‘বাংলাদেশি’ জাভেদ করিম: ইউটিউবের কো-ফাউন্ডার

জাভেদ করিমের জন্ম অবশ্য সেই পূর্ব জার্মানির মার্সবার্গে। সেখানেই ১৯৭৯ সালে তার জন্ম হয়। তারপরও তাকে ‘বাংলাদেশি’ বলা যায়। কারণ, তার বাবা গবেষক নাইমুল করিম পুরোদস্তর বাংলাদেশি। মা ক্রিস্টিন ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার বায়োকেমিস্ট্রির বিজ্ঞানী।

পরিবারের সাথে ১৯৮১ সালে পশ্চিম জার্মানি আসেন জাভেদ। সেখান থেকে মিনেসোটার সেন্ট পলে যান ১৯৯২ সালে। ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় কম্পিউটার সায়েন্সে পড়াশোনা করেন। যদিও, পড়াশোনার পার্ট চুকানোর আগেই তিনি পেপালের চাকরী পেয়ে যান।

পেপালে কাজ করার সময় তার পরিচয় হয় চ্যাড হার্লি ও স্টিভ চেনের সাথে। এই তিন ‘জিনিয়াস মাইন্ড’ ভিডিও শেয়ারিংয়ে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত প্লাটফর্ম ‘ইউটিউব’ উদ্ভাবন করেন ২০০৫। ইউটিউবের ইতিহাসে সর্বপ্রথম ভিডিওটি আপলোড করেছিলেন জাভেদ। সেটা ২০০৫ সালের ২৩ এপ্রিলের ঘটনা।

এরপর জাভেদ করিম স্ট্যানফোর্ডে কম্পিউটার সায়েন্সে আবারো পড়াশোনা শুরু করেন। ইউটিউবের পরামর্শকের ভূমিকায় তখন তিনি ছিলেন। যখন ওয়েবসাইটটি পরিপূর্ণভাবে লঞ্চ করে, তখন নিজেকে একটু দূরে সরিয়ে রাখেন জাভেদ। নিজের পড়াশোনায় বেশি ফোকাস করে প্রতিষ্ঠানটির অনানুষ্ঠানিক পরামর্শক হিসেবে বাইরে থেকে কাজ করতেন জাভেদ।

সে কারণেই প্রতিষ্ঠানে তার অংশীদারিত্বও কম। বিশ্বব্যাপি তিনি ইউটিউবের ‘তৃতীয় ফাউন্ডার’ হিসেবে পরিচিত। ২০০৬ সালে গুগলের কাছে যখন তিন বন্ধু ইউটিউব বেঁচে দেন তখন ৬৪ মিলিয়ন ডলার পেয়েছিলেন জাভেদ।

২০০৮ সালের মার্চে নতুন এক উদ্যোগ নিয়ে মাঠে নামেন জাভেদ। তার নাম ইউ-নিভার্সিটি। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরোনো উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক চিন্তা বাস্তবায়নে সাহায্য করা হয়।

রিয়েল লিডার্স অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।