রোমিও-জুলিয়েটকে হার মানানো প্রেমের গল্প

‘প্রেমের কোনো বয়স নেই’ কিংবা ‘প্রেম বয়স বোঝে না’ – বার বার বলতে বলতে কথাগুলো ক্লিশে হয়ে গেছে। তবে, ব্রিটেনে এবার এমন এক ঘটনা ঘটলো যাতে করে আবারো সেই পুরনো, বহুল ব্যবহৃত কথাগুলোই বলতে হচ্ছে।

গল্পের নায়ক টেড রাইট। এই বুড়োর বয়স ৯০। নায়িকা ৮১ বছর বয়সী জোয়ান গ্র্যান্ট। সম্প্রতি তাঁরা বিয়ে করেছেন। ব্রিটেনের সুইনডন রেজিস্টার অফিসের অনারম্বর সেই অনুষ্ঠানে উপস্থি ছিলেন ২০ জন অতিথি।

সাদামাটা সেই অনুষ্ঠানেই হল নতুন এক ইতিহাস। কারণ, খোদ ব্রিটেনে এত বেশি বয়সে গিয়ে বিয়ে করার নজীর যে আর একটিও নেই।

এই রোমিও-জুলিয়েটের পরিচয় আজ থেকে ১৫ বছর আগে। একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। দু’জনেরই তখন প্রথম সঙ্গীর সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। ছুটিতে বেড়াতে গিয়ে দু’জনের পরিচয়।

তখন দু’জনের কেউ বুঝতে পারেননি, আজীবনের জন্য জুটি বাঁধতে যাচ্ছেন তারা। আস্তে আস্তে তাঁদের মধ্যে মেলামেশা বাড়ে। এক সাথে অনেক সময় কাটান। বুঝতে পারেন, তাঁরা একজন অন্যজনকে ছাড়া কিছুই ভাবতে পারেন না। তখনই বিয়ের সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলেন।

দু’জনকে তাই জীবনে দ্বিতীয়বারের মত রেজিস্টার অফিসে দেখা গেল। অনুষ্ঠানে টেড পরেছিলেন গাড় নীল রঙা সুট, জোয়ান পরেছিলেন বেগুনী রঙের পোশাক। ওপরে কালো জ্যাকেট। হাতে ফুলের তোড়া। ব্রিটেনের আর ১০ জন নতুন বউয়ের থেকে তাঁদের কম আকর্ষণীয় লাগছিল না।

আপাতত হানিমুনটা তাঁরা সেরে ফেলবেন একটা হোটেলে। সেখানে তাদের সঙ্গ দেবেন কিছু বন্ধু-বান্ধব। এই মুহূর্তে সুখী মানুষ তাদের থেকে খুব কমই আছে। জোয়ান যেমন বলেই দিলেন, ‘আমরা দু’জন দু’জনকে খুব ভালবাসি। আর এই মুহূর্তে আমরা খুব সুখী।’

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।