চোখ টিপে বিশ্বজয়ের গল্প

স্যোশাল মিডিয়ায় আছেন অথচ, ভিডিওটি দেখেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুস্কর। চোখের চাহনী, ভ্রু নাচানো, চোখ টিপে মিষ্টি-স্মিত হাসির সুবাদে ভারতে তো বটেই সীমান্ত ছাড়িয়ে বাংলাদেশেও ভাইরাল হয়ে গেছে সেই ভিডিও।

সেই মেয়েটি কে? এই প্রশ্নের উত্তরটাও এখন কম বেশি অনেকেই জেনে গেছেন। তিনি হলেন মালায়ালাম অভিনেত্রী প্রিয়া প্রকাশ ভ্যারিয়ার। ভারতের কেরালার এই অভিনেত্রীর বয়স মোটে ১৮ বছর।

যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে সেটা হল মালায়লাম সিনেমা ‘ওরু আদার লাভ’-এর গান ‘মানিক্য মালারায়া পুভি’ গানের অংশ বিশেষ। গানটি কম্পোজ করেছেন শান রহমান, গেয়েছেন ভিনিত শ্রীনিবাসন।

সিনেমাটির পরিচালনায় আছেন ওমার লুলু। সিনেমাটি আসছে তিন মার্চ মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এর আগেই ভিডিওটি প্রচুর জনপ্রিয়তায় ভাল একটা বিপণনও হয়ে গেছে সিনেমা ও প্রিয়া ভ্যারিয়ারের। এটাই যে তাঁর অভিষেক সিনেমা।

ত্রিসুরের বিমলা কলেজের বি.কমের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী প্রিয়া। অভিনয়ের পাশাপাশি নাচেও তাঁর ভাল দক্ষতা আছে। শুধু তাই নয়, তিনি দারুণ একজন গায়িকাও বটে। অবসরে তাঁর প্রিয় কাজ হল ঘুরে বেড়ানো।

খুব বেশি আগের কথা নয়, নিতান্ত স্বাভাবিক একটা জীবন যাপনই করছিলেন প্রিয়া। এই ভিডিওটির সুবাদে দিনকয়েকের ব্যবধানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা বেড়েছে ১.২। আর প্রথম সিনেমা রিলিজ হওয়ার আগেই তিনি নাম লিখিয়ে ফেলেছেন দ্বিতীয় প্রোজেক্টে। বলা যায়, স্রেফ ভ্রু নাচিয়ে আকাশের চাঁদ হাতে পেয়েছেন তিনি।

ইউটিউবে তাঁর এই ভিডিওটি কতবার দেখা হয়েছে জানেন? প্রায় এক কোটি বার। রীতিমত অবিশ্বাস্য এক ব্যাপার! এর সুবাদে কিছু ‘যন্ত্রনা’ও ঘাড়ে এসে জুটেছে। ফেসবুকে জন্ম নিয়েছে এই অভিনেত্রীর এক গাদা ফেক প্রোফাইল। তাই, বাধ্য হয়ে ফেসবুকে নিজের অফিসিয়াল পেজ চালু করে ফেলেছেন।

ভ্রূ নাচানোর কৌশলটা কি করে এত সহজে পারেন সেটা বোঝা যায় তাঁর ইন্সটাগ্রাম ঘাটলেই। প্রিয়া হলেন পেশাদার মোহিনিয়াট্টম নৃত্যশিল্পী। এই নাচে চোখ ও ভ্রু’র অনেক কাজ থাকে।

আকাশ ছোঁয়া খ্যাতিটা প্রিয়ার জন্য নতুন হলেও তারকাদের জগতে তিনি নতুন নয়। গত বছরেও তিনি র‌্যাম্পে হেঁটেছেন ঐশ্বরিয়া রায়, রাণী মুখার্জীদের সাথে। তবে, যে গতিতে তিনি শুরুটা করলেন, তাতে তিনি ভবিষ্যতে বড় কিছু করে ফেললে অবাক হওয়ার কিছু নেই!

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।