হয় তখনই আমি শিখে নিয়েছি সমালোচনার মাঝেও কি করে ইতিবাচক দিকগুলো খুঁজে নিতে হয়।

দুটো দশক পেরিয়ে এলেন, কোনো পছন্দের চরিত্র রয়েছে?

আমাকে কিছু চরিত্র বাছাই করতে বলবেন না, আমি মনে করি আমি খুব অল্প কাজ করেছি যে চরিত্র বাছাই করবো এবং এবিকে আমার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়। কিন্তু আমি যা করেছি তাতে সন্তুষ্ট। আমি এক বছরের মধ্যে যোধার রাণী, স্ট্রীট স্মার্ট সুনেহরী (ধুম-২), সরকার রাজে বিজনেস ওম্যান এবং পিংক প্যান্থার ২ এ প্রতিদ্বন্দ্বী চরিত্রে কাজ করেছি। আরেক বছর আমি কাজ করলাম রোবোট, রাভান, অ্যাকশান রিপ্লে ও গুজারিশে। আমি নিজের মতো করে চলি, বক্স অফিসের মতো নয়, তার পরিবর্তে আমি প্রশংসা ও ভালোবাসা পেয়েছি।

আরাধ্য’র জন্মের পর আমি এমন করেছিলাম। সঞ্জয় গুপ্তা ‘জাজবা’ নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন। আমরা এমনভাবে শিডিউল সাজালাম যেন আমি আরাধ্যকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে আবার নিয়ে আসতে পারি। এরপর একইভাবে এল ‘সরবজিত’ ও ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’।

অভিনয় করার জন্য ‘সরবজিত’ – এর রোলটি কেমন ছিল?

আমি চরিত্রটিতে ডুব দিয়েছিলাম। আমি চরিত্রটিকে গৌরবময় করতে পারতাম আর বলতে পারতাম আমরা অনেক রিসার্চ করেছি, আসলে আমি মাসব্যাপি রিহার্সেলে বিশ্বাস করিনি। তাৎক্ষণিক যে অভিনয় করবো তা দেখে দর্শক বিচার করবে আমার অভিনয় হয়েছে কি হয়নি, আমি তাতে নিজেকে সঁপে দিতে পেরেছিলাম কি পারিনি।

‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবির সাবা তো অন্যান্য চরিত্রের চেয়ে পৃথক ছিল।

সাবা চরিত্রটিতে কাজ করার স্বাধীনতা ছিল, আমি জানতাম এমন একটি চরিত্র করছি যেটি মূল নারী চরিত্র নয় কিন্তু তাঁর গুরুত্বও কম নয়। আমি সিদ্ধান্ত নিতে ভয় করিনি, লোকজন প্রশ্ন করতে পারতো তবে কি আমি পার্শ্বচরিত্রে কাজ করা শুরু করলাম? এমন আলোচনা হতে পারত, এখনও আমি বলি। তবে আমি ভিন্ন মত পেয়েছিলাম। করনও আমাকে বলেছে সে সাবা চরিত্রের জন্য অন্য কাউকে ভাবতেই পারেনি। আমি কখনোই একথা বলিনি, নব্বই দশক হতে যেসব চরিত্রে কাজ করেছি ওসব সাধারণের চেয়ে ভিন্ন ছিল, প্রতিটি চরিত্র নতুন পথের সূচনা করেছিল। ইদানিং দেখতে ভাল লাগে শিল্পীরা এ ধরনের চরিত্রে কাজ করছে, অথচ আমি যখন নিয়মিত করতাম তখনই নাড়া দিতে পেরেছিলাম।

এমনকি এখন আমি ‘ফ্যানি খান’-এ কাজ করছি যেটি মূল চরিত্র না হলেও গল্পে প্রভাব অনেক।

পরিবারের কথায় আসা যাক। আরাধ্য’র বয়স বর্তমানে ছয় বছর চলছে। আপনি একমাত্র মা তার স্কুলে যিনি প্রতিদিন তাকে আনা-নেওয়া করছেন। ধরুন ও কয়েক বছর পর এ সাক্ষাৎকার পড়ছে, তাকে কি কোন ম্যাসেজ দিতে চান?

আরাধ্য সৃষ্টিকর্তার নিজস্ব সৃষ্টি। দারুণ এক আত্মার শিশু সে। তাকে সন্তান হিসেবে পেয়ে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবতী মনে করি। আমি শুধু একথাই তাকে বলবো সে যা ভাল মনে করবে তা করতে পারবে।

দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সৌন্দর্যের প্রশংসা কিভাবে সামলাচ্ছেন?

এতে গুরুত্ব না দিয়ে এবং এটিকে স্বাভাবিক ধরে নিয়ে। আমি যেখানেই যাই ক্যামেরা আমাকে ঘিরে ধরে, লোকজন জড়ো হয়ে যায় কিন্তু আমি সবাইকে বলি আমি সাধারন একজন। অভিষেকের সঙ্গে শিডিউল মিলিয়ে কাজ করাটাও আমাকে ব্যালেন্স রাখে এবং হাতের কাজ শেষ করতে সহায়তা করে। এই এপ্রিলে আমাদের একসঙ্গে থাকার ১১ বছর পূর্ণ হচ্ছে, আমি কৃতজ্ঞ আজ পর্যন্ত আমি যা পেয়েছি তা নিয়ে।

আপনার ক্যারিয়ারকে ‘অপ্রতিরোধ্য’ করতে কিসের ভূমিকা রয়েছে?

কী আমাকে অপ্রতিরোধ্য করেছে? হয়তো এর কারণ আমি কখনো নিজেকে প্রশ্নটি করিনি। আসলে আমি ও অভি নিজেদের রুটিন এমনভাবে সাজিয়ে থাকি যাতে সময়ের সদ্ব্যাবহার করতে পারি। গুরুত্বপূর্ণ কাজ সেরেও আমরা পরিবারকে সময় দিতে পারি, প্রতিদিন যতোটুকু প্রয়োজন হয়।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।