কুড়ির আগেই কোটিপতি: বাস্তবের ‘সিক্রেট সুপারস্টার’

ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সাত-আট সংখ্যার অর্থকড়ি থাকা বিরাট ব্যাপার। কারো সেটা পেতে গোটা জীবন লেগে যায়, কারো কখনও পাওয়াই হয় না। আবার এমনও অনেকে আছেন, তারা প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার আগেই নোট গুণতে গুণতে দিশেহারা হয়ে যান। ওয়েবের দুনিয়ায় যে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। এবারে আমরা তাদের গল্পটাই জানাতে চাই।

রায়ান’স টয় রিভিউ, ৭ বছর

ইউটিউবের দ্বিতীয় বৃহত্তম চ্যানেলের মালিক। বাচ্চাদের খেলনার রিভিউয়ের জন্য বেশ জনপ্রিয়। মাসে মাসে একাই আয় করেন প্রায় দশ লাখ ডলার।

ম্যাটি বির‌্যাপস, ১৪ বছর

আমেরিকান এই গায়ক ওয়েবের ‍দুনিয়ায় বেশ জনপ্রিয়। ইউটিউবে তার রিমিক্স ভিডিওগুলো বেশ জনপ্রিয়। সাত বছর আগে ক্যারিয়ার শুরু করেন। চার বছর বাদে কার ইউটিউব চ্যানেলের ভিউ কোটি ছাড়িয়ে যায়।

নিক ডি’আলোইসিও, ২৪ বছর

‘সামলি’ অ্যাপের সুবাদে ডি’অ্যালোইসিও রীতিমত এখন কিংবদন্তি। এই অ্যাপটি দৈনন্দিন ঘটনা ও খবরখবরের সার-সংক্ষেপ অ্যাপের মাধ্যমে ভোক্তাদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়। ফলে, খুব কম সময়েই বেশ ‘আপ-টু-ডেট’ থাকা যায়।

রিকো রদ্রিগেজ, ১৯ বছর

মাত্র আট বছর বসেই অভিনয় ‍শুরু করেন তিনি, ছোট খাটো চরিত্র দিয়ে শুরু করেন। তবে, ‘মডার্ন ফ্যামিলি’ টিভি সিরিজ দিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন যে তার ভবিষ্যৎ বেশ উজ্জ্বল। সিরিজটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে, সমালোচকদের বিশ্বাস এখান মূল ভূমিকা রেখেছে রিকো’র হাস্যরসাত্মক ভূমিকা।

টেনার ফক্স, ১৭ বছর

পেশাদার স্টান্ট স্কুটার রাইডার টেনার ফক্স একজন ইউটিউব স্টার, তার সাবস্ক্রাইবার ৬০ লাখেরও বেশি।  ইন্সটাগ্রামে আছে ৩১ লাখ ফলোয়ার। নানা রকম বাহনে তার অ্যাডভেঞ্জার, স্কাইডাইভিং ভক্তরা গোগ্রাসে গেলে।

মার্ক থমাস, ১৬ বছর

২০০১ সালের ২৯ মার্চ জন্ম নেওয়া স্যোশাল মিডিয়া স্টার মার্কের ইন্সটাগ্রামে ফলোয়ার নয় লাখ ৩৫ হাজার। তিনি ‘ডুহিটজমার্ক’ নামেই বেশি পরিচিত। তার, মিউজিক ভিডিওগুলো বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

জ্যাকব সারটোরাস, ১৫ বছর

আমেরিকান এই শিশুশিল্পী স্যোশাল মিডিয়ার সুবাদে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। বয়স যখন চার বছর তখন তার বাবা-মা তাকে দত্তক নিয়েছিলেন। বয়স যখন, ১১ তখন থেকেই তিনি ওয়েবে ভিডিও নিয়ে কাজ করতে শুরু করেন।

– ব্রাইট সাইড অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।