সিনেমার সাথে পপকর্নের সম্পর্ক কী!

সিনেমা হলে পছন্দের ছবি দেখতে যাবেন; অথচ পপকর্ণ খাবেন না তা কী হয়? এমনকি ঘরে বসে সিনেমা দেখতে গেলেও অনেকের সঙ্গী হয় পপকর্ণ। সিনেমার সাথে পপকর্নের সম্পর্কটা আসলে কী?

এই প্রশ্নের কোনো সহজ কোনো উত্তর নেই। যে একটা ব্যাখ্যা পাওয়া যায় সেটা হল – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর চিনির তীব্র সংকট দেখা যায়। তখন বিশ্বব্যাপী সিনেমাহলগুলোতে চিনির অভাবে ক্যান্ডি বেচাকেনা বন্ধ হয়ে যায়। ক্যান্ডির জায়গা দখল করে পপকর্ন। আর খুব দ্রুতই পপকর্ন খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

যদিও এর জন্য বাড়তি দাম গুণতে হয়। আমেরিকার নাকি সাধারণ দোকানে যে পরিমান পপকর্নের দাম এক ডলার সিনেমা হল গুলোতে সেটাই বিক্রি হয় আট ডলার করে।

বুঝুন অবস্থা! বাংলাদেশের সিনেপ্লেক্সগুলোতেও পপকর্নের দাম নেহায়েৎ কম নয়। তবে, ভুলেও কম্বো অফারে হাত দেবেন না। ফুড মার্কেটিংয়ের স্বার্থেই কেবল এই কম্বো অফার দেওয়া হয়। এর চেয়ে বরং পানীয় আর পপকর্ন আলাদা কেনাই ভাল।

হলগুলোতে এখন প্রতিটি বসার জায়গার বাসে একটা পপকর্নের ‘হোল্ডার’ থাকে। এটার উদ্ভাবন অবশ্য খুব বেশি আগের কথা নয়। ১৯৮১ সালে – শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সিনেমা থিয়েটার যাত্রা করার ৬০ বছর পর এর ব্যবহার দেখা যায় আমেরিকায়।

আমেরিকান গণমাধ্যম দাবী করে, সিনেমা হল গুলোতে পপকর্নের জন্য ভিন্ন একটা রেসিপিও ব্যবহার করা হয়। সেটা স্বাদে না হোক, অন্তত গন্ধে আকৃষ্ট করে অতিথিদের। ফলে, বিক্রি-বাট্টা বাড়ে। বলা হয়, কেউ কেউ একটু নারিকেল ও কলোলা তেল ব্যবহার করে।

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।