ব্যাটের স্টিকারেও এত আয়!

আপনি যখন সাফল্যের চূড়ায় উঠবেন, তখন পৃথিবীর সমস্ত রঙিন প্রজাপতিরা আপনার চারপাশে কাড়ি কাড়ি টাকা হয়ে উড়বে। এই অমর বানীটি প্রথম কে লিখেছিলেন সেটা জানা নেই, তবে ভুল কিছু বলেননি। এই যেমন ধরুন, একজন ক্রিকেটার কিশোর বয়সে একটা ব্যাট কেনার জন্য অতি কষ্টে সঞ্চয় করা টাকায় হাত দেয়, আবার সেই ক্রিকেটারকেই একদিন ব্যাট ব্যবহার করার জন্য টাকা দেয়া হয়! মা

ঝে মাঝে তো সেই টাকার পরিমান এতটাই বেশি হয় যে, আপনি রীতিমত চমকে উঠবেন। চলুন দেখে আসি, বর্তমানের শীর্ষ ক্রিকেটাররা কে কত আয় করছেন তাদের ব্যাটে কোম্পানির স্টিকার ব্যবহার করে।

ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি নামটাই এখন একটা ক্রিকেট ব্যান্ড। বিগত কয়েক বছর ধরে ব্যাটে রানের ফোয়ারা এবং ক্রিকেট বাজারে তার মূল্যটাও আকাশ ছোঁয়া। ১৯৯০ সালের পরের দিকে ‘এমআরএফ’ কোম্পানি লাইমলাইটে আসে লিটল মাস্টার শচিন টেন্ডুলকারের ব্যাটে ভর করে। শচিনের সাথে চুক্তির পর অনেকের সাথেই চুক্তি করেছে কোম্পানিটি।

তবে সেই সকল ‘বিরাট’ চুক্তি কোহলির বর্তমান চুক্তির কাছে শিশুতুল্য। এমআরএফ কোহলির সাথে চুক্তি করেছে আট বছরের জন্য, আর ব্যাটে এমআরএফের স্টিকার লাগিয়ে ব্যাট করার জন্য কোহলি এই আট বছরের জন্য পাবেন ১০০ কোটি রুপি! চুক্তির জগতে এটা একটি বিশ্ব রেকর্ড!

অপরদিকে ভারতের মহেন্দ্র ধোনি এবং ক্যারিবিয়ান দানব ক্রিস গেইল ব্যবহার করেন স্পার্টান কোম্পানির স্টিকার। ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে চলে এলেও এই দুই ব্যাটসম্যানকে নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই ক্রিকেট বিশ্বে। অস্ট্রেলিয়ান এই স্পোর্টস কোম্পানি সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক ধোনির সাথে চুক্তি করেছে প্রতি বছর ৬ কোটি রুপিতে, এবং গেইলের সাথে তাদের চুক্তিটা বাৎসরিক ৩ কোটি রুপি।

হিটম্যান রোহিত শর্মা ব্যবহার করেন সিয়েট ব্র্যান্ডের স্টিকার। এর জন্য তিনি প্রতি বছরে পান ৩ কোটি রুপি। তবে সিয়েট কোম্পানি তাদেরকে ভাগ্যবান মনে করতেই পারেন, কারণ বর্তমান সময়ে এই চুক্তি করতে গেলে নিশ্চিত ভাবেই তাদেরকে তিন গুন পরিমান অর্থ গুনতে হত। হিটম্যান যে রয়েছেন আগুনে ফর্মে।

টিসি ১২৬০ ব্র্যান্ডের স্টিকার নিজের ব্যাটে ব্যবহার করতে জো রুট নেন বাৎসরিক ১ কোটি সত্তর লাখ রুপি। ব্যাটের স্টিকারেও এত আয়; রীতিমত অভাবনীয় ব্যাপার। কল্পনাই করা যায় না!

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।