মুমিনুলের যথাযথ মূল্যায়ন আমরা নিশ্চিত করবো: বিসিবি সভাপতি

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। এরপরের ২৭ টি ঘণ্টা অনেক সমালোচনা হজম করতে হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)। আর তারই ফলস্বরুপ টেস্ট দলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে সাদা পোশাকে দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক সৌরভকে। মুমিনুলকে দলে ফেরানোর একটা ব্যাখ্যা গণমাধ্যমকে দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

অলিগলি.কমের পাঠকদের জন্য সেটা হুবহু দেওয়া হল –

প্রথম টেস্টের দলে মুমিনুল না থাকাটা দুঃখজনক। মুমিনুল আমাদের অন্যতম সেরা ব্যাটসমস্যান, এনিয়ে কারোরই কোনো সন্দেহ নেই। ওকে যখন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল তখন আমরা চেয়েছিলাম, ও টেস্টে আরও বেশি মনোযোগ দিক। ওকে আমরা কিন্তু টেস্ট বিশেষজ্ঞ হিসেবে দেখছি। ও যদি টেস্ট দলে না থাকে তাহলে তো খারাপ লাগবেই।

মুমিনুল বাদ পড়ার মতো কোনো খেলোয়াড় হতেই পারে না। এখনও আমি মনে করি, টেস্টে ওর সামনে বিশাল ক্যারিয়ার রয়েছে। আর সামনেও ও খুব ভালো খেলবে।

আমার মনে হয়, মুমিনুলকে নিয়ে কারোর চিন্তার কোনো কারণ নেই। কারণ, ও দেশের সম্পদ। ওকে যথাযথ মূল্যায়ন যেন করা হয়, যথাযথ সুযোগ যেন দেওয়া হয় তা আমরা নিশ্চিত করবো।

মুমিনুল বাদ পড়ার কোনো কারণ নাই। ও কেন বাদ পড়লো সে ব্যাপারেও কথা বলেছি। ও আসলে এই সিরিজের জন্য পরিস্থিতির শিকার হয়ে গেছে, বা এই ম্যাচের জন্য। মুমিনুলের সঙ্গে কোচ কথা বলবে, আমি কথা বলবো ওর মন খারাপ করার কোনো কারণ নেই।

পরিকল্পনা শোনার পরও সেরা একাদশে খেলতো কি না জানি না। তবে স্কোয়াডে থাকতে কোনো সমস্যা দেখি না। উদাহরণ হিসেবে বলছি, ১৪ জনের জায়গায় ১৫ জন করে দিলেই তো হতো। মুমিনুলে মতো খেলোয়াড় স্কোয়াডে নেই দেখতেও তো যে কোনো লোকের খারপ লাগবে। সব ক্রিকেটপ্রেমীদের খারাপ লেগেছি। আমরা এই বিতর্কে যাব কেন। ১৫ জনের দল করে মুমিনুলকে রেখে দিতাম।

মুমিনুল আসছে, সৈকত (মোসাদ্দেক) খেলছে না- দুইটাই সত্যি। সৈকতের চোখের সমস্যা আছে। এখন পর্যন্ত সমাধান হয়নি। এমন একটা সিরিজে এমন ঝুঁকি নিয়ে একজন খেলোয়াড়কে রাখবো কেন। ওর জায়গায় আমরা মুমিনুলকে যোগ করে দিচ্ছি আমরা।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।