কোনো অভিযোগ নেই রামচাঁদ গোয়ালার

সময়টা আশির দশক। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে চলছিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী মোহামেডানের দ্বৈরথ। মোহামেডান দলে তখন খেলতেন ’৯৬ বিশ্বকাপজয়ী শ্রীলঙ্কা দলের অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা, তাঁরই জাতীয় দলের সতীর্থ অরবিন্দ ডি সিলভা এবং রকিবুল হাসানের মত ক্রিকেটাররা। আবাহনীর বিপক্ষে সেই ম্যাচের একটা সময় মোহামেডানের হয়ে ব্যাট হাতে উইকেটে রকিবুল হাসান ও অর্জুনা রানাতুঙ্গা।

প্রতিপক্ষের একজন বাঁহাতি স্পিনারকে দেখিয়ে রকিবুল হাসান রানাতুঙ্গাকে পরামর্শ দিলেন তাকে একটু সাবধানে খেলার। কিন্তু রকিবুলের পরামর্শকে রানাতুঙ্গার থোরাই কেয়ার! সেই বাঁহাতি স্পিনারের প্রথম বলেই তিনি হাকিয়ে বসলেন চার। দ্বিতীয় বল আকাশে ভাসিয়ে সীমানা ছাড়া করলেন ছক্কার জন্য। কিন্তু তৃতীয় বলে এসে তিনি যা করলেন তাতে রকিবুলের কথা আমলে না নেয়ার জন্য আফসোস হতেই পারে তাঁর।

প্রথম দুটি ডেলিভারি ফ্লাইটেড দিয়ে মার খাওয়ার পরও তৃতীয় ডেলিভারিটি বোলার ফ্লাইটেড দেন ঠিকই কিন্তু একটু টেনে দেন যা বাউন্ডারির নেশায় মগ্ন রানাতুঙ্গা ডাউন দ্য উইকেটে এসে ছক্কা হাকাতে গিয়ে মিডঅফে ধরা পড়েন। রানাতুঙ্গার উইকেট পড়ার পর তাঁর সতীর্থ অরবিন্দ ডি সিলভাকেও একই পরামর্শ দেন রকিবুল।

রানাতুঙ্গার মত তিনিও শুনেননি সে কথা। ফলাফল একই। সেই বাঁ-হাতি স্পিনারের ঘূর্ণিতে অরবিন্দকেও তাই খুব তাড়াতাড়ি ফিরে যেতে হয় সাজঘরে। আর এভাবেই খেলোয়াড়ি জীবনে অনেক রথিমহারথি ব্যাটসম্যানকে স্পিন ভেলকিতে খাবি খাইয়ে গেছেন বাংলাদেশে বাঁহাতি স্পিন বোলিংয়ের পথিকৃৎ রামচাঁদ গোয়ালা।

ষাটের দশক থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে ময়মনসিংহের ক্রিকেটারদের একটা দাপট ছিল। এসময় ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে খেলা অধিকাংশ ক্রিকেটারই ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার। তাদেরই মধ্যে একজন রামচাঁদ গোয়ালা যিনি ছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম বাঁহাতি স্পিনার।  দীর্ঘ সময় ধরে তিনি জাতীয় দলের পাশাপাশি খেলে গেছেন দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে।

স্কুলে পড়ুয়া অবস্থায় খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ত হন রামচাঁদ গোয়ালা। ময়মনসিংহের মৃত্যুঞ্জয় স্কুলের ক্রিকেট ও ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। তখন তিনি নিয়মিত পেস বোলিং করতেন। লম্বা ছিলেন বলে স্যাররা তাকে পেস বোলিং করার পরামর্শ দেন এবং বেশ ভালই বল করতেন তিনি। ১৯৫৬ সালে মৃত্যুঞ্জয়ী স্কুল থেকে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন এবং ১৯৫৮ সালে গৌরিপুর কলেজ থেকে করেন ইন্টারমিডিয়েট পাস।

তারপর পারিবারিক অস্বচ্ছলতার দরুন পড়ালেখা আর চালিয়ে যাওয়া হয়নি তাঁর। সাংসারিক টানাপোড়েনে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে তাঁর পথচলা শুরু হয় পন্ডিতপাড়া ক্লাবের জার্সি গায়ে। মৃত্যুঞ্জয়ী স্কুলের হয়ে ভালো খেলতে দেখে তাকে পন্ডিতপাড়া ক্লাবের হয়ে খেলার সুযোগ করে দেন ময়মনসিংহের কিংবদন্তি ক্রীড়া সংগঠক ফখরুদ্দীন আহমেদ। তখন জেলা পর্যায়ে পন্ডিতপাড়া ক্লাবের হয়ে খেলা শুরু করেন রামচাঁদ গোয়ালা। তবে পেসার হিসেবে নয়, নিজের ক্রিকেটগুরু ফখরুদ্দীন আহমেদের পরামর্শে স্পিন বোলার হিসেবে পন্ডিতপাড়া ক্লাবের হয়ে খেলতে শুরু করেন তিনি।

সেখান থেকে ১৯৬২ সালে ভিক্টোরিয়ার হয়ে খেলার মাধ্যমে ঢাকা লিগে অভিষেক হয় রামচাঁদ গোয়ালার। ভিক্টোরিয়ার হয়ে টানা ৫ বছর খেলেন তিনি। ঢাকা লিগে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখায় সুযোগ পান পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক দলে। সেখানে নেটে নিয়মিত বল করলেও পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় দলে খেলার সুযোগ মেলেনি তাঁর। তবে সে সুযোগ যখন হাতের দোড়গোড়ায় তখনই তিনি ক্রিকেট থেকে দূরে সরে যান।

১৯৬৭ সালে বাবা মুশুয়া গোয়ালার হঠাৎ মৃত্যুতে প্রচন্ড ভেঙ্গে পড়েন তিনি। বাবার মৃত্যুর পর টানা ৫ বছরের জন্য তিনি মাঠে বাইরে চলে যান। তারপর ১৯৭৩ সালে আবারো বল হাতে ২২ গজে ফেরেন রামচাঁদ গোয়ালা। ঢাকা লিগে এবার তাঁর নতুন দল টাউন ক্লাব। টাউন ক্লাবের হয়ে ওই মৌসুমের  লিগ চ্যাম্পিয়ন ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে একটি ম্যাচে মাত্র ২৩ রান খরচায় ৭ উইকেট তুলে নিলে তাকে দলে ভেড়ানোর প্রস্তাব পাঠায় মোহামেডান।

তখন তিনি না করলেও ১৯৭৫ সালে মোহামেডান আরেকবার প্রস্তাব দিলে আর না করতে পারেননি। সাদা-কালোদের হয়ে ৬ বছর খেলার পর ১৯৮১ সালে তিনি আবাহনী ক্রীড়া চক্রে যোগ দেন। ১৯৮১ থেকে ১৯৯৩, এই ১২ বছর আবাহনীর জার্সি গায়ে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে মাঠ মাতান তিনি। এই সময়টাতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ক্লাব থেকে প্রস্তাব আসলেও আবাহনী ছাড়েননি রামচাঁদ। আসলে আবাহনী ক্রীড়া চক্রের সাথে তিনি একপ্রকার ভালবাসায় জড়িয়ে যান যার বাঁধন ছিড়তে পারেনি অন্যান্য ক্লাবের অধিক পারিশ্রমিকের আশ্বাসও।

খেলতে খেলতে একসময় রামচাঁদ গোয়ালা সবার কাছে পরিচিত হয়ে যান ‘আবাহনীর গোয়ালা’ নামে যে পরিচয়ে এখনো তাকে চিনে থাকেন অনেকে। তারপর ১৯৯৩ সালে  আবাহনীর ছেড়ে তিনি যোগ দেন গ্রেটার ময়মনসিংহ ক্রিকেট ক্লাবে (জিএমসিসি)। মূলত নিজ এলাকার ক্লাব থেকে প্রস্তাব পাওয়ায় আবাহনী ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। ক্যারিয়ারের শেষ ৩ বছর এই ক্লাবের হয়েই ক্রিকেট খেলে যান ময়মনসিংহের এই স্পিন জাদুকর।

বর্তমানে বাংলাদেশে লেগ স্পিনারের যে আকাল তা একসময় ছিল না। কারণ তখন আমাদের ছিলেন একজন রামচাঁদ গোয়ালা। আধুনিক ক্রিকেটের যুগে এসেও একজন লেগ স্পিনারের জন্য আমাদের হাপিত্যেশ করতে হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশ দল যখন ঠিকমত মাথা তুলে দাঁড়িয়ে উঠেনি তখনও এদেশে বেশকয়েকজন মানসম্পন্ন লেগ স্পিনার ছিল।

ষাটের দশক থেকেই দেশের প্রথম বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে লেগ স্পিন করতেন রামচাঁদ গোয়ালা। সত্তরের দশকে দেশসেরা লেগ স্পিনার হিসেবে বাংলাদেশ দলে খেলতেন ওমর খালেদ রুমি। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) বিপক্ষে তিনি তুলে নিয়েছিলেন ৩টি উইকেট।

বল হাতে গুগলি করার পাশাপাশি নিজের উচ্চতাকে কাজে লাগিয়ে উইকেট থেকে বাড়তি বাউন্স আদায় করে নিতে পারদর্শী ছিলেন তিনি। ওমর খালেদ রুমির সতীর্থ হিসেবে বাংলাদেশ দলে খেলতেন আরেক লেগস্পিনার  নজরুল কাদের লিন্টু। ’৭৭ এ এমসিসির বিপক্ষে ম্যাচে ৫৪ রানের বিনিময়ে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন এই চায়নাম্যান বোলার।

তারপর আশির দশকে বাঁহাতি লেগস্পিনার হিসেবে রামচাঁদ গোয়ালা ও ডানহাতি লেগস্পিনার হিসেবে জাতীয় দলে খেলেন ওয়াহিদুল গণি। তখন খেলোয়াড়দের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করার তাকত ছিল না ক্রিকেট বোর্ডের। নিজেদের পরিশ্রম, আগ্রহ ও ক্রিকেটের প্রতি ভালবাসা থেকেই  যার যার অবস্থান থেকে বাংলাদেশকে সার্ভিস দিয়ে গেছেন তাঁরা।

ময়মনসিংহ থেকে লোকাল ট্রেনে চেপে ঘন্টার পর ঘন্টা জার্নি করে ঢাকায় এসে লিগ খেলতেন রামচাঁদ গোয়ালা। কঠোর পরিশ্রম এবং অনুশীলন করে ৪৩ বছর বয়স পর্যন্ত জাতীয় দলে এবং ৫৩ বছর বয়সেও ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলে গেছেন তিনি। এই সময়টাতে তিন প্রজন্মের সাথে ক্রিকেট খেলেছেন রামচাঁদ।

তাঁর সমসাময়িক ছিলেন শামিম কবির, রকিবুল হাসান,দৌলতুজ্জামান ও আশরাফুল হক। দ্বিতীয় প্রজন্মের শফিকুল হক হিরা, জাহাঙ্গীর শাহ বাদশা, জালাল ইউনুসদের পর তৃতীয় প্রজন্মের আকরাম খান, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু হাবিবুল বাশার, নাইমুর রহমান দুর্জয়দের সাথে ক্রিকেট খেলেন তিনি।

দেশের পাশাপাশি বিদেশের মাটিতেও লাল সবুজের জার্সি গায়ে খেলেছেন রামচাঁদ গোয়ালা। ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বরে পশ্চিম বাংলা সফরে বাংলাদেশ দলে ছিলেন তিনি। সেখানে মোট পাঁচটি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ; চারটি ম্যাচ জেলা দল ও একটি পশ্চিমবঙ্গ দলের বিপক্ষে।

জেলা দলগুলোর মধ্যে চন্দননগর ও নদীয়া একাদশের বিপক্ষে ২টি করে মোট ৪টি উইকেট লাভ করেন রামচাঁদ। জেলা দলগুলোর বিপক্ষে ৪টি ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেলেও হেরেছে পশ্চিমবঙ্গ দলের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটিতে। তবে সেই ম্যাচে রামচাঁদ গোয়ালা বল হাতে বেশ ভুগিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের হয়ে সর্বোচ্চ ৬১ রান করা ব্যাটসম্যান অরুণ লালকে।

বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিংটাও খুব একটা মন্দ করতেন না রামচাঁদ গোয়ালা। ১৯৭৫ সালে ঢাকা লিগের ফাইনালে দশম উইকেট জুটিতে দৌলতুজ্জামানকে নিয়ে ৯৯ রান যোগ করে তিনি। এর আগে পাবনার শামসুজ্জোহা টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে ব্যাট হাতে করেন ৭৫ রান। তবে ফিল্ডিংয়ে তিনি বরাবরই ছিলেন দুর্বল। তাঁর হাত ফসকে কত বল যে সীমানা ছাড়া হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। অতঃপর ১৯৮৩ সালে এসে জাতীয় দল থেকে অবসরে যান বাংলাদেশের এই খ্যাতিমান লেগস্পিনার।

জাতীয় দল থেকে অবসরের পর আরও এক দশক দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলে গেছেন রামচাঁদ গোয়ালা। ক্রিকেট থেকে অবসরের পর কোচিংয়ের সাথে যুক্ত হন তিনি। খেলা ছাড়ার পর ময়মনসিংহের জিএমসিসি ক্লাবের কোচ হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। প্রতি মৌসুমে বৃহত্তর ময়মনসিংহের ক্রিকেটারদের নিয়েই মূলত দল গড়ত জিএমসিসি।

আবাহনী, মোহামেডানের মত দলকে পিছনে ফেলে কেবল স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া জিএমসিসি ক্লাবকে ঢাকা লিগে দুইবার রানার্স-আপ করেন রামচাঁদ গোয়ালা। এসময় ময়মনসিংহের বিভিন্ন ক্লাবের খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন তিনি। তাছাড়া কোচ হিসেবে ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাথে দীর্ঘ ১০ বছর যুক্ত ছিলেন তিনি।

রামচাঁদ গোয়ালার জন্ম ১৯৪০ সালের আজকের এই দিনে। ময়মনসিংহের ব্রাহ্মপল্লিতে জন্মগ্রহণ করা রামচাঁদ গোয়ালা এখন জীবন সায়াহ্নে। বিভিন্ন রোগ বাসা বেধেছে তাঁর শরীরে। কানে শুনতে পান না ঠিকমত, ইতোমধ্যে স্ট্রোকও করে ফেলেছেন একবার। বর্তমানে তাঁর বয়স ৭৭ বছর। এখনও বিয়ে করেননি তিনি। আসলে বিয়ের বয়স তো সেই কবেই পার হয়ে গেছে।

সবসময় ক্রিকেটে মজে থাকায় বিয়ের বয়স কবে যে পেরিয়ে যায় তা টেরই পাননি তিনি। এই বৃদ্ধ বয়সে তাঁর সময় কাটানোর সঙ্গী নিজের ভাতিজার দুই সন্তান ও টেলিভিশন। সবসময় ক্রিকেটকে ধ্যানজ্ঞান মানা এই ক্রিকেটার এখনও সব ধরনের ক্রিকেটের খোঁজ খবর রাখেন, মিস করেননা একটি ম্যাচও। বাংলাদেশের সাকিব আল হাসানের মধ্যেই এখন তিনি খুঁজে ফেরেন নিজেকে।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে রামচাঁদ গোয়ালার যে অবদান তার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিএসজেএ) তাকে আজীবন সম্মাননার পাশাপাশি ৫ লাখ টাকা পুরস্কার প্রদান করে। এর আগে ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির পক্ষ থেকে দেয়া সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন তিনি এবং ২০০০ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের সময় ক্রিকেট বোর্ড থেকে তাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

তবে আক্ষেপের বিষয় বাংলাদেশের ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে কোনপ্রকার খোঁজখবর নেয়া হয় না তাঁর। এমনকি নিজ এলাকা ময়মনসিংহের ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও তাঁর কথা মনে করেন না। এসব নিয়ে অবশ্য কোনপ্রকার অভিযোগ নেই রামচাঁদ গোয়ালার। টেলিভিশনে ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে দেখতেই বৃদ্ধ বয়সের কঠিন সময়গুলো দিব্যি কেটে যাচ্ছে তাঁর।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।