জন রেইড: ৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছিলেন যিনি

রজার ব্লান্ট নামের এক ভদ্রলোক নেমেছেন অভিষেক টেস্ট খেলতে। জন্ম ইংল্যান্ডের ডারহ্যামে। ক্রাইস্টচার্চে জন্মস্থান ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই জীবনের প্রথম টেস্ট ইনিংসেই থেকে গেলেন অপরাজিত ৪৫* রান করে। দলের বাকিরা উপহার দিয়ে গেলেন এক সংখ্যার রান করে। ৩ জন তো ডাকই মেরে ফেললেন! দলীয় সংগ্রহ সর্বসাকুল্যে ১১২!

এটা ছিল নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অভিষেক টেস্ট ম্যাচের প্রথম ইনিংসের ঘটনা (১০ জানুয়ারি ১৯৩০)। দ্বিতীয় ইনিংসেও তেমন সুবিধা করতে পারলোনা ব্ল্যাকক্যাপরা। ১৩১ এ অলআউট। নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই ৮ উইকেটে হারতে হলো তাদের। উইকেটরক্ষক কেন জেমস তো বিরল এক রেকর্ড গড়ে ফেললেন নিজের দলের অভিষেক এবং নিজের অভিষেক টেস্টের দুটো ইনিংসেই ০ রানে আউট হয়ে। ওই সিরিজের পরবর্তী তিনটি ম্যাচেও কোনো জয় এলোনা নিউজিল্যান্ডের। ড্র হল সবগুলো।

এভাবেই চলছিল একটি টেস্ট খেলুড়ে দলের ধারাবাহিকতার দৃশ্য, যেটা বলা যেতে পারে ড্র কিংবা হারের পর হার। সেটা কিভাবে হয়েছিল তা জানতে হলে চোখ বোলাতে হবে লেখার শেষ অবধি।

নিউজিল্যান্ডের অভিষেক টেস্ট দল। ছবি: নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট জাদুঘর

বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট দেখে কিছু কিছু কিংবদন্তির নাক সিঁটকানোর কথা শোনেনি এমন কাউকে খুজে পাওয়া যাবেনা। অনেক বাঘা বাঘা তারকা সাবেক ক্রিকেটারেরা আমাদের ক্রিকেট নিয়ে মুখ উঁচু করে কথা বলেছেন। সেটার জবাবটা তাৎক্ষণিকভাবে আমরা দিতে পারিনি, কারণ আমরা নবাগত ছিলাম। এখন যদি কেউ এলেন কথা তোলে তাহলে হয়তো সে পার পাবেনা, কেউ না কেউ ধরে ফেলবেই। কথাগুলো তুলে ধরলাম নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের কথা মনে করে। বাংলাদেশের ক্রিকেটকে দিয়ে যারা নাক শিটকানি দিয়েছিল, তারা যদি আজ হইতে ৭০ বছর আগে জন্মাতেন তাহলে তারা বুঝতে পারতেন কাদের টেস্ট রেকর্ড সবচেয়ে জঘন্য ছিল।

অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল তাদের প্রথম টেস্টেই জয় তুলে নিয়েছিল ১৮৮৭ তে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান তাদের প্রথম টেস্ট জয় পায় নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই। তাছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৬), জিম্বাবুয়ে (১১), দক্ষিণ আফ্রিকা (১২), শ্রীলংকা (১৪), ভারত (২৫) এবং বাংলাদেশ ৩৫ তম ম্যাচে টেস্টে প্রথম জয় পায়। কিন্তু একটা দল আছে যারা তাদের প্রথম ঐতিহাসিক জয় পেতে খেলতে হয়েছিল ৪৫ টি ম্যাচ!তারাই হলো নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।

এতেই শেষ নয়, নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের এমন অসংখ্য ভয়ানক রেকর্ডের নজীর আছে ক্রিকেটে। আজ যারা কেন উইলিয়ামসনের নিউজিল্যান্ড কে একটা পরিপাটি টিম রুপে দেখছেন এটা কিন্তু শুরুর দিকে ছিল সবচেয়ে বাজ দল।

১০ জানুয়ারি ১৯৩০ থেকে ৯ মার্চ ১৯৫৬

সময়টা নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের জন্য সবচেয়ে বাজে সময় ছিল। গুনে গুনে ২৬টি বছর। ৪৪টি ম্যাচই যা খেলেছে তারা, কিন্তু জিততে পারেনি একটা ম্যাচেও। এই সময়ে তাদের খেলা ৪৪ ম্যাচের ভিতরে ড্র করেছে ২৩ ম্যাচ এবং হেরেছে ২১ টি ম্যাচ, সেখানে ইনিংস ব্যাবধানে হেরেছে ১১টি ম্যাচ! দেশে কিংবা দেশের বাইরে, কোথাও জয় নামক সোনার হরিণের দেখা নাই তাদের। একটি জাতিকে পুড়তে হয়েছে ২৬টি বছর!

১৯৩০ থেকে ১৯৪৫

সময়টুকুতে তারা ১৪ ম্যাচ খেলে হেরেছে ৫ ম্যাচ এবং ড্র করেছে ৯টিতে। ১৯৪৫ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত তাদের খেলা ১৯ ম্যাচেও কোনো জয় নাই! ৯ ড্রয়ের বিপরীতে হেরেছে ১০ টি ম্যাচে। অথচ এই সময়টুকুতেই কিউইরা পেয়েছিল কিছু প্রতিভাবান ক্রিকেটারকে।

১৯৪৯ সালে ইংল্যান্ড সফরে নিউজিল্যান্ড। ছবি: নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট জাদুঘর

সময়টা ১৯৪৯ সাল

নিউজিল্যান্ড দল তারা তাদের স্মরনকালের সেরা দল পাঠালো ইংল্যান্ডে। যে দলে ছিল তাদের টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ৪ জন সদস্য। যে ৪ জন ক্রিকেটার এখনো যায়গা করে নিয়েছেন নিউজিল্যান্ড দলের ‘ড্রিম একাদশ’ এ, যারা হলেন বার্ট সার্টক্লিফ, মার্টিন ডোনেলি, জন রেইড ও জ্যাক কোউই। কিন্তু সেই স্বপ্নের জয়টা এলোনা সেবারও। ৪ ম্যাচের টেস্ট সিরিজটা ড্র হল ০-০ তে। অর্থাৎ সিরিজের ৪টি ম্যাচই ড্র! সিরিজের প্রতিটি টেস্ট ই অসাধারণ খেলেও একটা ফলাফল বের করতে পারেনি তারা।

মোট ৪ দিনের টেস্টের ভিতরে একদিন বিরতি! অর্থাৎ ৩ দিনের টেস্ট ম্যাচের ৪টি টেস্ট ই ড্র। কিংবদন্তি লেন হাটন ও ডেনিস কম্পটনদের সামনে ব্ল্যাক ক্যাপরা খেলেছিল রাজার মাত। যদিও এই দুই কিংবদন্তির বিপক্ষে মাঝে মাঝে ঝুঁকতে হয়েছিল নিউজিল্যান্ড বোলারদের। ৪ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ৩ টি সেঞ্চুরী করেছিলেন লেন হুটোন (সর্বোচ্চ ২০৬), আর ডেনিস কম্পটন করেছিল দুটি, তাছাড়া জন এডরিক, রেগ সিম্পশনাও দেখিয়েছিল নানান ভেলকি। কিউইদের হয়ে মার্টিন ডোনেলি পান একমাত্র ডাবলসেঞ্চুরী। জন রেইড, সাটক্লিফ, কোউই রা খেলেছিলেন অসাধারণ। এত ভাল খেলেও ফলাফল না পাওয়ায় সিরিজ শেষে ক্রিকেটকে বিদায় জানায় মার্টিন ডোনেলি এবং জ্যাক কোউই।

কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান লেন হাটনের শেষ টেস্টে নিউজিল্যান্ড ২৬ রানে অলাউট! ছবি: ক্রিকইনফো

মার্চ ১৯৫৫

লেন হাটনের নেতৃত্বে নিউজিল্যান্ড সফরে এসেছে ইংলিশরা। ওদিকে দারুণ একটা ব্যালান্সড দল নিয়ে ওত পেতে বসে আছে কিউইরা। ডানেডিনে ১ম টেস্টে কোনো ইনিংসেই দেড়শ পার করতে পারল না নিউজিল্যান্ড। ম্যাচ হারতে হলো ৮ উইকেটের ব্যাবধানে। হার থেকে শিক্ষা নিয়ে অকল্যান্ডে পরের টেস্টে আবারো মাঠে নেমে গেল কিউইরা।

প্রথম ইনিংসে টেনেটুনে দুশো করার পর ইংল্যান্ড তাদের প্রথম ইনিংসে লেন হুটোনের ৫৩ রানের উপর ভর করে ২৪৬ রান করল ইংলিশরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে কিউইরা অলআউট হল টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ ২৬ রানে! যেটা এখনো টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে সবচেয়ে কম রানের বিশ্ব রেকর্ড। ইংলিশরা জিতল ইনিংস ও ২০ রানে! টেস্ট ক্রিকেটে এমন নজীর অন্য কেউ দেখাতে পারেনি যেটা নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের বিপক্ষে হয়েছিল। ২৫০ রানেরও কম করেও ইনিংস ব্যাবধানে জেতার রেকর্ড ওই একবারই হয়েছিল টেস্ট ইতিহাসে।

২৬ রানে অলাউট করার দিনে ৭ রানে ৪ উইকেট নেওয়া ইংলিশ বোলার বব এ্যাপিলিয়ার্ড।ছবি: ক্রিকইনফো

নিউজিল্যান্ড দলের প্রথম ভারত উপমহাদেশ সফর

ইংল্যান্ড, দক্ষিন আফ্রিকা ঘুরে এসেও যখন তারা একটি মাত্র টেস্ট জয়ের পিপাসা নিবারণ করতে পারছিল না ঠিক তারপরই কিউইরা বিকল্প হিসেবে বেছে নিল টেস্ট ক্রিকেটে নবাগত পাকিস্তানকে। যেটা ছিল ২৬ রানে অলআউট হবার পরের টেস্ট সিরিজ। করাচিতে খেলা ১ম টেস্টে সুবিধা করতে পারলোনা হেনরী কেভ এর নিউজিল্যান্ড দল। পাকিস্তানের করা এক ইনিংসে ২৮৯ রানের কাছেই ইনিংস ও ১ রানের ব্যাবধানে হারল নিউজিল্যান্ড। পরের লাহোর টেস্টেই ৩৪৮ রান করে কিউইরা যখন ঘুরে দাড়ানোর প্রত্যয় ব্যাক্ত করল ঠিক তখনই পাকিস্তান জবাব দিয়ে দিল অধিনায়ক ইমতিয়াজ আহমদ এর ২০৯ ও ওয়াকার হাসানের ১৮৯ রানের উপর ভর করে ৫৬১ রান তুলে! শেষমেষ টেস্ট হারতে হল ৪ উইকেটে।শেষ ভরসা এবার শেষ টেস্ট কে কেন্দ্র করে।

৭ নভেম্বর ১৯৫৫, ডাক্কা বা ঢাকা টেস্ট

তৃতীয় ও শেষ টেস্ট খেলতে কিউইরা এবার বাংলার মাটিতে। ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম, তখনকার ঢাকা স্টেডিয়াম। বৈরী আবহাওয়ায় ভেসে গেল টেস্টের প্রথম তিনটি দিনই। চতুর্থ দিনে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে খান মোহাম্মদের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ৭০ রানে অলআউট নিউজিল্যান্ড! পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে নেমে ১৯৫/৬ রানে ডিক্লেয়ার দেওয়ার পরের ইনিংসে কিউইরা ৯০ ওভারে তুলল ৬ উইকেটে মাত্র ৬৯ রান! ড্রয়ের মাধ্যমে সিরিজ শেষ করল নিউজিল্যান্ড। ঢাকার মাঠ থেকে আবহাওয়ার কল্যাণে নিউজিল্যান্ড একমাত্র পুজি ড্র নিয়েই ভারতে উড়াল দিল। ৫ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ভারত ১-০ তে জিতে নিল সিরিজ (সিরিজের ৪টি টেস্ট ড্র হয়)।

১৯৫৫ সালে ঢাকা স্টেডিয়ামে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার টেস্ট ম্যাচ। ছবি: ক্রিকেট সকার

নিউজিল্যান্ডের ঐতিহাসিক সিরিজ

ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬, জয়ের আশায় একটির পর একটি ম্যাচ খেলেই চলছে নিউজিল্যান্ড। বিরতিহীন টেস্ট খেলার উপরেই তারা। ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারতের পর ঘরের মাঠে এবার স্যার গ্যারি সোবার্স দের বিরুদ্ধে ৪ ম্যাচের টেস্ট সিরিজের লড়াই। ডানেডিনে প্রথম টেস্টে হেনরি কেভ এর নিউজিল্যান্ড হেরে বসল ইনিংস ও ৭১ রানে। নিউজিল্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট এবার আর হেনরী কেভের উপর আস্থা রাখতে পারলেন না। হেনরী কেভ বাদ পড়লেন দল থেকে। নতুন অধিনায়ক জন রেইড।

দ্বিতীয় টেস্টে অধিনায়কের পরিবর্তন হলেও পরিবর্তন হয়নি তাদের খেলার ধরন। ১ম টেস্টের ন্যায় ২য় টেস্টেও উইন্ডিজ কিংবদন্তী স্যার এভারটন উইকস এর টানা শতরান এবং কিউই ব্যাটসম্যানদের ব্যার্থতায় ম্যাচ হারতে হলো ইনিংস ও ৬৪ রানের ব্যাবধানে।

নতুন অধিনায়ক, তাই তাকে সময় দিতে হবে। কিন্তু সেই সময় এলোনা ওয়েলিংটনে তৃতীয় টেস্টেও। টানা ৩য় সেঞ্চুরী করে বসলেন এভারটন উইকস! উইন্ডিজরা তুলল ৪০৪ রান। জবাবে নিউজিল্যান্ড দল তাদের দুটো ইনিংসেই ২০৮ রান করে। ১২টি রানের জন্য ইনিংস ব্যাবধানে হার হইতে রেহাই পেল তারা, ম্যাচ হারল ১০ উইকেটের ব্যাবধানে।

এবার সেই মহেন্দ্রক্ষন, নিউজিল্যান্ডের ঐতিহাসিক টেস্ট

ঐতিহাসিক সেই ম্যাচের স্কোরকার্ড। ছবি: ‍ক্রিকইনফো

৯ মার্চ ১৯৫৬, অকল্যান্ড, ৪র্থ ও শেষ টেস্ট। ‘ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’ প্রবাদে কিউই কিংবদন্তী অধিনায়ক জন রেইডের শুরু এখান থেকেই। অধিনায়ক জন রেইডের ৮৪ রানের উপর ভর করে ২৫৫ রান তুলতে সামর্থ হয় নিউজিল্যান্ড।  ঠিক দাড়াতেই পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও! গত ৩ টেস্টে টানা সেঞ্চুরী করা এভারটন উইকস আউট হলেন ৫ রানে, গ্যারি সোবার্স ১ রান এবং উইন্ডিজ অধিনায়ক এটকিনসন কে ফেরালেন কিউই অধিনায়ক স্বয়ং জন রেইড। ১৪৫ এ গুটিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৭/৯ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করলেন জন রেইড। ২৬৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলআউট হল মাত্র ৭৭ রানে! এভারটন উইকস সর্বোচ্চ ৩১ রান তোলেন। এবং নিজেদের ৪৫ তম ম্যাচে ২৬ বছরের অবসান ঘটিয়ে টেস্ট ইতিহাসের প্রথম জয় তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড জন রেইডের নেতৃত্বে!

প্রথম জয়ের পর জন রেইডের নিউজিল্যান্ড। ছবি: ক্রিকইনফো

নিউজিল্যান্ডের প্রথম টেস্ট জয়ের কিছু তথ্য

১৩ মার্চ ১৯৫৬, ইডেন পার্কে টেস্টে ৫ম দিনে ৪৬ তম ওভারের ২য় বলটি করার জন্য হেনরী কেভ যখন দৌড় শুরু করলেন, তখন ব্যাট হাতে প্রস্তুত ছিলেন আলফ্রেড ভ্যালেন্টাইন। স্ট্যাম্পড হলেন তিনি সিম্পশন গুইলেনের (ওয়েস্ট ইন্ডিজের বংশোদ্ভূত নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৫টি টেস্ট ও খেলেছেন তিনি) হাতে কেভের বলে। তখনই কিউইরা দৌড় শুরু করলে প্রথম টেস্ট জয়ের আনন্দে। জন রেইডের অলরাউন্ডিং নৈপুণ্যে সেদিন জিতেছিল কিউইরা  যেটা ছিল  জন রেইডের শততম ফাস্টক্লাস ম্যাচ।

এই বলটি’ই নিউজিল্যান্ড কে তাদের প্রথম জয় এনে দিয়েছিলো। ছবি: নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট জাদুঘর

এটাই একটি দলের ২৬ বছরের দুঃখের স্মৃতি। জন রেইড যেখানে সবার মুখে হাসি ফুটিয়েছিলেন। জন রেইডকে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট আজীবন মনে রাখবে। মনে রেখেছে এখনো পর্যন্ত। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ঐতিহাসিক ‘ড্রিম একাদশ’ এ জায়গা করে নিয়েছেন এই কিংবদন্তী অধিনায়ক।

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।