তাদের জীবনে ‘বড় কিছু’ হওয়ার তাড়া নেই

জন্ম হোক যথাতথা, কর্ম হউক ভাল। তবে, যাদের কথা বলতে যাচ্ছি তাদের জন্মই হয়েছে এমন ঘরে যে সারাজীবন কিছু না করে আরাম করে কাটিয়ে দিলেই চলবে। আক্ষরিক অর্থেই সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছেন তারা।

ভ্যালেন্টিনা প্যালোমা পিনল্ট, ১০ বছর

তিনি জনপ্রিয় অভিনয় শিল্পী সালমা হায়েক ও ফ্র্যাঙ্কোইজ হেনরি পিনল্টের কন্যা। এতুটুকু এই বাচ্চাটিই বেশ জনপ্রিয়, আর এখন এক কোটি বিশ লাখ ডলারের এক বাড়ির মালিক, সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মালে যা হয় আর কি।

প্রিন্স জর্জ আলেক্স্যান্ডার লুইস, ৪ বছর

চার বছর বয়সী এই রাজপুত্র এখনই বিলিয়নার। তার মোট সম্পত্তির মূল্যমান পাঁচ বিলিয়ন ডলার। আর প্রতিবছর তিনি আরো ৪০০ মিলিয়ন ডলার করে পাবেন, যাতে নিজের বাকিটা জীবন আরামে কাটিয়ে দিতে পারেন।

রাশেদ সাইফ বেলহাসা, ১৫ বছর

যখন কেউ দুবাইয়ে শীর্ষ ধনী পরিবারের জন্ম নেয়, তখন তার বড়লোক না হয়ে কোনো উপায় নেই। রাশেদের গল্পটাও কেমন। এই বয়সেই সে একটা ফেরারীর মালিক। তবে, অপ্রাপ্তবয়স্ক বলে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাননি, বাধ্য হয়ে একজন ড্রাইভার রাখতে হয়েছে।

নিক জোনাস, ২৫ বছর

জোনাস ব্রাদার্সের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা দিয়েই তিনি অনূর্ধ্ব ২৫ বয়সীদের মধ্যে শীর্ষ ১০ ধনীর একজন। অভিনয়ে নাম লিখিয়ে তার বিত্ত আরো বাড়ছে।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জুনিয়র, ৭ বছর

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। তার ‘বড় ছেলে’ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জুনিয়রও কিন্তু কম জনপ্রিয় না। বৈশ্বিক গণমাধ্যম কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া – সব খানেই জুনিয়র রোনালদোকে নিয়ে তুমুল আগ্রহ। সম্প্রতি ছোট কয়েকটা ভাই-বোন হলেও তার প্রতি আগ্রহ যেন কমার কোনো নামগন্ধ খুঁজে পাওয়া দুস্কর।

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।