বাংলা থেকে বাংলাদেশ: আমাদের ক্রিকেট ইতিহাস

এই অঞ্চলের অন্যসব ক্রিকেটে খেলুড়ে দেশের মত বাংলাদেশেও ক্রিকেটের শুরু সাদা চামড়ার ইংরেজদের হাত ধরে। এখানে কর্মরত ব্রিটিশদের মাধ্যমেই এই অঞ্চলে ক্রিকেটের প্রসার ঘটে। ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলা (বেঙ্গল) বলতে অবিভক্ত বাংলাকে বোঝায়। এই অবিভক্ত বাংলায় প্রথম ক্রিকেট খেলা চালু হয়েছিলো ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মাধ্যমে।

প্রথম যে ম্যাচটির রেকর্ড নথিতে পাওয়া যায় সেটি হয়েছিলো ১৭৯২ সালে, কলকাতায়। দ্রুতই ক্রিকেট পশ্চিম বঙ্গ এবং বিহারে জনপ্রিয় হয়ে উঠে। বিহারের জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে পূর্ব বাংলায় প্রবেশ করতে থাকে। কিন্তু সেসময় পূর্ব বাংলা অত্যন্ত দূর্গম এলাকা ছিলো। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ছিলোনা, প্রচুর ছোট ছোট নদী থাকায় যাত্রাপথে লম্বা সময় লাগতো।

এই অবস্থায় চিত্র বদলাতে শুরু করে ১৮৭০ সালের দিকে, তখন এখানে পাকা রাস্তা, কিছু বড় বড় বিল্ডিং এবং খেলার মাঠ তৈরী হয় (মূলত ঘোড়া দৌড়ের জন্য)। ইউরোপিয়ানরা ঢাকায় স্থায়ী হতে শুরু করে। ঢাকায় খেলা প্রথম ক্রিকেট ১৮৭৬ সালে, ইউরোপিয়ান একাদশ বনাম ঢাকা (ডাক্কা) একাদশ।

মিডিলসেক্স এবং ইংল্যান্ডের সাবেক প্লেয়ার জি.এফ. ভেরননের অধিনায়কত্বে প্রথম কোন ইংল্যান্ড দল সিলন (বর্তমান শ্রীলংকা) এবং ভারত সফরে আসে ১৮৮৯-৯০ সালে। বেঙ্গল দল এই ইংল্যান্ড দলের সাথে একটা ম্যাচ খেলে কলকাতায়। ১৯২৩ সালে বেঙ্গল প্রথম কোন টুর্নামেন্টে অংশ নেয়, নাগপুর প্রোভিন্সিয়াল টুর্নামেন্টে। অপর দুটি দল ছিলো বোম্বে এবং মধ্য প্রদেশ একাদশ।

পূর্ব বাংলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর ঢাবির ছাত্রদের সাথে ব্রিটিশদের সৌখিন ক্রিকেট এর কিছু কিছু ইতিহাস পাওয়া যায় ১৯২০ সালের পর। ১৯৩০ সালের দিকে ঢাবির একটা ক্রিকেট দল ছিলো।

বিসিসিআই ১৯৩৪ সালে রঞ্জি ট্রফি চালু করে কিন্তু ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে বেঙ্গল (অবিভক্ত বাংলা) অংশ নেয়নি। বেঙ্গল প্রথম ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেট খেলে ১৯৩৫ সালে সফরকারি অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে। অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটা নয় উইকেটে জিতে।

১৯৩৬ সালের রঞ্জি ট্রফিতে প্রথম ‘বেঙ্গল’ নামে অবিভক্ত বাংলার একটা ক্রিকেট দল অংশ নেয়। সেই ‘বাংলা’ দলে এই বর্তমান বাংলাদেশ অংশের (তৎকালীন পূর্ব বাংলা) কিছু ক্রিকেটার ছিলেন। ইতিহাসে আমাদের কোন সুগঠিত ক্রিকেট দল বললে এই অবিভক্ত বেঙ্গল দলকেই প্রথমে মনে আসে।

১৯৩৬ সালের রঞ্জি ট্রফিতে অংশ নিয়েই সেমিফাইনালে পৌছে যায় বেঙ্গল তবে হেরে যায় মাদ্রাজের কাছে (বর্তমান তামিল নাড়ু)। তবে ১৯৩৭ সালে রানার্স আপ এবং ১৯৩৯ সালেই চ্যাম্পিয়ন হয়। এই দল মূলত পশ্চিম বঙ্গ ভিত্তিক ছিলো যাদের হোমগ্রাউন্ড ছিলো ইডেন গার্ডেন। ১৯৪১ সালে ঢাকায় তৎকালীন বেঙ্গল গভর্নর একাদশ এবং বেঙ্গল জিমখানা একাদশের ভেতর একটি ম্যাচ হয় তৎকালীন ঢাকা স্টেডিয়ামে।

বেঙ্গল বা বাংলা রঞ্জি ট্রফিতে খেলেছিলো ১৯৪৫-৪৬ মৌসুম পর্যন্ত। দেশ ভাগের পর বাংলা ভেঙে ‘পশ্চিম বঙ্গ’ দল হয়ে যায় এবং সেই নামেই এখনো খেলছে। আর বর্তমান বাংলাদেশ অংশ হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান’। পশ্চিম পাকিস্তানে ক্রিকেট খুব দ্রুতই উন্নতি করলেও পূর্ব পাকিস্তানে ক্রিকেট প্রায় বন্ধ ছিলো। ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত কোন প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেট এই অংশে হয়নি।

১৯৫৪-৫৫ থেকে ১৯৭০-৭১ সাল পর্যন্ত মোট ১৩ টি দল পূর্ব পাকিস্তান থেকে বিভিন্ন সময় প্রথম শ্রেনীর টুর্নামেন্ট কায়েদ-এ-আজম ট্রফি এবং আইয়ুব ট্রফিতে অংশ নেয়। দল গুলা হচ্ছে- ইস্ট পাকিস্তান, ইস্ট পাকিস্তান সবুজ, ইস্ট পাকিস্তান সাদা, ইস্ট পাকিস্তান এ, ইস্ট পাকিস্তান বি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষাবোর্ড, ইস্ট জোন, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা এবং ইস্ট পাকিস্তান রেলওয়ে।

১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে ‘পূর্ব বাংলা’ নামে একটা নতুন দল গঠন করা হয় যেই দল তৎকালীন পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটের আসর কায়েদ-এ-আজম ট্রফিতে অংশ নেয়। ঠিক এক বছর পর দলের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান ক্রিকেট দল’ এবং এই নামেই ১৯৬৭-৬৮ পর্যন্ত প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেট খেলেছে দলটা। মূলত এই ‘পূর্ব পাকিস্তান ক্রিকেট দল’ই আজকের বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পূর্বসুরী।

‘পূর্ব পাকিস্তান ক্রিকেট দল’ দল অবশ্য খুব শক্তিশালী কিছু ছিলোনা। বরং দলে সেই অর্থে তেমন কোন স্ট্যাবিলিটি ছিলোনা। স্বাধীনতার আগে এই দলে মোট ৬৮ জন ক্রিকেটার খেলেছে যার ভেতর ২৯ জন্যই মাত্র একটা করে প্রথম শ্রেনীর ম্যাচ খেলেছিলেন! মানে এক ম্যাচ খেলেই বাদ!

এই দলে কিছু পশ্চিম পাকিস্তানের ক্রিকেটার খেলতেন, সেই সময় ক্রিকেট পেশাদার অবস্থানে ছিলোনা, পাবলিক ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্ট, ওয়াসা, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, রেলওয়ে তে বেশ কিছু পশ্চিম পাকিস্তানের ক্রিকেটার চাকরিরত অবস্থায় পূর্ব পাকিস্তানে বদলিরত ছিলেন। তারাই মূলত এই ‘পূর্ব পাকিস্তান ক্রিকেট দল’ এর মেরুদণ্ড ছিলেন। এদের ভেতর ৬ জন পরে পাকিস্তানের হয়ে টেস্ট খেলেছেন।

পূর্ব পাকিস্তান ক্রিকেট দল ১৯৫৪ সালে ভারতের সাথে এবং ১৯৫৫ সালে এমসিসির সাথে প্রথম শ্রেনীর ম্যাচ খেলে।

পূর্ব পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হয়েছিলেন আবদুল লতিফ। বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ভেতর প্রথম বড় কোন নাম। যখন পূর্ব পাকিস্তানে খুব বেশি খেলোয়াড় গড়ে ওঠেনি তখনই তিনি ছিলেন বর্তমান বাংলাদেশ অংশের একজন কার্যকরী অল রাউন্ডার এবং দূর্দান্ত স্লিপ ফিল্ডার।

১৯৬১-৬২ সালে লতিফকে অধিনায়ক করা হয় পূর্ব পাকিস্তানের, তার অসাধারন অলরাউন্ড নৈপুন্যে প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে প্রথম জয় পায় পূর্ব পাকিস্তান। হায়াদ্রাবাদের বিপক্ষে সেই ম্যাচে দুই ইনিংসে ব্যাট হাতে ১১২ এবং ৪৯ এবং বল হাতে লেগ স্পিনে ৪৯/৩ এবং ১১২/৩ উইকেট নেন। যথেষ্ঠ সম্ভাবনাময় অল রাউন্ডার হয়েও তার কখনোই টেস্ট খেলার সুযোগ হয়নি।

৩৬ ম্যাচে ব্যাট হাতে ৩০ গড়ে ১৫৯৬ রান, সেঞ্চুরী ৩ টি, ফিফটি ৬ টি, সর্বোচ্চ ১৫৫*, বল হাতে ৪৫ উইকেট, চার বার পাঁচ উইকেট, দুইবার ম্যাচে দশ উইকেট, সেরা বোলিং ১৯/৭। সেই সময়ের বিচারে খারাপ কি? আবদুল লতিফ পরে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। স্বাধীনতার পর লে: কর্লেন হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। লতিফ পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ম্যানেজার হন, ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হন এবং পরে বোর্ডের সহ-সভাপতি হন।

প্রথম টেস্ট খেলা পূর্ব পাকিস্তানি ক্রিকেটার ছিলেন মোহাম্মদ নিয়াজ। যিনি পাকিস্তানের হয়ে সম্ভবত দু’টি টেস্ট খেলেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের ছিলেন, কিন্তু বাঙালি নন। দেশ ভাগের পর নিয়াজের পরিবার বিহার থেকে ঢাকায় চলে আসেন এবং স্বাধীনতার পর ৭২ সালে আবার পাকিস্তানে চলে যায়। এই নিয়াজের টেস্ট দলে ঢোকাটাও মেধাভিত্তিক ছিলনা।

পাকিস্তানের সাবেক বোর্ড প্রধান শাহরিয়ার খান বলেছেন, সেই সময় পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক অবস্থা ঠান্ডা করার জন্য নিয়াজকে শুধু ঢাকায় হওয়া টেস্টে খেলানো হতো। একবার নিউজিল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাকে ঢাকায় খেলানোর পর তৃতীয় টেস্টে (করাচি টেস্ট) ড্রপ করা হয়।

বাঙালিদের ভেতর কেউ টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি তবে সবচেয়ে কাছে গিয়েছিলেন রকিবুল হাসান, তিনবার তিনি টেস্টে দ্বাদশ খেলোয়াড় ছিলেন। রকিবুলের টেস্ট খেলার জোরালো সম্ভাবনা ছিলো ১৯৭১ সালে। তখন একটা টেস্ট সিরিজের আগে আগে কমনওয়েলথ একাদশ পাকিস্তান সফরে এসেছে। ঢাকা স্টেডিয়ামে প্রথম শ্রেনীর এই ম্যাচে একাদশে আছেন ১৭ বছরের রকিবুল।

১৯৭০ এর নির্বাচনের পরের কথা, পাকিস্তান দলের সবার ব্যাটে জুলফিকার আলি ভুট্টোর নির্বাচনী প্রতিক তলোয়ারের স্টিকার লাগানো। রকিবুল করলেন কি তার ব্যাটে লাল রং দিয়ে ‘জয় বাংলা’ লিখে নামলেন। ফলাফল যা হবার তাই হয়েছিলো। রকিবুলের আর কোনদিন টেস্ট তো দূরে থাক কোন পর্যায়ের পাকিস্তান দলেই ফেরা হয়নি। বাদ পড়েছিলেন পরের ম্যাচেই।

২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ সালের এই আন অফিশিয়াল টেস্টে রকিবুল ছিলেন ওপেনার, এই ম্যাচ অবশ্য শেষ হয়নি। উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ম্যাচ বাতিল হয়েছিলো। এছাড়া রকিবুল হাসান নিউজিল্যান্ড এর সাথে একটা আন অফিশিয়াল টেস্টে দলে ছিলেন, অভিষেক ক্যাপ পরেছিলেন হানিফ মোহাম্মদের হাতে। এই টেস্ট সিরিজ ছিলো হানিফ মোহাম্মদের শেষ এবং জহির আব্বাসের অভিষেক টেস্ট সিরিজ।

পূর্ব পাকিস্তান ক্রিকেট দল থেকে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলে খেলেছেন এমন কয়েকজন খেলোয়াড় হলেন রকিবুল হাসান, আশরাফ উল হক এবং শফিউল হক। এছাড়া উল্লেখযোগ্য ক্রিকেটার ছিলেন শহীদ জুয়েল। শহীদ জুয়েল একজন মারকুটে উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান ছিলেন, বিধ্বংসী ব্যাটিং এর জন্য সুনাম ছিলো তার।

ধারনা করা হতো দ্রুতই পাকিস্তান দলে সুযোগ পাবেন তিনি। কিন্তু মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি এবং আরো অনেক ক্রিকেটার যুদ্ধে অংশ নেন যার ভেতর পপ সম্রাট আজম খান অন্যতম। শহীদ জুয়েলের স্বপ্ন ছিলো তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলে খেলবেন। শহীদ জুয়েল ক্র্যাক প্ল্যাটুনের সদস্য ছিলেন এবং ২৯ আগস্ট ১৯৭১ সালে আল-বদর বাহিনীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শহীদ রুমী এবং অন্যান্য গেরিলা যোদ্ধাদের সাথে পাকিস্তানি আর্মির হাতে ধরা পড়েন। পরবর্তীতে ক্যান্টনমেন্টের কাছাকাছি কোন এক হোস্টেলের ছোট এক রুমে নির্যাতনের শিকার হয়ে শহীদ হন। তার মৃতদেহ উদ্ধার করা যায়নি।

ক্রিকেট তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে যথেষ্ঠ জনপ্রিয় খেলা ছিলো। বাংলাদেশে ক্রিকেট জনপ্রিয় হবার বীজ অনেক আগে থেকেই ছিলো। অন্যসব সহযোগী দেশের তুলনায় এই দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে ছিলো। বড় বড় ক্রিকেট খেলোয়াড়দের পায়ের ছাপ পড়েছে ঢাকায় স্বাধীনতার আগেই। বাংলাদেশ টেস্ট খেলার আগেই ছিলো টেস্ট ভেন্যু! ঢাকা স্টেডিয়াম (বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম) ১৯৫৩ সালে টেস্ট ভেন্যুর মর্যাদা পায় এবং ১৯৫৫ সালে প্রথম ভারত-পাকিস্তান টেস্ট ম্যাচ হয় এখানে।

১৯৫৩-৬৯ পর্যন্ত পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল ঢাকা স্টেডিয়ামে সাতটি টেস্ট খেলেছিলো। ভারত পাকিস্তান ম্যাচ দিয়েই এই স্টেডিয়ামের আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু হলেও এখানে আরো অসংখ্য আন্তর্জাতিক দল প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেট খেলেছে ইস্ট পাকিস্তান এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে। ১৯৫৪ সালে চট্টগ্রামের এম.এ.আজিজ স্টেডিয়াম প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটের মর্যাদা পেলে সেখানেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ক্রিকেট। ১ জানুয়ারী ১৯৫৫ সালে ভারতের বিখ্যাত ব্যাটসম্যান বিনু মানকড়ের অধিনায়কত্বে ভারতের একটি দল পূর্ব পাকিস্তান স্পোর্টস ফেডারেশনের বিপক্ষে প্রথম শ্রেনীর ম্যাচ খেলে এখানে।

ঢাকায় সেসময়ে পাকিস্তান বনাম অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ম্যাচের একটা ছবি পাওয়া যায় গুগলে। সেখানে গ্যালারী ভর্তি মানুষের উপস্থিতি প্রমান করে এই বাংলাদেশ অংশে ক্রিকেট কতখানি জনপ্রিয় ছিলো! মোট কথা টেস্ট খেলুড়ে নেশন হিসেবে যেই জিনিসটা বড় ভূমিকা রাখে অর্থাৎ ক্রিকেট কালচার সেটা বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই ছিলো যার ভেতর আছে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম, প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেট দল এবং জনপ্রিয়তা।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।