বাংলাদেশের ম্যাচ পরবর্তী ১১ পর্যবেক্ষণ

২০০৭ এবং ২০১৫ – দুই আসরেই প্রথম ম্যাচ জিতেছিল বাংলাদেশ। পরের দুই ম্যাচের একটাতে যদি জিতে যায়, এবং শ্রীলংকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আফগানিস্তান আর পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রত্যাশিত জয়গুলো পাওয়া হয়, ছয় জয় নিয়ে সেমিতে খেলা তখন রীতিমত বাস্তবতায় পরিণত হবে।

ভারতের বিপক্ষে ২০০৭-এর আসরেও ম্যাচ শুরুর অনেক আগে থেকেই রব উঠেছিল ভারতকে হারানো সম্ভব, আশ্চর্যজনক হলো এবারও প্রায় প্রত্যকে ক্রিকেট অনুরাগী মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা পেরে উঠবে না আমাদের সাথে। আপাত কঠিন চ্যালেঞ্জ জয়ের জন্য কালেক্টিভ বিলিভ সিস্টেম কীরকম শক্তিশালী প্রভাব রাখে এই সকল ঘটনা থেকে উপলব্ধি করা যায়।

তবে এনালাইটিক রাইটিংয়ের আইরনি হলো, বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস সেখানে পাওয়া যায় না, ইমপ্যাক্ট নিয়ে নাড়াচাড়া করতে গিয়ে এমন অনেক কিছুই চোখে পড়ে যেগুলো সবসময় পছন্দনীয় নাও হতে পারে। বাংলাদেশের গতকালের ম্যাচ শেষে এমন ১১ টি পর্যবেক্ষণ শেয়ার করছি।

ইদানীং আমার লেখাগুলোতে কলেজ আর ভার্সিটি পড়ুয়া একটি শ্রেণী অপ্রয়োজনে খোঁচাখুচি শুরু করেছে। তারা দ্বিমত প্রকাশ করতে গিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং ট্রলিংয়ের আশ্রয় নেয়। আমি অবশ্য একে র‌্যান্ডম ডেটা হিসেবেই দেখি।

  • পর্যবেক্ষণ ১

মুশফিকের ইনিংসটা কাল ১৫৭+ না হওয়াতে আশাহত হলাম। এটাই গ্রেট আর গুড ব্যাটসম্যানের পার্থক্য। সাকিব আর মুশফিক যখন পাল্লা দিয়ে রান করছিল, ছোটভাইকে বলছিলাম এই জুটি ৩৫ ওভারের কাছাকাছি গিয়ে সাকিবের আউট হয়ে যাওয়া উচিত, কারণ দুজনই সেঞ্চুরির কাছাকাছি থাকলে সতর্কতার কারণে রানরেট কমে যাবে, একজনের সেঞ্চুরি পাওয়া উচিত, এবং সেটা অবশ্যই মুশফিকের।

কারণ মুশফিকের মতো চিকি শট খেলা এবং স্লগিং দক্ষতা সম্পন্ন ব্যাটসম্যান বাংলাদেশে কেউই নেই, সে যদি স্লগ ওভারগুলোতে থাকে রান ৩৪৭+ হবে। সাকিবের স্লগ শট একেবারেই নেই, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে স্কুপ খেলতো, সেটা নাই হয়ে গেছে বহুদিন। তার স্লগিং মানে ক্রসব্যাটেড খেলে মিডউইকেট দিয়ে উড়িয়ে মারতে যাওয়ার চেষ্টা এবং ৬৭% ক্ষেত্রেই আউট হয়ে যাওয়া।

বড় জুটির পর একজন ব্যাটসম্যান আউট হলে অন্যজনও আউট হয়ে যায় অনেক সময়, কিন্তু মুশফিক এই প্রবণতায় আক্রান্ত হয় না সচরাচর। কাল সাকিব আউট হওয়ার পর সে যেভাবে খোলসে ঢুকে পড়লো, এই মুশফিক সম্পূর্ণ অচেনা। সামনে আরো অনেক ম্যাচ রয়েছে, মুশফিক সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করবে আশা করি।

  • পর্যবেক্ষণ ২

এশিয়ান দলের বিপক্ষে বাউন্সারের যে চিরায়ত কৌশল, সৌম্যের কারণে অধিকাংশ দলের ক্ষেত্রেই সেটা ব্যাক ফায়ার করবে। অনেকদিন আগেই বলেছি এবারের বিশ্বকাপে সৌম্য একজন তারকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করুক। সৌম্য যেসব ম্যাচে ১৭ ওভার পর্যন্ত উইকেটে থাকবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আমাদের কাছে চলে আসবে। নিউজিল্যান্ড ম্যাচেও আমাদের পরিণতি কী হবে তা নির্ভর করবে প্রথম ১০ ওভারে সৌম্য ম্যাট হেনরি আর ট্রেন্ট বোল্টকে কতটুকু শায়েস্তা করতে পারে সেই ফ্যাক্টরের উপর।

পুল করতে গিয়ে টপ এজড হওয়া তার পুরনো অভ্যাস, সেটা জারি থাকলেও সমস্যা দেখি না যদি তার আগে ৭টা বাউন্ডারি আর তিনটা ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পেসারদের ছন্দ নষ্ট করে দেয়৷ তবে ত্রিদেশীয় সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ থেকেই দেখছি ইনিংসের শুরুতে সে স্লিপে এজড করছে। প্রতিপক্ষ দলগুলো নিশ্চিতভাবেই তাকে নিয়ে স্টাডি করবে এখন, এবং সেই অনুসারে ফাঁদ পাতবে। সেটা উতরে যাওয়ার মতো ম্যাচিউরিটি তার এসেছে কিনা সেটাই দেখার বিষয়। তবে একটা বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যায়, সৌম্যকে ড্রপ দেয়ার চিন্তা যেন প্রবল দুঃস্বপ্নের মধ্যেও না আসে।

  • পর্যবেক্ষণ ৩

আমাদের গতকালের বোলিং এটাক খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। নেহায়েতই দক্ষিণ আফ্রিকা চেজিংয়ে দুর্বল, নইলে ৩৩০ রানও কাল চেইজ করে ফেলতো উপরের সারির অন্য যে কোনো দল। মুস্তাফিজ ছাড়া কাল কোনো উইকেট টেকিং বোলারই ছিল না। ৩৭ ওভারের আগ পর্যন্তও উইনিং প্রেডিকশনে সাউথ আফ্রিকাকে যে এগিয়ে রাখছিলো সবাই এর মূল কারণ সেই নির্বিষ বোলিংই। এবং কালও আমরা প্রতিপক্ষকে অল আউট করতে পারিনি।

১১ থেকে ৪০ ওভার এর মধ্যে ম্যাচের মূল গতিপথ নির্ধারিত হয়। এই সময়ে যারা কম উইকেট হারায় তারাই ম্যাচ জিতে। অথচ গতকাল এই সময়টাতে আমাদের বোলিং তেমন কোনো প্রভাবই বিস্তার করতে পারেনি। নিউজিল্যান্ড বা ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও যদি একই অবস্থা থাকে, হারের সম্ভাবনা ১০০%; রুবেলকে একাদশে লাগবেই।

  • পর্যবেক্ষণ ৪

গতকাল ভাগ্যও আমাদের পক্ষে ছিল কিছুটা। ক্রিস মরিসের শর্ট পিচ বলে সাকিব যে ছক্কাটা মেরেছে, ওটা ১০ বারের মধ্যে ৮ বারই লং লেগে ক্যাচ হয়, গতকাল হলো ছক্কা। মাহমুদুল্লাহ এর যে ক্যাচটা রাবাদা মিস করে চার বানিয়ে দিল, সাউথ আফ্রিকার ফিল্ডারদের কাছ থেকে তা অবিশ্বাস্য। ডি কক যেভাবে রান আউট হলো, বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে এমনটা ঘটলে কমেন্ট্রি বক্সে ‘দিস ইজ স্কুল ক্রিকেট’ জাতীয় কোনো বক্তব্য শোনা যেত।

সাকিবকে আমি কখনোই বাংলাদেশের স্ট্যান্ডার্ডে পরিমাপ করি না, আমার দৃষ্টিতে সে বাংলাদেশের একমাত্র গ্লোবাল ক্রিকেটার। (সৌম্য আর লিটন চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে হলেও হতে পারে)। কিন্তু আইসিসির ইভেন্টগুলোতে সাকিবের পারফরম্যান্স গড়পড়তা হওয়ায় রিকগনিশন কম। অলরাউন্ডারের লিস্ট যদি খেয়াল করি সেখানে বেন স্টোক্স বাদে বাকিরা কেউ ব্যাটিং অথবা বোলিং অলরাউন্ডার। অলরাউন্ডারের সর্বকালের তালিকাতেই তার থাকা উচিত, কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি ব্যতীত আলোচিত কোনো পারফরম্যান্স নেই তার। ২০২৩ বিশ্বকাপে তাকে পাওয়া যাবে কিনা বা তখন ফর্ম কেমন থাকবে বিবেচনায় এবারই তার শেষ সুযোগ বড়ো মঞ্চে নিজেকে মেলে ধরবার। গতকাল তার স্পিরিট দেখে আশাবাদী হয়েছি।

  • পর্যবেক্ষণ ৫

গতকাল মাশরাফির বোলিং পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে বিস্তর। মনে রাখা উচিত সে হ্যার্মস্ট্রিং ইনজুরিতে ভুগছে, ম্যাচ মিস করার সম্ভাবনা ছিল যথেষ্ট। তবে ইনজুরি নয়, আমি মনে করি মাশরাফির খারাপ বোলিংয়ের অন্যতম কারণ ৫ম বোলার হিসেবে বোলিংয়ে আসা। মাশরাফির বোলিং মানে নতুন বলে প্রথম স্পেলের ছয় ওভার। তার বলের যা গতি ২০ ওভারের পরে এলে ব্যাটসম্যানরা সঙ্গত কারণেই তাকে টার্গেট করবে।

নতুন বলে সে যেভাবে বুদ্ধি খাটিয়ে বোলিং করে মাঝের ওভারে ব্যাটসম্যান চার্জিং মুডে থাকলে তার পক্ষে রান আটকানো কঠিন। সে নতুন বলেই আদর্শ প্যাকেজ। তবে সমালোচনা করা যায় তার ফিল্ড প্লেসমেন্টের। মুস্তাফিজের বলে এজড হবেই এটা প্রমাণিত, তবু পাওয়ার প্লে তে সে ২টা স্লিপ কেন রাখে না এটার ব্যাখ্যা সে-ই ভালো দিতে পারবে।

সিঙ্গেলস আটকানোর মতো ফিল্ড প্লেসিংও চোখে পড়েনি। সিঙ্গেলস আটকালে ব্যাটসম্যান অ্যাগ্রেসিভ হয়ে উইকেট দেয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়, কিন্তু প্রতি বলে সিঙ্গেলস নিলে বাউন্ডারি মারাটা তুলনামূলক সহজ হয়ে যায়। ৩৫ ওভার পর্যন্ত সাইফুদ্দিনকে মাত্র দুই ওভার বোলিং করানোও বিধ্বংসী সিদ্ধান্ত ছিল। ভাগ্য কাল সবকিছুতেই ফেভার করেছে বলে ব্যাক ফায়ার করেনি।

  • পর্যবেক্ষণ ৬

দলের উইকলিংক যদি বলি দুটো পাওয়া যাবে। একটা হলো, মিথুন। আমি ঠিক জানি না, মিথুনকে নিয়ে ম্যানেজমেন্টের ব্যাক আপ প্ল্যান কী। এশিয়া কাপের ফাইনাল থেকেই দেখছি সে বড়ো ম্যাচের প্লেয়ার নয়। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালেও একই অবস্থা, গতকালও তথৈবচ। নিউজিল্যান্ড সফরের সেই দুই মিনিংলেস ফিফটি দিয়ে সে ইংল্যান্ড ম্যাচের একাদশেও জায়গা পাবে, কিন্তু তারপর কী হবে? মাহমুদুল্লাহকে ৫ এ উঠিয়ে সাব্বিরকে ৭ এ ট্রাই করা হবে?

সাব্বির আর মোসাদ্দেককে একত্রে খেলানোটা সুচিন্তা নয়। প্রস্তুতি ম্যাচে লিটন দেখিয়েছে সে মিডল অর্ডারে খুব ভালোমতোই পারবে। ফর্মের কারণে উসমান খাজাকে অস্ট্রেলিয়া শেষ পর্যন্ত খেলালো, সেখানে কেবলমাত্র পজিশনের কারণে একজন ইনফর্ম প্লেয়ারকে না খেলানোটা বোকামি হচ্ছে। তবে লিটনের সাথে আরেক অপশন হিসেবে মিরাজকেও রাখতে চাই আমি। যে ছেলে টুর্নামেন্ট ফাইনালে ওপেন করতে পারে সে ৫ এ খেলতে পারবে নির্বিঘ্নে। তাতে দলে ভারসাম্য বাড়বে। ইংল্যান্ড ম্যাচের পরে ৫ নম্বর পজিশনের সমাধান কী হয় দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

  • পর্যবেক্ষণ ৭

তামিমকে গতকালের মতো নড়বড়ে খুব কমই দেখেছি। ইনজুরির কারণে তার খেলা নিয়েই সংশয় ছিল, তবু খেলেছে যখন, ফুল রিদমেই খেলা উচিত। প্রথম ওভার থেকেই বোঝা যাচ্ছিল তার আউট হওয়াটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। ডট বল নিয়ে সমালোচনাই তার মনোসংযোগ নষ্ট করলো কিনা এটা নিয়ে ভাবছি। আমি বরাবরই চাই ওপেনিংয়ে প্রথম যে উইকেটটা পড়বে সেটা সৌম্য হোক, তামিম আউট হওয়া মানে ২ উইকেট পড়া থিওরিটিকালি, কারণ প্লেয়িং রোলের কারণেই সৌম্য যে কোনো সময়ই আউট হয়ে যাবে।

তামিমের স্ট্যাবিলিটি না থাকলে সেমিতে খেলার স্বপ্ন ধূসর হয়ে যেতে পারে। যে কোনো টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ দেখলেই তামিমের ছন্দ বোঝা যায়, প্রথম ম্যাচে রান পেলে তার প্রভাব থাকে পুরো টুর্নামেন্টেই। কাল অসফল হয়ে আশংকা বাড়িয়ে দিল বাংলাদেশ দলে আমার সবচাইতে প্রিয় ক্রিকেটারটি।

  • পর্যবেক্ষণ ৮

প্রস্তুতি ম্যাচ থেকেই মুস্তাফিজ ছন্দে আছে। তার ফিটনেস আর শেখার অনাগ্রহ নিয়ে বিরক্ত থাকলেও বিশ্বাস করি ম্যাচ জিততে হলে সে-ই বোলিংয়ে প্রধানতম হাতিয়ার। তার গতকালের ছন্দ দেখে মনে হয়েছে পরের ম্যাচে মুনরো লেগবিফোর আর গাপ্টিল টপ এজড হবার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। কোনো এক ম্যাচে তাঁর পাঁচ উইকেট দেখতে চাই।

  • পর্যবেক্ষণ ৯

মিরাজ- সাইফুদ্দিন একত্রে খেলাটা দলের বোলিং নখদন্তহীন বানিয়ে দেয় তা কাল ভালোভাবে বোঝা গেছে৷ অন্যান্য দলে অলরাউন্ডার অথবা মিনি অলরাউন্ডাররা প্রথম সাতে ব্যাট করে, যদি জেনুইন অলরাউন্ডার থাকে ক্ষেত্রবিশেষে আটে একজন মিনি অলরাউন্ডারকে এফোর্ড করা হয়। কিন্তু আমরা টেইল এন্ডারকে শক্ত বানাতে গিয়ে আটে আর নয়ে দুটো পজিশন অকুপাই করাচ্ছি মিনি অলরাউন্ডার দিয়ে, বোলিংয়ে স্পেশালিস্ট থাকছে না।

হয় একজনকে খেলাতে হবে, অথবা কোনো একজনকে টপ সেভেন এ জায়গা পেতে হবে ব্যাটিং অর্ডারে। নইলে বড়ো দুর্ভোগ অপেক্ষা করে আছে যার সাথে দেখা হবে অচিরেই।

  • পর্যবেক্ষণ ১০

মাহমুদউল্লাহ’র গতকালের ছক্কাটা দুর্দান্ত ছিল। তার সাথে মোসাদ্দেকের কেমিস্ট্রিটাও জমে উঠছে। মোসাদ্দেকের ক্যালিবার আছে সেটা ফাইনাল দেখেই বোঝা গেছে, গতকালকের ক্যামিওটাও ইফেক্টিভ। কনফিডেন্স মানুষের এক্সিকিউশন ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় তা আবারো প্রমাণিত। তবে মাহমুদুল্লাহ শুরুর দিকে কনফিডেন্সহীনতায় ভুগছে, শট খেলতে গিয়ে মিসটাইম করছে, গ্যাপ খুঁজে পেতে কষ্ট হচ্ছে৷ গতকাল ফিফটিটা পেয়ে গেলে সেটা চলে আসতো।

  • পর্যবেক্ষণ ১১

এই মুহূর্তে আমরাই বোধহয় টিমওয়ার্ক নির্ভরতার দিক থেকে এক নম্বর দল। কোনো সেঞ্চুরি বা ৮০-৯০ নেই তবু ৩৩০, কোনো পাঁচ উইকেট নেই, ছয় জন বোলারের চার জনই উইকেট পেয়েছে। এটা প্রশংসাযোগ্য। এর মধ্যে তিন জন যদি চরম ধারাবাহিকতা দেখায়, বড়ো আশা করাই যায়।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।