ভিনদেশে বাংলাদেশকে গর্বিত করা একজন সুন্দরী

সবাই তো এখন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ ও তার বিজয়ী জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলকে নিয়ে মেতে আছে। এর মধ্যে কানাডার টরেন্টো প্রবাসী বাংলাদেশি নিবেদিতা সাহা বাঁধনের নাম ক’জনই বা শুনেছেন!

তার অর্জনটা অনেক বড় কিছু নয়, আবার একেবারেই ক্ষুদ্র নয়। টরেন্টোতে এবার মিসেস দক্ষিণ এশিয়া কানাডা ২০১৭ প্রতিযোগীতায় দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন তিনি। এছাড়া রাগা মডেলসের সৌজন্যে তিনি সেরা ‘স্টাইল আইকন’ও নির্বাচিত হন।

২০০০ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে কানাডায় পরিবারের সাথে পারি জমিয়েছিলেন বাঁধন। ওখানে কানাডিয়ান সাথে বাংলাদেশের সংস্কৃতির মেলবন্ধনেই তিনি বড় হন। টরেন্টোতে প্রতিবছরই বাংলাদেশি কমিউনিটির নানারকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন।

ভিনদেশেও ভুলে যাননি দেশকে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভক্ত। চোখ বন্ধ করে শাড়ি পরে ফেলতে পারেন। একই সাথে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত তিনি। টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োকেমিস্ট্রি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।

কানাডার বাংলা কমিউনিটির গণমাধ্যম সিবিএন২৪কে বাধন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সময় একটু একটু করে অনেক কিছু শিখে নিতে হয় আমাকে। একটা সময় খেয়াল করলাম আমার উপস্থিতি সবার নজর কাড়ে। আমি সবার সাথে কথা চালিয়ে নিতে পারি, মানুষের মন জয় করতে জানি।’

প্রতিযোগীতায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজের প্রতিভা দেখিয়ে বিচারকদের মুগ্ধ করেন বাঁধন। তার কস্টিউম, ফ্যাশন সেন্স, ক্যাটওয়াক, গান গাওয়া ও অভিনয় প্রতিভায় মুগ্ধ হন বিচারকরা। বিশেষ করে ‘বলিউড ডিভা’ রাউন্ডে তিনি মুগ্ধ করেন সবাইকে।

পরিবার পরিজনের সাথে

বাঁধন বলেন, ‘আসলে প্রতিযোগীতায় নিজেকে সবচেয়ে বেশি ফুটিয়ে তুলতে পারাটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার।’ বাঁধন বিয়ে করেছেন একজন ভারতীয় নাগরিককে। জানালেন, স্বামীই তার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।

বাঁধন মনে করেন, কানাডায় বসবাসকারী বাংলাদেশিদের অনেক প্রতিভা। তবে, সেই প্রতিভার বিকাশের জন্য যথাযথভাবে যত্ন নেওয়া ও সুযোগ দেওয়াটা জরুরী। জানিয়ে রাখা ভাল, প্রতিযোগীতায় বিজয়ী হয়েছিলেন এক ভারতীয়। তিনি হলেন উত্তর প্রদেশের ৪০ বছর বয়সী মনিকা দিলাওয়ারি।

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।