পেয়াজের চোখেও পানি আনতে পারেন রজনীকান্ত!

১.

রজনীকান্ত একবার অলিম্পিকে ১০০ মিটার দৌঁড়ে অংশ নিয়েছিলেন। স্বভাবতই প্রথম হয়েছিলেন। সেবার আইনস্টাইন এতটাই কষ্ট পেয়েছিলেন যে রীতিমত মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। কারণ, সেবার আলো অলিম্পিকে রূপা জিতেছিল।

২.

একবার সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান, আয়রনম্যান, ব্যাটসম্যান, কৃশদের একটা রি-ইউনিয়ন হয়েছিল। সেবার সবাই রজনীকান্তের বাসায় গিয়ে হাজির হয়েছিল। আসলে সেদিনটা ছিল ‘শিক্ষক দিবস।

৩.

জাপান খুবই ঘুর্ণিঝড় প্রবণ দেশ। একবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী রজনীকান্তকে খুব বিনয়ের সাথে মেইল করলেন, ‘স্যার, প্লিজ এরপর থেকে এদেশ থেকে যাওয়ার আগে আপনার ফোনটা এখানে ভাইব্র্যান্ট অবস্থায় ফেলে রেখে যাবেন না।

৪.

মার্ক জাকারবার্গকে একবার খুব মুমুর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডাক্তার তাকে দেখে চোখ কপালে তুললেন। তাদের প্রশ্ন, কি করে এই হাল! ব্যাপার কিছু না, স্রেফ রজনীকান্তকে পোক করতে গিয়েছিলেন জুকারবার্গ।

৫.

রজনীকান্তের বাড়িতে একটা ছেলে কাজ করতো। সকালে তাকে বাজারে পাঠাতো রজনী। লিস্ট ধরিয়ে দিয়ে বলতো, ‘এক দৌঁড়ে গিয়ে এক দৌঁড়ে ফিরে আসবি।’ সেই ছেলেটির নাম হল উসাইন বোল্ট।

৬.

আবারো দৌড়ের প্রতিযোগীতায় নেমেছিলেন রজনী। প্রতিপক্ষ ছিল সময়। রজনী দৌড় শেষ করলেও সময় এখনো ছুটে চলেছে। থামার কোনো নাম নেই।

৭.

একবার রজনীকান্ত ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হয়েছিলেন। পরের বছরই দলটি বিশ্বকাপ জিতে যায়, বিশ্বকাপ ফুটবলের।

৮.

একবার রজনীকান্ত রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’-এ গিয়েছিলেন। পরদিন ঘোষণা আসলো, ‘রজনীকান্ত চাইছেন বিগ বস যেন কনফেশন রুমে চলে আসেন।’

৯.

একবার ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সে ফোন করলেন রজনী। রিসিপশনিস্ট ধরলেন। বাজখাঁই গলায় রজনী জানতে চাইলেন, ‘আচ্ছা, তোমাদের বিমানে চেন্নাই থেকে কলকাতা যেতে কত সময় লাগে বল তো…’ রিসিপশনিস্ট বললেন, ‘স্যার, এক ঘণ্টা। আপনার টিকেট বুক করে রাখবো?’ রজনীর জবাব, ‘না থাক! পায়ে হেঁটে যেতে আমার এর চেয়ে কম সময় লাগবে।’

১০.

রজনীকান্তের কম্পিউটার মাঝেমধ্যে হ্যাং করে। ঠিক এরপর পরই উইন্ডোজের নতুন ভার্শন রিলিজ হয়। এমনকি তিনি ৬৪ কিলোবাইট র‌্যাম দিয়ে উইন্ডোজ ১০ চালাতে পারেন।

১১.

রজনীকান্ত একবার ক্রিকেট খেলতে নেমেছিলেন। প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান। বল হারিয়ে যাওয়ায় আর খেলা হয়নি। বলটির নাম এখন ‘প্লুটো’।

১২.

রজনীকান্তকে যখন ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় তখন কর্তব্যরত অফিসাররা তাকে পাসপোর্ট-ভিসা দেখান।

১৩.

গুগলে কখনো ভুল করেও ভুল বানানো ‘রজনীকান্ত’ লিখবেন না। গুগল তখন জানতে চাইবে না ‘তুমি কি রজনীকান্ত বোঝাচ্ছো?’ বলবে, ‘পালাও, তোমার হাতে এখনো কয়েক সেকেন্ড আছে!’

১৪.

একবার রজনীকান্তের ঠাণ্ডা লেগেছিল ভিষণ। তিনি করলেন কি, সুর্য্যটাকে একটু সরিয়ে দিলেন। ব্যস, এরপর থেকেই গ্লোবাল ওয়ার্মিং শুরু হয়ে গেল!

১৫.

একবার বানান প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছিলেন রজনী। তিনিই যে প্রথম হন সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। পরীক্ষায় তার ব্যবহৃত খাতাটি কালক্রমে ‘অক্সফোর্ড ডিকশনারি’তে পরিণত হয়।

– রজনীকান্তজোকস.কম অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।