তামিমের দোষ কী!

মিরপুরের প্রেসবক্স থেকেও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিলো বিষয়টা।

আম্পায়ার আলিম দার এবং তামিম ইকবাল কথা বলছিলেন। দূর থেকে স্রেফ কথাই মনে হচ্ছিলো। নিজের জায়গা থেকে সরে প্রায় মিড অফের দিকে চলে গিয়েছিলেন আলিম দার। তামিম কথা বলছিলেন হাত নাড়িয়ে। তখনও বোঝা যাচ্ছিলো না ঘটনা কী।

একদিন পর আইসিসি মেইল করে জানালো আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে তামিমের জারিমানা হয়েছে। তা কী করেছিলেন তামিম? ব্যাখ্যাও দিয়ে দিয়েছে আইসিসি।

ম্যাথু ওয়েড আউট হওয়ার পর তাকে ড্রেসিংরুমের দিকে ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তামিম। এটা অপরাধ, ঠিক আছে।

কিন্তু আইসিসির আরেকটা ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়।

চতুর্থ দিন প্রথম সেশনে অস্ট্রেলিয়ার একাধিক ব্যাটসম্যান বারবার তাদের গ্লাভস পরিবর্তন করছিলেন। এ নিয়ে সম্ভবত অভিযোগ ছিলো তামিমের।

এই অভিযোগ নিয়ে আম্পায়ার তামিমকে ঠিক কী ব্যাখা দিয়েছিলেন আইসিসির মেইলে অবশ্য তা বলা নেই। বলা আছে, তামিম এমন আচরণ করেছেন যা ‘খেলার স্প্রিটের বিপরীত’।

বোধ করি, তামিম আর আলিম দারের ওই কথোপকথনটা হচ্ছিলো অজিদের অতিরিক্ত গ্লাভস পরিবর্তন নিয়েই।

তো ভাই আইসিসি, ইচ্ছাকৃত সময়ক্ষেপণ করার উদ্দেশ্যে বা স্পষ্টত অকারণে বারবার গ্লাভস চেঞ্জ করা কি খেলার স্প্রিটকে আহত করে না? সাধারণ জ্ঞান কী বলে?

নিয়ম ভাঙলে জরিমানা হবে। শাস্তি হবে। এটা নিয়ে আপত্তি নেই। কিন্তু নিয়মটাই যদি আপত্তিকর হয়, নিয়ম নিয়েই যদি প্রশ্ন তোলার অবকাশ থাকে- তাহলে ক্যামনে কী!

– ফেসবুক থেকে

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।