বাংলাদেশে রাস্তায় চলবে চালকহীন গাড়ি!

চালকহীন গাড়ি – তাও আবার চলবে বাংলাদেশের রাস্তায়!

না, কোনো গালগল্প নয়। সত্যিকার অর্থেই সফলতার মুখ দেখতে চলেছে এই প্রচেষ্টা। সফলতার পথে হাঁটছেন প্রকৌশল বিজ্ঞানে পড়ুয়া এক দল শিক্ষার্থী।

সম্প্রতি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার প্রকৌশল পড়ুয়া একদল ছাত্র এ ধরনের একটি মডেল প্রদর্শণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নজর কেড়েছে।

এটাকে বাস্তব ভিত্তিক করতে আরো কাজ বাকি। অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে দলটি। মডেলটি পরবর্তীতে প্রাইভেট কার, বাস, ট্রাক বা অন্য যেকোনো যানবাহনে ব্যবহার করে চালক বিহীন ভাবে চালানো যাবে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকায় অর্থের যোগানদাতা খুঁজছে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী দলটি।

আর সেটা হলেই হয়তো উন্নত বিশ্বের মত বাংলাদেশের রাস্তায়ও চলবে চালকহীন গাড়ি। মডেল নির্মারে অংশ হিসেবে তারা বেছে নিয়েছে ব্যাটারি চালিত একটি রিকশাকে। সেটিকে রিমোট দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশি রোড-ট্রাফিক ডাটা সংগ্রহের কাজ করছে।

তাদের তৈরি করা রিকশাটি বর্তমানে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ব্যবহার করে নিজের অবস্থান যাচাই করতে এবং এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে সক্ষম। তাদের সিস্টেমটি রাস্তায় চলার পাশাপাশি ক্যামেরায় ধরা পরা অবজেক্টসমূহ সনাক্ত করতে পারবে।

গত ২৭ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তাদের এই প্রজেক্ট সবার সামনে উপস্থাপন করা হয়। সেময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি স্বয়ং রিকশার যাত্রী হয়ে রিকশায় চরে পরীক্ষা করেন এবং বাহবা দেন।

গবেষক দলটির ছাত্র মেহেদী হাসান ও সৈকত হাসান জানান- তাদের রিকশায় বানানো এই মডেলটি পরবর্তীতে প্রাইভেট কার, বাস, ট্রাক বা অন্য যেকোনো গাড়িতে ব্যবহার করে তা চালক বিহীন গাড়ি হিসেবে চালানো যাবে। দলটি আরও বলেন তারা অথের্র যোগানদাতা খুঁজছেন, গবেষণা কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অথের্র যোগান হলেই কেবল তারা তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ গুলোতে অগ্রসর হতে পারবেন।

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।