সাকিবের কীর্তিটা কত বড়!

সাকিব আল হাসানের জন্য ‘নতুন কীর্তি’ গড়াটা নতুন কোনো ব্যাপার নয়। এবার আবার গড়লেন। ৬৮ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে নিজের মাইলফলকের মুকুটে যোগ করলেন আরেকটা পালক। সম্ভবত এই পালকটা বাকিগুলোর থেকে একটু বেশিই উজ্জ্বল।

টেস্টের ইতিহাসে মাত্র চতুর্থ বোলার হিসেবে নয়টি টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে গতকাল কমপক্ষে একবার করে এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীতি গড়লেন। সাকিবের আগেই এই কীর্তি গড়া বাকি তিন বোলার হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডেল স্টেইন এবং শ্রীলঙ্কার মুত্তিয়া মুরালিধরণ ও রঙ্গনা হেরাথ।

এই কীর্তিটা কত বড়ো? পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরাম কিংবা অস্ট্রেলিয়ার শেন ওয়ার্নেরও এই কীর্তি নেই!

আর এই কীর্তি গড়ার ক্ষেত্রে সাকিব বাকি তিনজনের চেয়ে খানিকটা এগিয়েই আছেন। নয় দেশের বিপক্ষে ৫ উইকেটের চক্রপূরণ করতে মুত্তিয়া মুরালিধরনের লেগেছিল ৬৬ টেস্ট। ডেল স্টেইন ও রঙ্গনা হেরাথ খেলেছিলেন ৭৫ টেস্ট। সাকিব সেটা করে ফেললেন ৫০ টেস্টেই। টেস্টের ‘হাফ সেঞ্চুরি’ টা স্মরণীয় করে রাখার এর চেয়ে ভাল উপায় আর হতে পারতো না!

এই নিয়ে আটবার একই টেস্টে হাফ সেঞ্চুরি আর পাঁচ উইকেটের দেখা পেলেন সাকিব। অলরাউন্ডার হিসেবে এই তালিকায় সাকিবের চেয়ে এগিয়ে আছেন কেবল একজনই – ইংল্যান্ডের কিংবদন্তিতুল্য ক্রিকেটার ইয়ান বোথাম। নিউজিল্যান্ডের স্যার রিচার্ড হ্যাডলি ছয়বার, ভারতের রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যালকম মার্শাল করতে পেরেছেন পাঁচবার করে।

সবচেয়ে বেশিবার পাঁচ উইকেট নেওয়ার দিক থেকে সাকিব পৌঁছে গেছেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ডেরেক আন্ডারউডের খুবই কাছে। সাবেক এই বাঁ-হাতি স্পিনার পাঁচ উইকেট পেয়েছেন ১৭ বার। সাকিব এই নিয়ে পেলেন ১৬ বার। বাঁ-হাতি স্পিনারদের মধ্যে শ্রীলঙ্কার রঙ্গনা হেরাথ সর্বোচ্চ ৩১ বার এই কীর্তি গড়েছেন, ড্যানিয়েল ভেট্টোরি গড়েছেন ২০ বার।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।