টয়লেটের বিবর্তন জানাবে ‘টয়লেট জাদুঘর’!

‘টয়লেট’ – সবারই খুব ব্যক্তিগত একটা জায়গা। তবে, কখনো কখনো এই টয়লেটেরও প্রদর্শনী হতে পারে। তাই তো ভারতের রাজধানী দিল্লীতে আছে টয়লেটের জাদুঘর। নাম – ‘সুলভ আন্তর্জাতিক টয়লেট জাদুঘর’।

ব্যাপারটাকে হালকা করার কোনো সুযোগ নেই। সেই ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই জাদুঘর। এর প্রতিষ্ঠাতা ভারতীয় সমাজসেবক ড. বিন্দেশ্বর পাঠক। বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের বিবেচনায় এটা বিশ্বের ১০ টি ভুতুড়ে জাদুঘরের একটি।

এখানে ৫০ টি দেশ থেকে আগত নানা রকম টয়লেট ও স্যানিটেশন সামগ্রী প্রদর্শনীর জন্য রাখা হয়েছে। তিনটি আলাদা ক্যাটাগরিতে এদের ভাগ করা হয়েছে – প্রাচীন, মধ্যযুগীয় ও আধুনিক।

সভ্যতার বিকাশের ইতিহাস জানা থাকলে অবশ্য টয়লেটকে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। এই জাদুঘরটা দেখলেই ইতিহাসটা খানিকটা জানা যায়। এখানে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ সাল থেকে ২০ শতক – সকল সময়ের টয়লেটই আছে।

এখানে আছে কিং লুইস ষোড়শের ব্যবহৃত টয়লেটের রেপ্লিকা। আছে, ব্রিটেনে মধ্যযুগে ব্যবহৃত প্রথম কমোডের রেপ্লিকা। এমনকি ১৯২০ সালে আমেরিকায় ব্যবহৃত সোনা ও রুপার তৈরি দ্বি-স্তর বিশিষ্ট টয়লেটও আছে।

নয়া দিল্লীর মহাবীর এনক্লেভের পালাম ডাবরি রোডের সুলভ ভবন। সেখানেই এই জাদুঘর। খোলা থাকে ভারতীয় সময় সকালে সাড়ে দশটা থেকে বিকাল পাঁচটা অবধি।

দিল্লী বেড়াতে গেলে কেউ চাইলে ঘুরে আসতে পারেন। ভয় নেই, সেখানে যেতে নাকে রুমাল চেপে যেতে হবে না!

– কার্লি টেলস অবলম্বনে

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।