বাপ-বেটা দু’জনের সাথেই পর্দায় রোমান্স করেছেন তাঁরা

নায়করা নাকি চিরসবুজ।  সেটা মিথ্যা নয়। যদিও, বলিউডের অনেক নায়িকা এই ধারণাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছেন। তাদের গ্ল্যামারে তারা ধরে রাখতে পেরেছেন বয়সকে। একাধারে তারা ‘বাবা ও ছেলে’ দু’জনের সাথেই কাজ করেছেন। এমনই কিছু চিরসবুজ নায়িকার কথা বলতে যাচ্ছি এখন।

  • মাধুরী দিক্ষিত

এখানে সবার ওপরে থাকবেন মাধুরী। রণবীর কাপুরের সাথে তিনি ‘ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছবিতে নেচেছেন আইটেম গানে। এর এক বছর আগে তিনি রণবীরের বাবা ঋষি কাপুরের সাথে ‘ইয়ারানা’ ও ‘প্রেম গন্থ’ নামের দু’টি ছবিতে কাজ করেছেন।

এখানেই শেষ নয়, আরো এক বাবা ও ছেলে জু’টির সাথে রোমান্সের সুযোগ হয়েছে তাঁর। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ৪২ বছর বয়সী বিনোদ খান্নার বিপরীতে কাজ করেন তিনি। ১৯৮৮ সালে ফিরোজ খানের ‘দয়াবান’ সিনেমার ‘আজ ফির তুমপে’ গানটা খুব জনপ্রিয় হয়। তখন মাধুীর বয়স মাত্র ২০। এর বছর দশেক বাদে বিনোদের ছেলে অক্ষয় খান্নার সাথে জুটি বেঁধে ‘মোহাব্বাত’ সিনেমা করেন মাধুরী।

  • ডিম্পল কাপাডিয়া

সানি দেওল ও ডিম্পল কাপাডিয়া ১৯৮৪ সালে এক সাথে ‘মাঞ্জিল মাঞ্জিল’ সিনেমাটি করেন। ১৯৯১ সালে ধর্মেন্দ্র একই নায়িকার সাথে ‘মাস্ত কালান্দার’ সিনেমাটিতে করেন। এমনটি একই বছর ধর্মেন্দ্র ও ডিম্পলের পরবর্তী ছবি ‘দুশমন দেবতা’-তে তাদের একটা চুম্বন দৃশ্যও ছিল।

বাবা-ছেলের সাথে ডিম্পল কাপাডিয়ার রোমান্সের আরো অনেক নজীর অবশ্য আছে। সেখানেও আছেন বিনোদ ও অক্ষয় খান্না। বিনোদ ও ডিম্পল এক সাথে করেছেন ‘খুন কা কার্জ’, ‘লেকিন’ ও ‘ইনসাফ’-এর মত সিনেমা। এই জুটি বেশ জনপ্রিয় ছিল। ২০০১ সালে অক্ষয় খান্নার বিপরীতে ডিম্পল কাপাডিয়া কাজ করেন ‘দিল চাহতা হ্যায়’ সিনেমায়। অসম এক প্রেমের গল্পে কাজ করেন তাঁরা।

  • শ্রীদেবী

এটা খুবই অদ্ভুত ব্যাপার যে আগে ছেলে, পরে বাবার সাথে কাজ করেন শ্রীদেবী। ১৯৯০ সালে শ্রীদেবী ধর্মেন্দ্রর সাথে শীর্ষ চরিত্রে কাজ করেন ‘নাক বন্দী’ সিনেমায়। এর আগে ১৯৮৯ সালে তিনি সানি দেওলের বিপরীতে ‘চালবাজ’ সিনেমায় কাজ করেন। এর  বাদে আরো পাঁচটি সিনেমায় শ্রীদেবী ও ধর্মেন্দ্র এক সাথে কাজ করেন।

  • রাণী মুখার্জি

সময়টা ২০০১ সাল যখন অভিষেক বচ্চন ও রাণী মুখার্জি এক সাথে ‘বাস ইতনা সা খওয়াব হ্যায়’ সিনেমায় কাজ করেন। এরপর তারা এক সাথে ‘যুব’, ‘বান্টি ওউর বাবলি’ ও ‘কাভি আলবিদা না ক্যাহনা’ সিনেমায় কাজ করেন। ২০০৫ সালে রাণী ও অমিতাভ বচ্চন এক সাথে কাজ করেন সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘ব্ল্যাক’ সিনেমায়। সেখানে চরিত্র ও গল্পের প্রয়োজনেই চুম্বন দৃশ্য করেন তাঁরা।

  • অমৃতা সিং

সানি দেওলের বিপরীতে অমৃতা সিং ১৯৮৩ সালে কাজ করেন ‘বেতাবি’ সিনেমায়। ছয় বছর বাদে তিনি সানির বাবা ধর্মেন্দ্রর স্ত্রীর চরিত্রে ‘সাচ্চাই কি তাকাত’ সিনেমায় কাজ করেন তিনি।

  • শিল্পা শেঠি

বচ্চন পরিবারের দুই নায়কের সাথেই রোমান্স করেছেন শিল্পা। অমিতাভ বচ্চনের বিপরীতে তিনি ছিলেন ‘লাল বাদশাহ’ সিনেমায়। দোস্তানা সিনেমার আইটেম সং ‘শাট আপ অ্যান্ড বাউন্স’ সিনেমায় শিল্পার সাথে ছিলেন অভিষেক বচ্চন।  এছাড়াও এক সাথে তাঁরা ‘ফির মিলেঙ্গে’ ও ‘দাস’ সিনেমা করেন।

  • হেমা মালিনি

‘স্বাপ্নো কা সওদাগর’ সিনেমাটি হেমা মালিনির অভিষেক সিনেমা। সেখানে তাঁর বিপরীতে ছিলেন কিংবদন্তি রাজকাপুর। বয়সের অনেক পার্থক্য থাকলেও পর্দায় তাঁরা বেশ মানিয়ে যান। এরপর ১৯৭৪ সালে তিনি হেমা কাজ করেন ‘হাথ কি সাফাই’ সিনেমায়। সেখানে তাঁর বিপরীতে ছিলেন রাজের ছেলে রণধীর কাপুর।

– টোয়েন্টিফোর ইন্ডিয়া নিউজ অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।