সেকালের তারকা, আজকের?

তারা রুপালি পর্দা ছাড়তে পারেন, কিন্তু আমাদের স্মৃতিতে তারা এখনও সদা ভাস্মর। এখনও হয়তো রুপালি পর্দায় তাদের পদচারণা স্মরণ করে আপনি নস্টালজিক হন। কখনো কখনো হয়তো মনে প্রশ্নও জাগে, এখন তারা কোথায়? তারা এখন কি করছেন? আপনাদের এই কৌতূহল মেটাতেই আমাদের এ আয়োজন। দেখে নিন, রুপালি পর্দা ছাড়ার পর আপনাদের শৈশবের সেলিব্রিটিরা কি করছেন:

আমান্ডা বাইনস

শৈশবে আমান্ডা বাইনস নিকোলডিয়ানের এক জনপ্রিয় তারকা ছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত, বয়স বাড়ার সাথে সাথে তিনি পাদপ্রদীপ থেকে দূরে সরে যেতে থাকেন এবং তার কিছুদিন পর আইন আদালতের ঝামেলায় পড়ে আর পর্দায় ফিরতে পারেননি। তার পরিবর্তে, তিনি ফ্যাশন ডিজাইনে তার ক্যারিয়ার গড়ে নেন।

ফোব কেটস

তিনি মূলত ‘ফাস্ট টাইম এত রিজমন্ট হাই’ এ অভিনয়ের জন্য পরিচিত। তবে, গত শতকের নব্বইয়ের দিকে, ফোব হঠাৎ করেই অভিনয় ছেড়ে দেন। তিনি মূলত তার পারিবারিক জীবনে ফোকাস করতে অভিনয় ছেড়েছিলেন কিন্তু অভিনয় ছাড়ার পরে দাতব্য কাজে তাকে বেশি দেখা যায়।

পিটার অস্ট্রাম

তার বয়স যখন ১২, তখন পিটার ‘উইলি ওয়ানকা এবং চকোলেট ফ্যাক্টরী’তে অভিনয় করেন। আজ তার বয়স ৫৯ এবং তিনি নিউ ইয়র্কের একজন পশুচিকিৎসক।

কার্ক ক্যামেরন

প্রাক্তন ‘গ্রাইন্ডিং পেইন’ তারকা তার অভিনয়জীবন শেষ করে খ্রিস্ট ধর্মের উপর বই লেখা শুরু করেন।

টম সেলেক

যদিও তিনি এখনও মাঝে মধ্যে কাজ করেন, তবে এখন তিনি বেশির ভাগ সময় তার খামারেই থাকেন। সেলেকের মতে, তার বিরক্তিকর অভিনয় জীবনে ভারসাম্য এনে দিয়েছে এই খামারি জীবন।

নিকি ব্লোন্সকি

এই সাবেক হেয়ারস্প্রে তারকা তার ‘২০০৭’ চলচ্চিত্রের পর আর সিনেমা পাননি। জীবিকার প্র‍য়োজনে তিনি তাই বেছে নেন কেশসজ্জার কাজ। এখন নিউইয়র্কের গ্রেটনেকে তা-ই করছেন।

লিয়াম গ্যালাঘার

তার ভাই নোয়েল নিজের ক্যারিয়ার গড়তে ওয়েসিসে চলে গেলে, লিয়াম গড়ে তুলেন নতুন ব্যান্ড, ‘বিডি আই’। কিন্তু ওই ব্যান্ড কেবলমাত্র দুইটি অ্যালবাম বের করেই মিলিয়ে যায়। আজ লিয়াম লন্ডনে ফ্যাশন হাউজ চালাচ্ছেন, সেখানে লাভও হচ্ছে বেশ।

টনি ড্যানজা

‘ট্যাক্সি এবং হু ইজ দ্য বস’ তারকা এখন ফিলাডেলফিয়া নর্থইস্ট হাই স্কুলের একজন ইংরেজি শিক্ষক। বোধহয় কেউই তার ছাত্র হতে আপত্তি করবেন না।

ক্রিস ওয়েন

‘আমেরিকান পাই’ এর সাফল্য সত্ত্বেও, ক্রিস ওয়েন কখনও তার অভিনয়জীবনে সাফল্য পান নি। আজ তিনি একটি সুশি রেস্তোরাঁয় একজন ওয়েটার হিসেবে কাজ করছেন এবং আশ্চর্য-ই বলতে হবে, টুইটারে তার অনুসারী ১০০ জনেরও কম।

জেসিকা সিরা

আমেরিকান আইডল থেকে বাদ পড়া গায়ক জেসিকা সিরা হুটার্সে তখনই অন্য কাজ নেন, যখন তিনি উপলব্ধি করতে পারেন কেবল গান তার জীবিকা নির্বাহের জন্য যথেষ্ট হচ্ছিলো না।

ভ্যানিলা আইস

যখন তার অভিনয়জীবন শেষের পথে, তখন ভ্যানিলা আইস একটি রিয়েল এস্টেট ওয়েবসাইট চালু করার সিদ্ধান্ত নেন। এখন তিনি একটি রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকারী এবং বাড়ি সংস্কারক। কিভাবে বাড়ি বিক্রি করে মুনাফা লাভ করা যায়, এজন্য তিনি নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও খুলেছেন।

এম.সি. হ্যামার

১৩ মিলিয়ন ডলার ঋণ এবং দেউলিয়া ঘোষিত হবার পরে, হ্যামার আবার তার সুখের জীবন ফিরে পান। বর্তমানে তিনি বিবাহ পরিচালনা, আইপ্যাড অ্যাপসের উন্নয়ন এবং আইভি লিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন মিডিয়া নিয়ে বক্তৃতা প্রদানের মতো কাজ করছেন।

জেফ কোহেন

‘দ্য গুনিসে’ চাঙ্কের ভূমিকায় অভিনয় করার পরই জেফ কোহেন তার অভিনয়জীবনের অবসান ঘটানোর সিদ্ধান্ত নেন। এখন তিনি একজন আইনজীবী এবং লস এঞ্জেলেসে বসবাস করছেন।

চার্লি কোর্সো

নব্বই দশকের ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ‘হুকে’ রবিন উইলিয়ামসের সহঅভিনেতা হিসেবে অভিনয় করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। তবে, কর্সো হলিউডে তার অভিনয়জীবন নিয়ে সুখী ছিলেন না। বরং অভিনয়ের বদলে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে আগ্রহ খুঁজে পান। পরবর্তীতে এই দুর্দান্ত অভিনেতা এমআইটি-তে যোগদান করেন যেখান থেকে তিনি বিজ্ঞানের উপর স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। গ্র্যাজুয়েট করার পর, চার্লি আইনজীবী হিসাবে কিছুদিন কাজ করেন। শেষমেশ, ওহাইওর ‘ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটি স্কুল অব ল’তে আইন অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন।

টিফানি

আশির দশকের পপ তারকা টিফানি তার ‘১৯৮৭’ এলবামের শিরোনামের গান “আই থিঙ্ক উই আর এলোন নাউ” এর সাথে তাল মিলিয়ে সাফল্যের শীর্ষে আরোহণ করেন। কিন্ত সঙ্গীত, টেলিভিশন এবং সিনেমাজগৎ থেকে এক দীর্ঘ বিরতির পরে তিনি যখন ব্যাক করেন, পূর্বের সাফল্যের পুনরাবৃত্তি তিনি আর করতে পারেননি। ২০০২ সালে, তিনি তার গানের রেকর্ড বিক্রি করতে ব্যর্থ হবার পরে প্লেবয় ম্যাগাজিনে নগ্ন হয়ে পোজ দেন। বর্তমানে তিনি হোয়াইট হাউসের ৭৬ টেনেসি হাইওয়েতে “টিফানি বুটিক” নামক একটি দোকান পরিচালনা করছেন।

তারান নোয়া স্মিথ

তিনি লোকেমুখে ‘সিটকম হোম ইমপ্রুভমেন্ট’য়ের কুৎসিত শিশুটি হিসেবে জনপ্রিয়।

তার বয়স যখন ১৭, তখন তারান নোয়া স্মিথ তার বাবা-মায়ের সাথে কলহের জের ধরে তাদের নামে মামলা দায়ের করেন। কেননা, তার কঠোর পরিশ্রমের টাকা দিয়ে তারা নিজেদের জন্য একটি ব্যয়বহুল প্রাসাদ কিনেছিলেন। তিনি মামলায় জয়ী হন, অতঃপর তিনি এমন এক মেয়েকে বিয়ে করেন, যিনি বয়সে তার মায়ের সমান। পরবর্তীকালে তিনি তার মামলায় জয়ী হয়ে প্রাপ্ত টাকা একটি শ্যাভেন ডেইরি ফার্ম এবং ক্যাটারিং সার্ভিসে বিনিয়োগ করেন।

ফ্রেডি প্রিঞ্জ

‘আই নো হোয়াট ইউ ডিড লাস্ট সামার’ (এই ছবিতে কাজ করার সময়েই তিনি তার স্ত্রী সারাহ মাইকেল গ্যালারের দেখা পান) কিংবা ‘সি ইজ অল দ্যাট’ তারকা ফ্রেডি প্রিঞ্জ অভিনয় ছাড়ার পরে ডব্লিউডব্লিউই এর পরিচালক ও প্রযোজক হিসেবে কাজ করেন। ২০১৬ সালে তিনি প্রকাশ করেন তার নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা রান্নার বই ‘ব্যাক টু দ্য কিচেন’, যেখানে ৭৫ টি সুস্বাদু খাবার স্থান পেয়েছে।

জোশ সাভিয়ানো

নব্বইয়ের দশকে জোশ সাভিয়ানো ( ওয়ান্ডার ইয়ার্স-এর পল) সম্পর্কে সর্বাধিক জনপ্রিয় গুজব ছিল যে তিনি মেরিলিন ম্যানসনে বড় হয়েছিলেন। তবে সত্যিটা আসলে তেমন নয়। তিনি একটি কর্পোরেট হাউজের একজন উকিল।

ডিলান স্প্রাউস

সাবেক এই শিশু তারকা তার যমজ ভাইয়ের সাথে অভিনীত ডিজনির সিরিজটি ছাড়ার পর এতটাই আড়ালে চলে গিয়েছিলেন যে লোকেরা আশ্চর্য হয়েছিলো, তিনি কোথায় গেলেন! বহু বছর পর, ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলোতে নিউ ইয়র্কের সিটি রেস্টুরেন্টে তার কজা করার একটি ছবি পাওয়া যায়। পরে আবিষ্কৃত হয়, সেখানে তিনি আসলে পার্টটাইম কাজ করছিলেন এবং বর্তমানে তিনি নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থী।

কেভিন জোনস

জোনাস ব্রাদার্স ছাড়ার পর, কেভিন ‘ইয়ুড’ নামে খাদ্য অনুসন্ধান অ্যাপ্লিকেশন চালু করেন। অ্যাপটি অবস্থান-ভিত্তিক কাজ করে এবং আপনাকে আপনার এলাকায় অবস্থিত রেস্টুরেন্টের অবস্থান এবং ফোন নম্বর জানিয়ে দেবে।

ড্যানি লয়েড

তিনি ‘দ্য শাইনিং’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন মাত্র ৫ বছর বয়সে। চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাওয়ার পরপরই ড্যানি অভিনয় ছেড়ে দেন। এখন তিনি কেন্টাকির এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জীববিজ্ঞান শিক্ষক।

জন গসেলিন

সাবেক রিয়ালিটি শো তারকা জন গসেলিন সম্প্রতি বেকার্সভিলের ব্ল্যাকডগ রেস্টুরেন্ট থেকে চাকরিচ্যুত হন।

মাইকেল ম্যারনা

৯০-য়ের দশকে বড় হওয়া সেসব ভাগ্যবান শিশুরা মাইকেল ম্যারনাকে নিকোলডিয়ানের ‘দ্য এডভেঞ্চার অব পিট এন্ড পিট’য়ের বড়জন বললেই অনায়াসে চিনে ফেলবেন। সিরিজটি ১৯৯৬ সালে শেষ হয়ে গেলে, ম্যারনাকে কয়েকটি চলচ্চিত্রে ছোটোখাটো ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায়। অতঃপর তিনি যে কাজ খুঁজে নেন, এখনও সে কাজই করছেন। কাজটি হচ্ছে, সিনেমা সেটের একজন ইলেক্ট্রিশিয়ানের।

আল ফ্রাঙ্কেন

রূপালি জগৎ ছাড়ার পর, ফ্র্যাঙ্কেন একজন আইনপ্রণেতা হিসেবে নাম লেখান। বহুপরে তার মনে হয়, এ কাজে কোনো মজা নেই। ২০০৮ সালে ফ্রাঙ্কেন তাঁর মাতৃভূমি মিনেসোটাতে যুক্তরাষ্ট্রে মার্কিন সিনেটের জন্য লড়াই করেন, কয়েকশত ভোটে তার রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করে তিনি নির্বাচিতও হন।

স্টিভেন সিগাল

অধিকাংশ মানুষই স্টিভেন সিগালকে মার্শাল আর্টের মাস্টার এবং অভিনেতা হিসাবে মনে রেখেছেন। আজ তিনি নিউ মেক্সিকো ডেপুটি শেরিফ হিসেবে অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন।

ব্রিটনি অ্যাশটন হোমস

লিটল রাসকালার ‘দার্লা’ তার অভিনয় কর্মজীবনে খুব বেশি দূর এগোন নি। তার বয়স যখন ৫ বছর ছিলো, তখন তার অভিনয় দিয়ে আলফাফার সাথে পুরো হলিউডের হৃদয় জয় করেছিলেন। সেই চলচ্চিত্রের পরে তিনি কয়েকটি চলচ্চিত্রে ক্ষুদ্র ভূমিকায় কাজ করেছিলেন, কিন্তু তারপরেই তিনি রূপালি পর্দা ত্যাগ করেন।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, তিনি রাজনৈতিক বিজ্ঞানের উপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করছিলেন এবং তারপর তিনি স্টারবাস্কে কাজ নিয়েছিলেন।

মার্সিডিস ল্যান্ডার

যারা তাকে মনে করতে পারছেন না কেবল তাদের জন্য বলছি, শতাব্দীর গোড়ার দিকে কয়েকজন মেয়ে একটি ব্যান্ড গড়ে তোলেন, যার নাম ছিলো ‘কিট্টি’, তাদের ‘ব্র্যাকিশ’ গানটি রেডিওতে বেশ জনপ্রিয়ও হয়। তারা নিউ-মেটাল ভিত্তিক ব্যান্ড গড়ে তুললেও পরবর্তীতে তারা অন্য দল্গানে মন দেন।

তারান নোয়া স্মিথ

‘হোম ইম্প্রুভমেন্ট’ ছাড়ার পর তারান এর কর্মজীবন খুব সংক্ষিপ্ত। আজ তিনি একটি শাক-সব্জি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান চালান, যা ‘প্লেফুড’ নামে পরিচিত।

ইরিন মরান

এক অমিত সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার থাকা সত্ত্বেও, ‘হ্যাপি ডে’ তারকা এরিন মরান আশির দশকে রুপালি জগৎ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়া শুরু করেন। আজ তিনি একজন লেখক হিসাবে উঠে আসার চেষ্টা করছেন। এর আগে তিনি ইন্ডিয়ানা হোটেলে কাজ করেছিলেন। তারও আগে তিনি ট্রেলার পার্ক থেকে চাকরিচ্যুত হন।

লার্ক ভোরিস

‘সেইভড বাই দ্য বেল’য়ের লিসা টার্টেলকে মনে আছে? এই শোয়ের প্রচার শেষ হবার পর লার্ক ভোরিস লেখক হবার ব্যাপারে মনস্থির করেন। তিনি বেশ কিছু বছর ধরে বই লিখছেন এবং তার জীবনকে হলিউডের স্পটলাইটের বাইরে নিয়ে এসেছেন।

ওমরি কাটজ

ওমরি কাটজ ‘হকাস পোকাস’য়ের সুদর্শন কিশোর হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। এই ছবি শেষ হবার সাথে সাথে তাঁর হলিউড জীবনও শেষ হয়। আজ তিনি লস এঞ্জেলেসে বাস করেন এবং সেখানে নরসুন্দর হিসাবে কাজ করছেন।

জর্জ ফোরম্যান

সাবেক বক্সিং চ্যাম্পিয়ন অর্থঋণে পড়েছিলেন এবং তা থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে ‘জর্জ ফোরম্যান গ্রিল’য়ের মুখপাত্র হন। ১৯৯৪ সালে এই প্রতিষ্ঠান প্রবর্তনের পর থেকে সারা বিশ্বজুড়ে ১০০ মিলিয়ন গ্রিল বিক্রি করেছে।

জোনাথান বেনিট

আপনি তাকে ‘মিন গার্লস’য়ে অভিনয়ের জন্য মনে করতে পারেন। তিনি এখন লস এঞ্জেলেসে একজন ফ্লাইহুইলের প্রশিক্ষক।

গ্যারি কোলম্যান

সাবেক ‘ডিফ’রেন্ট স্ট্রোকস’ তারকা সত্তর এবং আশির দশকে প্রতি ঘরে ঘরে পরিচিতি পেয়ে গিয়েছিলেন। তবে ধীরে ধীরে তার এই সুখ্যাতি পড়তে শুরু করে। এতটাই যে, ২০১০ সালে মারা যাবার আগে, কোলম্যান নিরাপত্তা রক্ষী হিসাবে কাজ করেছিলেন। একবার তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো এবং ১ বছরের স্থগিত শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল।

জ্যাক গ্লিসন

সম্ভবত ‘টিএলটি’ সবচেয়ে ঘৃণিত টেলিভিশন ব্যক্তিত্বদের একজন ছিলেন এবং এটিই ব্যাখ্যা করে কেন জ্যাক গ্লিসন অভিনয় জগত থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ওয়েস্টেরোসের সাবেক এই রাজা এখন ডাবলিনের ট্রিনিটি কলেজে দর্শন ও ধর্মতত্ত্ব পড়াশোনা করছেন।

জোনাথন টেলর থমাস

এই যুবকটি নব্বই দশকের প্রথম দিকে বেশ বড় তারকা ছিলেন। ‘হোম ইম্প্রুভমেন্টে’ জোনাথন টেলর টমাস বেশ সফল হয়েছিললেন। অতঃপর তিনি ‘লায়ন কিং’ সিনেমায় কণ্ঠ দেন। অতঃপর পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে তিনি অভিনয় থেকে সরে যাবার সিদ্ধান্ত নেন। ত্যাগ যে বিফলে যায়নি, হার্ভার্ড থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ তো তার স্বপক্ষেই প্রমাণ।

ক্যারি হেন

স্ম্যাগ হিট এলিয়েনের ফুটফুটে শিশু হিসেবে তাকে অনেকেই মনে রেখেছেন, যে চলচ্চিত্রে সিগুরনি ওয়েভারের সাথে স্ক্রিন ভাগাভাগি করেছিলেন তিনি। এরপর অনেক ডকুমেন্টারীতে হাজির হলেও, চলচ্চিত্রে তার একমাত্র অভিনয় ছিলো সেটিই। এখন সব ছেড়েছুড়ে মানুষ গড়ার মহানব্রত, শিক্ষকতা পেশায় নিজেকে নিযুক্ত করেছেন তিনি।

অ্যাঙ্গাস টি জোন্স

‘টু এন্ড এ হাফ ম্যান’ ছেড়ে যাওয়ার পরে জোন্সের জীবনে বেশ নাটকীয় পরিবর্তন আসে। শো উপস্থাপনা এবং পারিশ্রমিক ছেড়ে তিনি ধর্মকর্মে মনোযোগী হন এবং সেভেনথ ডে এভেন্ডিস্টস গির্জার সদস্য হন। তিনি বর্তমানে টনি নামে একটি মাল্টিমিডিয়া কোম্পানীর চাকুরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

কেরিন পারসনস

‘দ্য ফ্রেশ প্রিন্স অব বেল এয়ার’ শো’তে হিলারী ব্যাঙ্কের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন কেরিন। কিন্তু অবাক করা বিষয়, আরও বেশি স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য শো এবং হলিউডের জীবন ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তিনি সুইট ব্ল্যাকবেরী নামে একটি কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করেন, যারা অখ্যাত কালো বীরদের নিয়ে অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র পরিচালনা করে।

এরিক পার সুলিভান

পর্দায় তার ভাইয়ের মতোই, এরিক পার সুলিভান মনে করলেন, পাদপ্রদীপের আলো আসলে তার জন্য না এবং যেমন ভাবা তেমন কাজের মতো হলিউড থেকে নিজেকে গুটিয়ে তিনি অন্যান্য বিষয়গুলিতে মনোনিবেশ করেন। এখন তিনি ঠিক কি করছেন, তা অজানা। তবে ২০১০ সালে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন এরিক। আমরা নিশ্চিত, তিনি ‘স্বাভাবিক’ কোনো কাজ-ই করছেন!

জিনা ডেভিস

একসময় হলিউডের টপ সুপারস্টার ছিলেন তিনি। থালমা এন্ড লুইস, এ লিগ অব দ্য ওউন, স্টুয়ার্ট লিটল এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করে অস্কারও বাগিয়ে নেন জিনা ডেভিস। ২০০৭ সালে, ডেভিস হলিউড থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন, তবে তিনি মিডিয়া ছেড়ে যাননি। বরং মিডিয়াতে লিঙ্গ সমতা আনয়নের লক্ষ্যে ‘গায়ানা ডেভিস ইনস্টিটিউট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন।

ডরিস ডে

গত শতাব্দীর ষাট আর সত্তরের দশকে ডরিস ডে বড় পর্দা আলোকিত করে রেখেছিলেন। তবে এরপরে তার ব্যক্তিগত জীবনের ওপর তার তারকা জীবন স্থান করে নেয়, যা তার ওপর বিষম বোঝা হিসেবেই নেমে আসে। কয়েক বছর পর হলিউড থেকেই তিনি বাইরে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন। এরপর তিনি আহত প্রাণীদের সাহায্য কর%B

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।