নব্বইয়ের দশক: ঘরোয়া ক্রিকেটের স্বর্ণযুগ ও সার্ক ক্রিকেট

বাংলাদেশের ক্রিকেটের উত্থান সত্যিকারের অর্থে ১৯৯১ সালের এশিয়া কাপের পর। এই সময়েই ক্রিকেট নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে পরিকল্পনা করা শুরু হয়। ১৯৯২ বিশ্বকাপের পর জিম্বাবুয়ে টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করলে বাংলাদেশ সহযোগী দেশগুলার ভেতর বেশ শক্তিশালী হয়ে পড়ে। বিভিন্ন সময়ের পথের কাঁটা জিম্বাবুয়ে না থাকায় আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপে খেলার পথটা সোজা হয়ে যায়। সেই সাথে আইসিসি ঘোষনা দেয় শুধু চ্যাম্পিয়ন না আইসিসি ট্রফির প্রথম তিন দলই বিশ্বকাপে খেলবে। এই ঘোষনার পরেই নড়েচড়ে বসে বিসিবি। টার্গেট করা হয় ’৯৬ বিশ্বকাপ।

ক্রিকেটে ঘরোয়া পর্যায়ে বিরাট পরিবর্তন আসে। তৎকালীন বাংলাদেশে ক্রিকেটের প্রসারে এবং জনপ্রিয় করে তোলার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের। আর সেখানে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আবাহনী। ’৯২ বিশ্বকাপের পরেই আবাহনীর তৎকালীন প্রধান অর্থদাতা আহম মুস্তফা কামাল (সাবেক আইসিসি এবং বিসিবি সভাপতি) প্রচুর অর্থ খরচ করে বিদেশি খেলোয়াড় আনা শুরু করেন। আবাহনী ১৯৮৮ সালে ভারতের বিশ্বকাপ বিজয়ী অধিনায়ক কপিল দেবকে দলে ভেড়ালেও জাতীয় দলের খেলা থাকায় এক ম্যাচেও খেলার সুযোগ হয়নি তার। ’৯২ সালে আবাহনী দলে আনে ইংল্যান্ডের নিল ফেয়ারব্রাদার এবং রিচার্ড ইলিংওয়োর্থকে (বর্তমানে আইসিসি এলিট প্যানেলের আম্পায়ার)।

মুস্তফা কামাল নিজেই ফেয়ারব্রাদারের সাথে আলাপ করে, তাকে বুঝিয়ে আনেন ঢাকায়। ফেয়ারব্রাদার মোহামেডানের বিপক্ষে গ্যালারী ভরা দর্শকের সামনে ৮৬ বলে ৯০ রানের ম্যাচ জেতানো এক ইনিংস খেলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন ঢাকার দর্শকের কাছে।

ম্যাচটির স্মৃতিচারণা করেন ফেয়ারব্রাদার, ‘এত দর্শক, এত চাপ। আমরা তো ড্রেসিংরুম থেকেই বেরোতে পারছিলাম না। বাইরে হাজার হাজার মানুষ আমাদের দেখার জন্য অপেক্ষা করছিল।’

১৯৯৫ সালে আবাহনী দলে ভেড়ায় পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরামকে, তখন দলের দ্বায়িত্ব নিয়েছেন নাজমুল হাসান পাপন। এরপর টানা তিন মৌসুম ডিপিএলের বিভিন্ন দলে খেলেন শ্রীলংকার অর্জুনা রানাতুঙ্গা। ঢাকার ক্রিকেটের অন্যতম আলোচিত গল্প হচ্ছে কোন এক ম্যাচে দল পুরা টাকা না দেয়ায় (অর্ধেক দিয়েছিলো) রানাতুঙ্গা এক পায়ে প্যাড পরে বসেছিলেন ড্রেসিং রুমে, ব্যাটিং করতে নামবেন না, কথিত আছে ড্রেসিং রুমের ভেতরই পুরা টাকা দেয়ার পরেই কেবল মাঠে নামেন রানাতুঙ্গা এবং ম্যাচ জিতিয়েই ড্রেসিং রুমে ফিরেন!

নব্বইের দশকে খেলা কয়েকজন খেলোয়াড় ছিলেন রমন লাম্বা, আথুলা সামারাসেকারা, অশোক মালহোথ্রা, অরুন লাল, জহুর এলাহী, জনক গামাজে, গ্রায়েম ল্যাবরয়, রবি রত্নায়েকে, কেনিয়ার স্টিভ টিকোলো, মরিস ওদুম্বে, থমাস ওডোয়ো। মহামেডানের হয়ে রানের ফোয়ারা ছোটাতেন স্টিভ টিকোলো। এই খেলোয়াড়দের খেলার বাইরের ‘অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব’ ছিলো স্থানীয়দের গাইড করা। ম্যাচের আগে পরে নেটে তাদের নিয়মিতই ‘কোচের’ ভূমিকায় দেখা যেত।

বিদেশি ক্রিকেটারদের পাশাপাশি নব্বইের দশকে দেশি ক্রিকেটারদের পেশাদার হয়ে ওঠার শুরুটা ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ দিয়েই। স্থানীয়দের ভেতর সবচেয়ে জনপ্রিয়, ড্যাশিং লুকিং ছিলেন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। ’৮০ সালের শেষ দিকে দেড় লাখার টাকায় তিনি আবাহনী থেকে মোহামেডানে নাম লেখান যেটা ওই সময়ের বিচারে বহুল আলোচিত ঘটনা। নান্নুর নিজের ভাষায়, ‘সর্বোচ্চ স্কোরার হওয়ার পর মোহামেডান আমাকে দেড় লাখ টাকা অফার করলো। আগের মৌসুমেই আবাহনী থেকে পেয়েছিলাম ৭০ হাজার টাকা। ওরা টাকার পরিমান দ্বিগুন করে দেয়। ওই সময় এটা বড় একটা অংক ছিল। সত্যিকারের মনোভাব দেখা যেত সে সময়।’

নান্নু ১৯৯১ থেকে ১৯৯৭ প্রতিটি প্রিমিয়ার লিগে সেরা পাঁচে ছিলেন। নান্নুর পাশাপাশি বড় খেলোয়াড়দের ভেতর ছিলেন আকরাম খান এবং আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বোলারদের ভেতর এনামুল হক মনি, সাইফুল ইসলাম ছিলেন প্রথম পছন্দ ক্লাবগুলার।

ঘরোয়া ক্রিকেট জমজমাট হয়ে ওঠার ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভালো করার সম্ভাবনা তৈরী হতে থাকে। দেশের প্লেয়ারদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সাথে অভ্যস্ত করার জন্য চালু হয় ‘সার্ক চারজাতি টুর্নামেন্ট’। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল এবং এশিয়ার বাকি তিন দেশ এখানে বিরাট সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয়। অতীতে বিভিন্ন দেশের সৌখিন দল, রাজ্যদল, অবসরপ্রাপ্ত ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া এমসিসি দল বাংলাদেশ সফরে আসলেও এই টুর্নামেন্টের উদ্দেশ্য ছিলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলছে বা কিছুদিনের ভেতর খেলবে এমন ক্রিকেটারদের সাথে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের খেলার সুযোগ করে দেয়া। এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ তাদের জাতীয় দল খেলাতো এবং ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা তাদের ‘এ’ দল খেলাতো। দেশের ক্রিকেট উন্মাদনাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিসিবির এই উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

সার্ক চারজাতি টুর্নামেন্টের প্রথম আসর বসে ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর মাসে। ভারত এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল ছিলো।

উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড়দের ভেতর ছিলেন-

ভারত: বিনোদ কাম্বলি, রাজেশ চৌহান, নভজিৎ সিং সিধু, মহিন্দর সিং, অজয় শর্মা এবং সৌরভ গাঙ্গুলী

শ্রীলংকা: গ্রায়েম ল্যাবরয়, দুমিন্দা পেরেরা

পাকিস্তান: বাসিত আলি, আমির হানিফ, সাঈদ আনোয়ার

টুর্নামেন্ট শেষ হবার পরপরই কাম্বলি, রাজেশের টেস্ট অভিষেক হয়। সিধু টুর্নামেন্টে রান করে দলে ফেরেন আর টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট নিয়ে ভারতের জাতীয় দলে ঢুকে যান অজয় শর্মা।

টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই একমাত্র জয় পায় বাংলাদেশ। শ্রীলংকার বিপক্ষে।

স্কোর: শ্রীলংকা ৮৫ (সাইফুল ইসলাম ২৩/৩, জাহাঙ্গীর আলম ১৯/৩)

বাংলাদেশ ৮৭/৩ (নুরুল আবেদীন ৩৮*, মিনহাজুল আবেদীন ৩২)

টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান করেন সিধু (২ ম্যাচে ১৩১)

১৯৯৩ সালের নভেম্বর মাসে দুটি একদিনের প্রীতি ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশে আসে জিম্বাবুয়ে। দুটি ম্যাচই জিম্বাবুয়ে জিতে সামান্য ব্যবধানে (৯ এবং ১৩ রানে)।

১৯৯৪ সালের জানুয়ারি মাসে আসে পাকিস্তান, দুটি ফ্রেন্ডলি ম্যাচে জয় লাভ করে ৬২ রান এবং ৭ উইকেটে।

১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্নে ১৯৯৪ আইসিসি ট্রফির আগে জাতীয় দলের জন্য প্রথম ‘হাই-প্রোফাইল’ কোচ নিয়োগ দেয় বিসিবি। ভারত বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক মহিন্দর অমরনাথকে কোচ করা হয়। বিখ্যাত ক্রিকেটার লালা অমরনাথের পুত্র মহিন্দর অমরনাথ। অল্প সময়ের ভেতর বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফিতে সফল না হলেও অমরনাথের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাংলাদেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনে।

১৯৯৪ আইসিসি ট্রফি

প্রথম পর্বে বাংলাদেশ আর্জেন্টিনা, ইস্ট আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সহজ জয় পেলেও অপ্রত্যাশিতভাবে হেরে যায় আরব আমিরাতের কাছে। বাংলাদেশের ২৩৩/৭ এর জবাবে আরব আমিরাত জয় পায় ৪৬.৩ ওভারে (২৩৬/৪)। ভারত, পাকিস্তানের প্লেয়ারদের নিয়ে গড়া এই আরব আমিরাত শেষ পর্যন্ত স্বাগতিক কেনিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় পরে।

প্রথম পর্বে দ্বিতীয় হয়ে হয়ে দ্বিতীয় পর্বে যায় বাংলাদেশ। অপ্রত্যাশিতভাবে নেদারল্যান্ড ও শক্তিশালী কেনিয়ার সাথে হেরে বিদায় নিতে হয়। দ্বিতীয় পর্বের ফলাফলঃ

নেদারল্যান্ডের ২০৫ রানের জবাবে ১৫৮ রানে হেরে বসে বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে কেনিয়ার দেয়া ২৯৬ রানের টার্গেটে কোন উইকেট না হারিয়েই ১৩৯ রান করে বাংলাদেশ, প্রথম তিন ব্যাটসম্যান জাহাঙ্গীর আলম ৫৭, আমিনুল ইসলাম ৭৪ আর মিনহাজুল আবেদীন ৬৮ রান করলেও শেষ দিকে দ্রুত রান করার মতো কেউ না থাকায় বাংলাদেশ ১৩ রানে হেরে যায় (২৮২/৮)। ভেঙে যায় বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন। শেষ ম্যাচে হংকং এর সাথে জয় পেলেও সেমি ফাইনালে যায় নেদারল্যান্ড আর কেনিয়া।

সার্ক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

১৯৯৪ সালে সার্ক চারজাতি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর অনুষ্ঠিত হয়। মহিন্দর অমরনাথের অধীনে এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ক্রিকেটে অনেক বড় ভূমিকা এই টুর্নামেন্টের। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকার ‘এ’ দল বাংলাদেশের তুলনায় দূর্বল কোন অংশে ছিলোনা। ফাইনালে খেলাটা তাই খেলোয়াড়দের ভেতর আরো বড় কিছু করার আত্মবিশ্বাস জন্ম দেয়। আর মানুষের মাঝে ক্রিকেট নিয়ে আগ্রহ তুঙ্গে চলে যায়। প্রতিটা ম্যাচেই গ্যালারী ভরা দর্শক হয়, বাংলাদেশের সব ম্যাচ ছাড়াও ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচে প্রচুর দর্শক সমাগম ঘটে।

বেশ কয়েকজন তরুণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন টুর্নামেন্টে। আরো কয়েকজন এই টুর্নামেন্ট দিয়েই উঠে আসেন। এই টুর্নামেন্টে অমরনাথ তরুন কিছু বাংলাদেশি খেলোয়াড় মাঠে নামান যারা পরে দেশের হয়ে বড় ক্রিকেটার হয়েছেন।

অধিনায়ক:

আকরাম খান (বাংলাদেশ)

রমিজ রাজা (পাকিস্তান)

চান্দিকা হাথুরুসিংহে (শ্রীলংকা)

প্রভিন আম্রে (ভারত)

বাংলাদেশের জয় সমূহ:

ম্যাচঃ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলংকা

শ্রীলংকা ১৬৭ (হাথুরুসিংহে ৪৭, এনামুল হক মনি ২৯/২, আনিসুর রহমান ২৯/৪)

বাংলাদেশ ১৬৮/৫ (আতহার আলি খান ৩২, মিনহাজুল আবেদীন ৩০*)

ফলঃ বাংলাদেশ ৫ উইকেটে জয়ী

ম্যাচঃ বাংলাদেশ বনাম ভারত

বাংলাদেশ ১৭২ (আমিনুল ইসলাম বুলবুল ৬৪, ভেঙ্কটেশ প্রসাদ ২৫/৩, প্রশান্ত ভাইদা ২৩/৩)

ভারত ১৭১ (রাহুল দ্রাবিড় ৩৩, রফিক ৩৫/৩, আনিসুর রহমান ২৮/৩)

ফলঃ বাংলাদেশ ১ রানে জয়ী

এছাড়া টুর্নামেন্টের প্রথমে ম্যাচে উইকেট কিপার জাহাঙ্গীর আলমের ভুলে পাকিস্তানের সাথে ১ উইকেটে হেরে যায় বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ এনামুল হক মনির ৪৩* রানে ১৬৭/৮ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ৪৯.৫ ওভারে ম্যাচ টাই অবস্থায় ছিলো (১৬৭/৯), শেষ বলে উইকেটরক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের হাত থেকে বল ছুটে গেলে বাই রান নিয়ে নেয় পাকিস্তান!

ফাইনালঃ গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচের ভেতর দুই ম্যাচে জিতে ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে ১ রানে হারা ভারত ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে অধিনায়ক প্রভিন আম্রের ৮৮*, সৌরভ গাঙ্গুলীর ৩৯ আর রাহুল দ্রাবিড়ের ৩৭ রানে ২১৬/৬ রান করে। জবাবে অধিনায়ক আকরাম খানের ৬৬ রান ছাড়া আর কেউই রান করতে না পারলে বাংলাদেশ অল আউট হয় ১৬৪ রানে। ভারতের ভেঙ্কটেশ প্রসাদ ১১ রানে ৪ উইকেট নেন।

ফাইনালে হারলেও এই ম্যাচ আর এই টুর্নামেন্ট বাংলাদেশে ক্রিকেটকে চূড়ান্ত পর্যায়ে জনপ্রিয় করে দেয় ফুটবলকে পেছনে ফেলে দিয়ে।

এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আকরাম খানের অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয়। জাতীয় দলে আসেন নাঈমুর রহমান দূর্জয়, আল শাহরিয়ার, মোহাম্মদ রফিক, আনিসুর রহমান (বর্তমানে আম্পায়ার) আর সজল চৌধুরী।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের ভেতর এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে উঠে আসেন রাহুল দ্রাবিড়, সৌরভ গাঙ্গুলী, রাসেল আরনল্ড, উপল চন্দনা, ভেঙ্কটেশ প্রসাদের মতো ক্রিকেটার।

টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান করেন রাহুল দ্রাবিড় (৪ ম্যাচে ১৩০ রান, গড় ৩২.৫০, সেরা ৪৪)। আকরাম খান করেন ১২৯ রান (গড় ৩২.২৪, সেরা ৬৬)। সর্বোচ্চ উইকেট পান আনিসুর রহমান (৪ ম্যাচে ১১ উইকেট, সেরা ২৯/৪)। প্রসাদ পান ১০ উইকেট (সেরা ১১/৪)। সেরা অলরাউন্ডার হন শ্রীলংকার রাসেল আরনল্ড, তিন ম্যাচে ৯৭ রান আর ৬ উইকেট।

দ্বিতীয় হন এনামুল হক মনি, চার ম্যাচে ৭৪ রান এবং ৫ উইকেট। টুর্নামেন্টের সব কয়টি ম্যাচ লিস্ট ‘এ’ মর্যাদার।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।