টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়!

গত ১৫ মার্চ ২০১৭ তারিখে বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের দশম দল হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে কলোম্বোতে শ্রীলংকার বিপক্ষে মাঠে নামে। এই ভেন্যুতেই শ্রীলংকা তাদের শততম টেস্ট খেলেছিল। একই ভেন্যুতে বাংলাদেশ ও শততম টেস্ট খেলেছিলো। উল্লেখ্য বাংলাদেশ ২০০১ সালের ১০ নভেম্বরে প্রথম ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচ খেলে ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে। এর পর হইতে বাংলাদেশের ১০০ তম টেস্ট পর্যন্ত ১০০ টেস্টে জয় মাত্র ৯টি , পরাজয় ৭৬টি এবং ড্র ১৫টি!

লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে টেস্ট খেলুড়ে সকল দলের প্রথম ১০০ টেস্টের ফলাফল নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা করা সঙ্গে থাকবে কিছু তুলনা। গত বছরের আগস্টে নবম দল হিসেবে ১০০ তম টেস্ট খেলে ফেলে জিম্বাবুয়ে। আর এবছর মার্চে বাংলাদেশ। যেহেতু টেস্ট খেলুড়ে সকল দলের’ই ১০০ টেস্ট খেলা সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে সেহেতু এখন তাদের ভিতরে তুলনা করাই যায় যে কারা ওই সময়ের ভিতরে ভাল খেলেছিলো, কাদের পারফরমেঞ্চ খারাপ।

বাংলাদেশ দলের টেস্ট পরিসংখ্যান নিয়ে বিশ্বের কিছু কিছু ক্রিকেট বোদ্ধাদের সমালোচনা কম হয়নি। আজ তাদের ওই কথাগুলোর জবাব দিতে চাই কিছুটা হলেও।

প্রথমত: আমরা দেখবো যে প্রথম ১০০ টেস্টে কোন দলের ফলাফল কেমন, নিচের ছকটি দেখুনঃ

দল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র সাফল্য % জয়/পরাজয় অনুপাত  র‍্যাংকিং
ইংল্যান্ড ১০০ ৪৫ ৩৮ ১৭ ৫৩.৫০ ১.১৮
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০০ ৩৫ ৩৩ ৩২ ৫১.০০ ১.০৬
অস্ট্রেলিয়া ১০০ ৪২ ৪০ ১৮ ৫১.০০ ১.০৫
পাকিস্তান ১০০ ১৯ ২৬ ৫৫ ৪৬.৫০ ০.৭৫
শ্রীলংকা ১০০ ১৮ ৪০ ৪২ ৩৯.০০ ০.৪৫
দক্ষিণ আফ্রিকা ১০০ ১৫ ৫২ ৩৩ ৩১.৫০ ০.২৯
ভারত ১০০ ১০ ৪০ ৫০ ৩৫.০০ ০.২৫
নিউজিল্যান্ড ১০০ ৪৬ ৪৭ ৩০.৫০ ০.১৫
জিম্বাবুয়ে ১০০ ১১ ৬৩ ২৬ ২৪.০ ০.১৭
বাংলাদেশ ১০০ ৭৬ ১৫ ১৬.৫ ০.১২ ১০
  • র‍্যাংকিং টা হিসাব করা হয়েছে প্রতিটি দলের মোট জয় এবং ড্রয়ের উপর ভিত্তি করে। ১ টি জয়ের জন্য ২ পয়েন্ট এবং ড্রয়ের জন্য ১ পয়েন্ট। উদাহরন হিসেবে ধরুন ইংল্যান্ড ৪৫ ম্যাচে জয়লাভ করে ৯০ পয়েন্ট (৪৫*২) এবং ১৭ ম্যাচ ড্র করে ১৭ পয়েন্ট (১৭*১); অর্থাৎ সর্বমোট ৯০+১৭= ১০৭ পয়েন্ট পেয়েছে।

নিজেদের  ১০০ তম ম্যাচ খেলতে বিভিন্ন দল বিভিন্ন রকমের সময় নিয়েছে। এই সময়টা একটি দলের জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। একমাত্র বাংলাদেশ’ই সবচেয়ে কম সময়ে ১০০ ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করেছে যেটা করেছে ১৬ বছর ৪ মাসে।  সবচেয়ে বেশি ৬০ বছর সময় লেগেছিলো দক্ষিন আফ্রিকার! কেননা ১ম বিশ্বযুদ্ধের কারনে ১৯১৪ সাল থেকে ১৯২০ সাল এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত কোন টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারেনাই দক্ষিণ আফ্রিকা। আর যে ৬০ বছর সময় তারা পেয়েছে, তার ভিতরে ম্যাচ পেয়েছে খুবই কম।

নিচের টেবিলে তুলে ধরা হয়েছে ১০০ টেস্ট খেলতে একেকটি দলের কতটুকু সময় লেগেছে।

দল যত সময় লেগেছে
বাংলাদেশ ১৬ বছর ৪ মাস
শ্রীলংকা ১৮ বছর ৪ মাস
জিম্বাবুয়ে ২৪ বছর ০ মাস
পাকিস্তান ২৬ বছর ৫ মাস
ইংল্যান্ড ৩২ বছর ৪ মাস
ভারত ৩৫ বছর ১ মাস
অস্ট্রেলিয়া ৩৫ বছর ২ মাস
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৬ বছর ৮ মাস
নিউজিল্যান্ড ৪২ বছর ৩ মাস
দক্ষিন আফ্রিকা ৬০ বছর ০ মাস

এখন কথা বলবো, প্রথম ১০০ টেস্টে  কোন দল কত রান করেছিলো, কতটা উইকেট হারিয়েছিলো, কত গড়ে রান তুলেছিল, কতটি করে সেঞ্চুরী করেছিলো এবং কতটা ডাবল সেঞ্চুরী করেছিলো। ১০ টি টেস্ট খেলুড়ে দলের প্রত্যেকের সঙ্গে প্রত্যেকের আসল হিসাব নিকাশ এবং তুলনা ঠিক এখানেই।

ক্রিকেটে এক সময়ের সুপার পাওয়ার ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টেস্ট ক্রিকেটে কিভাবে ব্যাট চালিয়ে খেলতে হয় সেটা তারাই প্রথম শিখিয়েছিলো। প্রথম ১০০ টেস্টে সবচেয়ে বেশী ৫১২২১ রান করেছিলো সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩৩.০৭ গড়ে তাদের ব্যাটসম্যানেরা রান তুলেছিল। সবচেয়ে বেশি ৯৩ টি সেঞ্চুরী এবং ১৪ টি ডাবল সেঞ্চুরী’ও ওই ওয়েস্ট ইডিজের!

এখন কথা হচ্ছে প্রথম ১০০ টেস্টে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া দল কি করেছে?

আসল প্রশ্নটা ওখানেই। ১৮৮০ থেকে ১৯০০ সালের সময়কালের ক্রিকেট পিচ, মাঠ এখনকার সময়ের মত ছিলো না। বোলিং সহায়ক উইকেট বানানো হত তখন, যেখানে বোলারেরা খুব সহজেই উইকেট তুলে নিতে পারতেন। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানেরা দাড়াতেই পারেনি উইকেটে। যার কারনে ২২ বার দক্ষিন আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ১৮, ইংল্যান্ড ১৭ বার ১০০ রানের নিচেয় অলআউট হয়েছে! মুলত ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত ও পাকিস্তানদের টেস্ট যাত্রা শুরু হওয়ার থেকে ২২ গজের পিচটা আস্তে আস্তে উন্নতি হতে থাকে।

নিচের ছকে উল্লেখ করা হলো প্রথম ১০০ টেস্টে প্রতিটি দলের করা মোট রান, উইকেট পতন, সেঞ্চুরি এবং ডাবল সেঞ্চুরীর পরিসংখ্যান।

দল মোট রান উইকেট পতন গড় রান/ টেস্ট প্রতি শতরান দ্বি-শতক
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫১২২১ ১৫৪৯ ৩৩.০৭ ৫১২.২ ৯২ ১৪
জিম্বাবুয়ে ৪৫৮২১ ১৭৪৬ ২৬.২৪ ৪৫৮.২ ৫৫
বাংলাদেশ ৪৫৭৪৬ ১৮৫৪ ২৪.৬৭ ৪৫৭.৪ ৪৭
পাকিস্তান ৪৫৭৩১ ১৫২৫ ২৯.৯৯ ৪৫৭.৩ ৭১
শ্রীলংকা ৪৫৬৯১ ১৫৮০ ২৮.৯২ ৪৫৬.৯ ৬০
ভারত ৪৫৬১০ ১৬০৪ ২৮.৪৪ ৪৫৬.১ ৬৯
দক্ষিণ আফ্রিকা ৪৩২২৩ ১৭১৬ ২৫.১৯ ৪৩২.২ ৫৩
অস্ট্রেলিয়া ৪৫৫৪৫ ১৭২৯ ২৪.৬১ ৪২৫.৫ ৪৯
ইংল্যান্ড ৪০০৩১ ১৬৩৯ ২৪.৪২ ৪০০.৩ ৪৭
নিউজিল্যান্ড ৩৯৬০৬ ১৬৮৪ ২৩.৫২ ৩৯৬.০ ৩৭

এখন আপনাদের সামনে তুলে ধরব সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন রান, ব্যাক্তিগত সেরা রান, সর্বচ্চ ব্যাবধানে জয়ী, ইনিংস ব্যাবধানে জয় এবং পরাজয়ের পরিসংখ্যান।

এখানে কিছু মজার পরিসংখ্যান আছে যেখানে দেখা গিয়েছে ইংল্যান্ড তাদের প্রথম ১০০ টেস্টে জয়ী ৪৫ ম্যাচের ১৫টি ম্যাচেই ইনিংস ব্যাবধানে জয়লাভ করছে, অপরদিকে বাংলাদেশ এবং নিউজিল্যান্ড কোনো ম্যাচেই ইনিংস ব্যাবধানে জিততে পারেনাই! এই সময়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৬ বার ৪০০+ রান করেছে, ভারত ও পাকিস্তান ৪০০+ রান করেছে ২৬ বার। দক্ষিন আফ্রিকা ২২ বার ১০০ রানের নিচে অলআউট হয়েছে, সভচেয়ে কম ২ বার ১০০ রানের নিচেয় আউট হয়েছে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড দল টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে কম ২৬ রানে গুটিয়ে গিয়েছে ওই সময়ে, সবচেয়ে বেশি ৩৬ ম্যাচে ইনিংস ব্যাবধানে হেরেছে বাংলাদেশ!

দল সর্বোচ্চ ইনিংস সর্বনিম্ন ইনিংস ব্যাক্তিগত সেরা ৪০০+ রান ১০০ এর নিচে আউট ইনিংস জয় ইনিংস পরাজয়
 ইংল্যান্ড ৫৭৭ ৪৫ ২৮৭ ১৬ ১৭ ১৫
অস্ট্রেলিয়া ৫৮৬ ৩৬ ২১৪ ১৮ ১৮ ১২
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৯০ ৭৬ ৩৬৫ ৩৬ ১০ ১৩
দক্ষিন আফ্রিকা ৫৩৩ ৩০ ২৩১ ১৭ ২২ ১৯
নিউজিল্যান্ড ৫০৫ ২৬ ২৩৯ ১১ ১৪ ২০
ভারত ৫৩৯ ৫৮ ২৩১ ২৬ ১০
পাকিস্তান ৬৫৭ ৮৭ ৩৩৭ ২৬
শ্রীলংকা ৯৫২ ৭১ ৩৪০ ১৮ ১৮
বাংলাদেশ ৬৩৮ ৬২ ২১৭ ১৬ ৩৬
জিম্বাবুয়ে ৫৬৩ ৫১ ২৬৬ ১৫ ২৩

এখন তুলে ধরা হচ্ছে টেস্ট খেলুড়ে দল্গুলো তাদের প্রথম ম্যাচ কত তম ম্যাচে জয়লাভ করেছে।

১৮৮৭ সালের প্রথম ঐতিহাসিক টেস্টে ব্যানারম্যানের ১৬৫ রানের কল্যানে প্রথম ম্যাচেই জয়লাভ করে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ম্যাচেই জয় পায় ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান। সবচেয়ে বেশি ৪৫ তম ম্যাচে নিজেদের প্রথম জয় পায় নিউজিল্যান্ড!

নিচের ছকে বিস্তারিত দেখুনঃ

দল প্রথম টেস্ট জয়
অস্ট্রেলিয়া ১ম
ইংল্যান্ড ২য়
পাকিস্তান ২য়
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬ষ্ঠ
জিম্বাবুয়ে ১১ তম
দক্ষিণ আফ্রিকা ১২ তম
শ্রীলংকা ১৪ তম
ভারত ২৫ তম
 বাংলাদেশ ৩৫ তম
 নিউজিল্যান্ড ৪৫ তম

টেস্ট ক্রিকেটে প্রতিটি দলই তাদের প্রথম ম্যাচ, ২৫তম ম্যাচ, ৫০ তম, ৭৫তম, ১০০তম ম্যাচে মজার সব কীর্তি গড়েছেন। নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলংকা তাদের তাদের প্রথম ম্যাচ, ২৫ তম ম্যাচ, ৫০ তম, ৭৫তম, ১০০তম ম্যাচের একটিও জিততে পারেনি। অপরদিকে অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের শততম ম্যাচে জয়লাভ করেছে!

দল অভিষেক টেস্ট ২৫তম টেস্ট ৫০তম টেস্ট ৭৫তম টেস্ট ১০০তম টেস্ট
ইংল্যান্ড হার জয় জয় জয় হার
অস্ট্রেলিয়া জয় হার জয় হার জয়
ওয়েস্ট ইন্ডিজ হার জয় হার জয় জয়
দক্ষিন আফ্রিকা হার হার হার জয় হার
নিউজিল্যান্ড হার হার ড্র হার ড্র
ভারত হার জয় হার ড্র হার
পাকিস্তান হার জয় জয় ড্র জয়
শ্রীলংকা হার ড্র ড্র ড্র হার
জিম্বাবুয়ে হার হার জয় হার হার
 বাংলাদেশ হার হার হার হার জয়

শেষবেলা এসে একটি মজাদার গনিত গনিত খেলা খেলা যাক। টোটাল পারফরমেন্সের উপর ভিত্তি করে একটি মজার অংক প্রয়োগ করে একটি র‍্যাংকিং প্রকাশ করা হলো। প্রতিটি ম্যাচ জয়ী ম্যাচের জন্য ১০ পয়েন্ট, ড্র ম্যাচের জন্য ৫ পয়েন্ট, প্ররাজিত ম্যাচের জন্য (-)৫ পয়েন্ট, ইনিংস ব্যাবধানে হারের জন্য (-)৫ পয়েন্ট, ব্যাক্তিগত শতরানের জন্য ২ পয়েন্ট, ডাবল সেঞ্চুরীর জন্য ৪ পয়েন্ট, ৪০০+ রানের ইনিংসের জন্য ৫ পয়েন্ট, ১০০ এর নিচের আউট হওয়া ইনিংসের জন্য (-)৫ পয়েন্ট ধরে হিসেব করে একটি পূর্ণাঙ্গ র‍্যাংকিং গঠন করা হলো।

দল র‍্যাংকিং মোট পয়েন্ট
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭০৫
পাকিস্তান ৬০৫
ইংল্যান্ড ৪৯৩
অস্ট্রেলিয়া ৩৮৫
শ্রীলংকা ৩৩৭
ভারত ৩২৩
দক্ষিন আফ্রিকা ৫৯
নিউজিল্যান্ড ৫০
জিম্বাবুয়ে -৫৪
বাংলাদেশ ১০ -৪১৬

এই র‍্যাংকিংটার উপর ভিত্তি করে কোনো দলের পারফরমেন্স পরিমাপ করা যাবেনা। এটা দ্বারা শুধুমাত্র বোঝানো হয়েছে মুদ্রার এপিঠ ও ওপিঠ। এটা শুধুমাত্র একটি ধারনা মাত্র। যেটা দ্বারা শুধু মজার একটি গনিতের সমাধান করা হয়েছে।

এতকিছু বিস্তারিত বললেও আমি এখানে বাংলাদেশকে হাইলাইট করিনি। কেননা সত্যিটা আপনারা উপলব্ধি করতে পেরেছেন। কোন কোন যায়গায় আমরা এগিয়ে ছিলাম, কোন যায়গায় আমরা পিছিয়ে ছিলাম, কোন যায়গাইয় আমাদের উন্নতি করা দরকার সেটা এখন সবাই বুঝতে পেরেছেন।

পরিশেষে বাংলাদশের কিছু পরিসংখ্যান উক্ত পরিসংখ্যান থেকে বের করে আনতে চাই।

প্রথম ১০০ টেস্টে বাংলাদেশ যেখানে এগিয়ে,

  • বাংলাদেশ সবচেয়ে দ্রুততম সময়ের ভিতরে প্রথম ১০০ টেস্ট খেলেছে।
  • ৩য় সর্বচ্চ ৪৫৭৪৬ রান করে বাংলাদেশ, উপরে আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে।
  • ৪৫৭.৪ গড়ে রান করে প্রতি টেস্টে ৩য় সর্বচ্চ রান বাংলাদেশের।
  • এই সময়ে ৪৭ টি সেঞ্চুরী করেছে বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানেরা যেটা কিনা তুলনামূলক ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের থেকেও বেশি।
  • বাংলাদেশ ১ম টেস্ট ম্যাচ জয়লাভ করে ৩৫তম ম্যাচে।
  • একমাত্র অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের শততম ম্যাচে জয়লাভ করেছে!

কিছু জয় এবং ড্রয়ের কথা বাদ দিলে দেখা যায় নিউজিল্যান্ডের চেয়ে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের টেস্ট শুরুটা আকাশ পাতাল তফাৎ। ব্যাক্তিগত পারফরমেন্সের দিক দিয়েও আমরা অনেক এগিয়ে অন্য ক্রিকেট পরাশক্তিদের চেয়ে। কিন্তু ওইসব মোড়লেরা দেখে শুধু আমাদের মোট পরিসংখ্যান যেটা তুলনা করে ১০০ বছর ধরে টেস্ট খেলে আসা পূর্ণশক্তির দলগুলোর সঙ্গে। তারা কখনো তাদের অতীত ঘেটে দেখেনা। আজ তাদের বলব ,দয়া করে আমাদের বর্তমানের সঙ্গে আপনাদের অতীত মিলিয়ে দেখুন।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।