নুডলস সম্পর্কে এই ছয়টি তথ্য নিশ্চয়ই আপনি জানেন না!

জার্মান শব্দ ‘নুডেল’ থেকে নুডলসের নামকরণ। অথচ, নুডলসের আবিষ্কার হয়েছে চীনে। নুডলসের ব্যাপারে মজার ও ব্যতিক্রমী সব তথ্যের ভাণ্ডার এখানেই শেষ নয়। চলুন, বাকিগুলো বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

থাইল্যান্ডে আপনি গোলাপি নুডুলস খেতে পারবেন

না, উপরের ছবিটিতে ফটোশপের কোন কারসাজি নেই। একে ‘ইয়েন তা ফু’ বলা হয়। জনপ্রিয় এই আইটেমটির ঝোল গোলাপি রং ধারণ করেছে সয়াবিনের পেস্ট বা কাঁদাটে মিশ্রণ থেকে, যা এর স্যুপকে আরো তৃপ্তিকর স্বাদ ও সতেজতা দিয়ে থাকে।

কোরিয়ার বরফ দেয়া নুডলস

গ্রীষ্মের দিনগুলিতে গরম কমাতে জনপ্রিয় আইটেম নায়েং মাইয়ুং বরফায়িত জুসসহ পরিবেশিত হয়। নুডুলসের উপর ছড়িয়ে দেয়া হয় শীতল ও সজীবকারক উপাদান। যেমন: শশা, পরিশোধিত মূলা ইত্যাদি। বাংলাদেশেও কোথাও কোথাও ফালুদায় নুডলস ব্যবহার করতে নিশ্চয়ই দেখেছেন।

চীনে নুডলস দীর্ঘায়ূর প্রতীক!

একারণেই জন্মদিনে (কখনো কখনো কেকের পরিবর্তে) এবং চাইনিজ নববর্ষে পরিবারের দীর্ঘায়ূ ও সুখ-সমৃদ্ধির শুভাকাঙ্ক্ষা স্বরূপ অখণ্ডিত নুডলস পরিবেশন করা হয়; যেন নুডলসগুলো যত দীর্ঘ হবে আপনি তত দীর্ঘায়ূ লাভ করবেন!

জাপানের রামেন-কারি (ডিম দিয়ে রান্না করা বিশেষ ধরণের নুডলস)

একটি টাটকা গরম ও সুস্বাদু রামেন-পাত্রের কথা ভাবুন। এখন সাধারণ শুকরের মাংস অথবা সবজি-জুসের পরিবর্তে জাপানিজ জমাট-ঘন তরকারিতে পরিবেশন করুন; আপনি নিজেই এক ডিশ চমৎকার রামেন তরকারি করে ফেলেছেন যা অত্যন্ত সুস্বাদু ও রুচিকর!!

ভিয়েতনামের Pho এর উচ্চারণ প্রকৃতপক্ষে foh নয় বরং fuh

মনে করা হয়, ১৮৮০ সালে ভিয়েতনামে ফ্রান্স ঔপনিবেশিক-যুগে সাংস্কৃতিক প্রভাব স্বরূপ খাদ্যটির প্রচলন। খাবারের নামটি ফ্রেঞ্চ জুস ‘পট আউ ফিউ’ থেকে এসেছে।

রান্না না করেও নুডলস খাওয়া যায়!

বর্তমানে ইন্সট্যান্ট নুডলস বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পেয়েছে যাতে সবাই রেঁধে খেতে পারে। কিন্তু কখনো কি আপনি সেগুলো কাঁচা খেয়েছেন? ভোজ্য হিসেবে এশিয়ায় এটা কিন্তু খুব কমন স্ন্যাক বা জলখাবার ( যদিও তা অস্বাস্থ্যকর)। নুডলসের উপর কিছু এমএসজি পাউডার ছিটিয়ে দেয়া হয়, ফলে আপনি তা মচমচে ও কুড়মুড়ে পেয়ে থাকেন।

– গুড ফুড ট্যুর অবলম্বনে

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।