চারে কেন সাব্বির!

‘পাথরের মতো কঠিন সময়। একটা জাতির আবেগের কাছে ভেসে যাবো, নাকি বেস্ট কম্বিনেশন নিয়ে মাঠে নামবো!’ এরপর আবার হ্যাশট্যাগ দিয়ে লিখেছেন-নির্ঘুম রাত। দুই রাত আগে এমনই টুইট করেছিলেন বাংলাদেশের কোচ চান্দিকা হাতুরুসিংহে।

তার ইঙ্গিতটা যে মুমিনুল হকের দিকে ছিল, সেটা বলে না দিলেও চলে। মিরপুর টেস্ট শুরুর আগের দিন ম্যাচের একাদশ নিয়ে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা, তর্ক-বিতর্ক চললো। মুমিনুল একাদশে থাকলেও যে, তিন নম্বরে ব্যাট করবেন না – সেটা অধিনায়কই বলে দিয়েছিলেন।

সেই মুমিনুল চারেও খেলতে পারলেন না। তাকে একাদশের বাইরে রেখে চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে গেলেন সাব্বির রহমান। তিনে অনুমিত ভাবেই খেলেছেন ইমরুল কায়েস।

দু’জন মিলে করেছেন ‘০’ রান। টেস্ট মেজাজের ছিটেফোটাও ছিল না। দু’জনই অস্ট্রেলিয়ান পেসার প্যাট কামিন্সের বলে উইকেটের পেছনে ম্যাথু ওয়েডের হাতে ক্যাচ দিযে ফিরেছেন সাজঘরে। নি:সন্দেহে মুমিনুল একাদশে থাকলে পরিস্থিতি কোনো ভাবে এর চেয়েও বেশি খারাপ হতে পারতো না।

রানের খাতা খোলার আগেই টপ অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যানের বাজে ভাবে বিদায় আবারো প্রশ্নটা জাকিয়ে দিয়ে গেলো – আমাদের টেস্ট একাদশটা যুৎসই হচ্ছে তো? টেস্ট খেলার টেম্পারমেন্ট সাব্বিরের মধ্যে আছে তো! বিশেষ করে ১০ উইকেটে ‍দুই ‍উইকেট হারিয়ে ফেলার পর বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপ যখন ধুকছে তখন তার ব্যাটিংটা বেশ দৃষ্টিকটুই ছিল।

১০ রানের মধ্যে তিন ‍উইকেট হারিয়ে ফেলার পর বিপদটা অবশ্য ভালই সামলে নিয়েছেন ৫০ তম টেস্ট খেলতে নামা দুই ব্যাটসম্যান – তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৭৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দারুণ এগোচ্ছে বাংলাদেশ।

এরপর, মানে ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নামবেন মুশফিক। আচ্ছা, দলের সেরা ব্যাটসম্যানকেই বা ছয় নম্বরে নামানোর যৌক্তিকতা কী!

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।