খ্যাতিমানদের ফেলে আসা জীবন

আমরা খবরের পাতায় সফল ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা কিংবা নামকরা অভিনয় শিল্পীদের খবর জানি। আড়ালে থাকে তাদের ফেলে আসার জীবনের গল্প। হয়তো কোনো একসময় জেনে অবাক হই যে, কোনো এক কালে হয়তো কোনো অস্কারের মনোনয়ন পাওয়া একজন কাজ করতেন কোনো রেস্টুরেন্টে। কিংবা, এখনকার কোনো প্রথিতযশা সিইও এক সময় ফুটপাথ থেকে জামাকাপড় কিনে পরতেন। সেসব নিয়েই আমাদের এই আয়োজন।

জেফ বেজোস

বিশ্বখ্যাত ই-কমার্স সাইট অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা ১৯৯৯ সালে এই মলিন অফিসে বসে কাজ করতেন। এর ১৮ বছর বাদে তিনি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ একজন ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হন।

ক্রিস প্র্যাট

অভিনয় জগতে পা রাখার আগে ক্রিস প্র্যাট এই ভ্যানে থাকতেন। হাতে যে কাগজটা ধরে আছেন সেটা ‘কার্সড পার্ট থ্রি’ সিনেমার স্ক্রিপ্ট। তখনও তিনি জানতেন না যে এর মধ্য দিয়েই সিনেমাজগতে পা রাখবেন তিনি।

ডোয়াইন জনসন

দ্য রক খ্যাত ডোয়াইন জনসনের ১৫ বছর বয়সের ছবি এটা। চুরি করা পুরনো গাড়ীর যন্ত্রাংশ বিক্রি করে জীবন চলতো তাঁর।

মার্ক জুকারবার্গ

একটি ভাড়া করা বাসায় বন্ধুদের সাথে দ্য ফেসবুক.কমের কাজ করছেন মার্ক জুকারবার্গ। ফেসবুকের বয়স তখন এক বছর।

স্টিভ জবস

প্রথম ছবিটা তখনকার যখন অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস স্কুলে পরতেন। আর ডানের ছবিটা তার ইলেকট্রনিক্স ক্লাসে তোলা।

কোনো শ্যানেল

ছবিটা কোকো শ্যানেল তুলেছিলেন ১৯১০ সালে। সেবার একটি হ্যাটের দোকান চালু করেন তিনি। কালক্রমে তিনি বিশ্বখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ও ব্যবসায়ীতে পরিণত হন। প্রসাধনের খ্যাতনামা ‘শ্যানেল’ ব্র্যান্ডের নাম নিশ্চয়ই আপনার অজানা নয়।

ফিফটি সেন্ট

এই পপ-র‌্যাপ তারকা ১৯ বছর বয়সে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে যান। জেলেও যেতে হয়। এটা তখনকার ছবি।

প্রিন্সেস ডায়ানা

কিশোরী প্রিন্সেস ডায়ানা, সাথে তাঁর প্রিয় ঘোড়া।

গ্যাল গ্যাডোট

১৮ বছর বয়সে মিলিটারিতে যোগ দিয়েছিলেন গ্যাল গ্যাডোট। আর এখন তিনি বিশ্বজোড়া খ্যাতি পাওয়া তারকা মডেল।

রিহানা

গায়িকা রিহানা ছিলেন আর্মির ক্যাডেট। কর্পোরেল র‌্যাংক অবধি পৌঁছেছিলেন তিনি।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।