সমালোচনা হতে পারে, গালিগালাজ নয়

সমালোচনা হতে পারে। শিক্ষা নেওয়ার কথা বলতে পারি, যেটা আগের স্ট্যাটাসে আমি লিখেছি। ভুল থেকে শুভাশিস শিক্ষা নিক। কিন্তু এভাবে গালাগালি, দেখে নেওয়ার হুমকি, ইভেন্ট খুলে ফেলা… এসব একদমই বাড়াবাড়ি। মোটেও ঠিক নয়!

শুভাশিষও জাতীয় ক্রিকেটার। দু’জন হয়ত সামনেই একসঙ্গে বোলিং করবেন। এসব মাথায় রাখা উচিত আমাদের। তার ক্যারিয়ারটাও ছিল চোট জর্জর। অনেক চোটের সঙ্গে লড়াই করে সে খেলে চলেছে।

আগ্রাসন কতটা থাকা উচিত ছিল আর কোথায় মাত্রা ছাড়িয়েছে, আশা করি শুভাশিষ সেটি বুঝতে পারবেন। ভুলটুকু ধরতে পারবেন। নিজের বলে ফিল্ডিং করে ব্যাটসম্যানের দিকে ছুড়ে মারতে উদ্যত হওয়া খুবই কমন ব্যাপার।

মাশরাফি হাত ইশারায় বলেছেন ,’যা’,…মানে বোলিং মার্কে ফিরে যেতে বলেছেন (কিংবা ‘যা ব্যাটা’, কিংবা ‘যা ব্যাটা ভাগ’)। আগেরটুকুর জবাবে এটাও নরম্যাল।

এরপর শুভাশিস পাল্টা এমন কিছু করতে বা বলতে পারতেন, যেটায় সৃষ্টিশীলতা বা বোধের প্রমাণ থাকতে পারত। কিন্তু তিনি খেপে গেছেন, তেড়ে গেছেন, চিৎকার করেছেন, সতীর্থরা টেনে সরিয়ে নেওয়ার সময়ও গর্জেছেন।

মাত্রা ছাড়ানোর ব্যাপার ছিল সেখানেই। মাশরাফির সঙ্গে হলেও মাত্রা ছাড়ানো, কোনো নবীন ক্রিকেটারের সঙ্গে হলেও। মাশরাফির সঙ্গে বলেই বেশি বিস্ময়কর অবশ্যই। বাংলাদেশের ক্রিকেটে তিনি যে জায়গায়, তাতে এমন দৃশ্য কল্পনাতীত ছিল। আশা করি শুভাশিষ সেটি বুঝতে পারবেন।

কিন্তু সেটি আমাদের গালি দিয়ে, হুমকি দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়ার দরকার নেই। মাশরাফি খুব দারুণ ভাবে সামলেছেন। আমরাও নিজেদের সামাল দেই, উচিত-অনুচিত বলি, আলোচনা-সমালোচনা করি। চিল্লাচিল্লি করি। কিন্তু, গালিগালাজ নয়।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।