কবিতাময় ভালবাসা || ছোটগল্প

অদ্ভুত একটা টিউশনি পেয়েছে রাশেদ। তার পর থেকেই প্রচন্ড মেজাজ খারাপ ওর। টিউশনির বিষয়বস্তু হলো তাকে প্রতি শুক্রবার একঘন্টা করে সিথী নামের অতি বড়লোকের একমাত্র কন্যাকে কবিতা লেখা শিখাতে হবে। গত সপ্তাহে ‘তারুণ্য’ পত্রিকায় ছাপা হওয়া রাশেদের কবিতা নাকি মেয়েটার অসম্ভব ভালো লেগেছে। তাই এই এপয়েটমেন্ট। মাত্র চারদিনের জন্য দেয়া হবে গুনে গুনে নগদ পাঁচ হাজার টাকা। টাকার অংক রাশেদের কাছে যথেষ্ট ঈর্ষনিয়।

তারপরও সে ঠিক করেছে এই চাকরী করবে না। প্রথমদিন গিয়ে সিথী নামের মেয়েটাকে কয়েকটা কঠিন কঠিন কথা বলে চলে আসবে। কবিতা কোনো ফাজলামির বিষয় না। প্রাইভেট টিউটর রেখে কবিতা শেখা গেলে দুনিয়ার সবাই ই কবি হতো। প্রাইভেট টিউটর রেখে এলজেব্রা শেখা যায়, নিউটনের ল শেখা যায়, চিকেন ললিপপের রেসিপি শেখা যায়, কিন্তু কবিতা না। এই জিনিস লেখার যোগ্যতা জন্ম থেকে নিয়ে আসতে হয়। কবিতা যদি কাউকে শিখিয়ে দেয়া যেত তাহলে রবীন্দ্রনাথের পর সবচে বড় কবি হতো তার ছেলে রথীন্দ্রনাথ, নজরুলের পরে অনিরুদ্ধ। কবিতা একটা শিল্প এবং সেটা যারা টাকা দিয়ে কেনার চেষ্টা করতে চায় তাদেরকে রাশেদ অত্যন্ত ঘৃণা করে।

এই ধরনের একটা কঠিন স্পিচ মনে মনে ঠিক করে গেলেও সিথীর সামনে গিয়ে সে কিছুই বলতে পারলো না। মোটামুটি হতভম্ব হয়ে চেয়ে রইলো কিছুক্ষণ। যে মেয়ে নিজেই একটা জ্বলজ্যান্ত জীবনানন্দ দাসের কবিতা, তাকে আর যাই হোক অন্তত কঠিন কথা বলা যায় না। রাশেদের মনে হলো এই পৃথিবীতে যদি শুধুমাত্র একটা মাত্র কারণে কবিতার জন্ম হয়ে থাকে তবে সেই কারণটা হলো এই সিথী নামের অতি রুপবতী তরুণী।

মেয়েটার সামনে বসে থাকা অবস্থাতেই রাশেদের মাথার মধ্যে সিথীকে নিয়ে একটা ইনস্ট্যান্ট কবিতা তৈরি হয়ে গেলো। ব্যাপারটা অনেকটা দুই মিনিটে তৈরি হওয়া ম্যাগি নুডলসের মতন।

তোমাকে নিয়ে কবিতা লেখার কি আছে,

কবিতা হাতে কলম পেলে তোমায় লিখতো!

তোমাকে নিয়ে ছবি আকার কি আছে,

রংতুলি পেলে ছবি নিজে তোমায় আকতো!

তোমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখার কি আছে,

স্বপ্নের কাছে সুযোগ থাকলে তোমায় দেখতো!

তোমাকে সাথে প্রেম করার কি আছে,

প্রেম পারলে তোমাকেই শুধু ভালোবাসতো!

লাভ এট ফার্স্ট সাইট জিনিসটা আসলে কবিদের জন্যই আবিষ্কৃত হয়েছে, প্রেমে পড়ার পর ভাবলো রাশেদ।

রাশেদ এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতন সিথীদের বাসায় এসেছে। জিনিসটা যথেষ্ট ঝামেলার কারণ সিথীদের বাসায় যার তার পক্ষে ঢোকা সম্ভব না। কমপক্ষে তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টিত। প্রথমে গেটে দারোয়ানের কাছে উপযুক্ত কারন দেখাতে হয়, তারপর ওয়েটিং রুম টাইপের একটা ঘর। যেখানে গম্ভীর ধরনের একটা ছেলে বড় জবেদা খাতায় নাম ঠিকানা ফোন নাম্বার লিখে রাখে। অপরিচিত হলে ভেতরে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করে। যদি ভেতর থেকে অনুমতি দেয়া হয় তবেই উঠানে বাইরে ঘুরঘুর করতে থাকা এলসেশিয়ান কুকুর দুটোকে বেধে ফেলা হয়।

কুকুরদ্বয়ের হিংস্র চোখের সামনে দিয়ে ভয়ে ভয়ে সিড়ি বেয়ে উঠে যেতে হয় দোতলায়। এটাই সিথীদের বাসা। দোতলায় গিয়ে ওয়েটিংরুমে বসে অপেক্ষা করতে হয়। সর্বনিম্ন কুড়ি মিনিট থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ দুই ঘন্টা। অপেক্ষা করতে করতে যখন মনে হয় এই বাড়ির কেউ বোধহয় তার আসার খবর পায়নি তখন জানালার পর্দার ফাকা দিয়ে সিথীর মুখ দেখা যায়। রাশেদ এতোক্ষণ অপেক্ষা করার সমস্ত ক্লান্তি, সমস্ত বিরক্তি ভুলে যায় এই মুখের দিকে তাকিয়েই।

তাইতো এই বাসা থেকে বের হয়েই আরো একটা শুক্রবারের জন্য বুভুক্ষের মতো অপেক্ষা করতে থাকে রাশেদ।

সিথী কথা বলার সময় অল্প অল্প হাসে।

– রাশেদ ভাই আপনি এতো ভালো কবিতা কিভাবে লেখেন?

– এইতো কীবোর্ড চেপে চেপে। মাঝে মাঝে কাগজ আর কলমে।

– কই আমি তো পারিনা।

– চেষ্টা করো, চেষ্টা করলেই পারবা।

– আপনি তো আমাকে শেখাচ্ছেনই না এখনো। আমি পারবো কিভাবে?

– কবিতা তো শেখানোর বিষয় না সিথী, কবিতা ভেতর থেকে আসতে হয়। আশেপাশের প্রকৃতি দেখতে নয়, উপলব্ধি করতে হয়।

– আমি এতো থিওরি বুঝিনা, আপনি আমাকে কবিতা লেখা শেখাবেন।

– আচ্ছা তাহলে আধুনিক কবিতা শেখো।

– আধুনিক কবিতা শেখা কি সহজ?

– হ্যা খুব সহজ।

– আচ্ছা শেখান তাইলে।

‘আধুনিক কবিতা খুবই অদ্ভুত একটা জিনিস। উদাহরণ হিসাবে বলা যায় তীর চালনা নিয়ে একটা মজার উক্তি। সেটা হলো, লক্ষ্যভেদ করার সবচেয়ে সহজ উপায় তুমি আগে তীর ছুড়বে। তারপর তীরটা যেখানে লাগবে সেটাকেই লক্ষ্যবস্তু হিসাবে ঘোষণা করবে। হয়ে গেলো লক্ষ্যভেদ। আধুনিক কবিতা লেখাও এরকম। প্রথমে আন্দাজে যা খুশি লিখবে। তারপর সেটাকে কবিতা হিসাবে ঘোষণা করবে। হয়ে গেলো।

আচ্ছা চলো তোমাকে দেখাই। জানালা দিয়ে বাইরে তাকাও। কি দেখা যাচ্ছে? উঠানে দুইটা কুকুর, একটা ফুলবাগান, নাম না জানা কয়েকটা পাখি, লেক, আকাশ, আর দারোয়ান। এখন তুমি যা যা দেখছো তাই ই লিখবা কিন্তু প্রতিটার সাথে একটা করে বিষণ্ণ, ক্লান্ত, অন্তনীল টাইপ কঠিন শব্দ জুড়ে দিবা। সাথে জীবনানন্দের স্টাইলে আন্দাজে কিছু উপমা। আর সবশেষে একটা প্রশ্নবোধক বাক্য।

চলো দেখি কি লেখা যায়।

দুইটা বিষণ্ণ কুকুরের চোখজুড়ে এক পৃথিবী শান্ত আকাশ,

লেকের ক্লান্ত জলে গাধার চোখের মতো একজোড়া তৃষ্ণার্ত শালিক বসন্তের গান গায়,

কুকুর আর শালিকের পৃথিবী জুড়ে শূন্যতা, অট্টহাসি দেয় দরিদ্র দারোয়ানের চুল।

আচ্ছা, কুকুররা কি প্রেম করেনা? তাদের জীবনে কি ভালোবাসা দিবস বলে কিছু নেই?

হিহি করে হাসছে সিথী। রাশেদ বলে, ‘দেখছো কত্ত সহজ?’

সিথীর হাসি যেন থামেই না। মুগ্ধ হয়ে দেখে রাশেদ।

সিথী জানতে চায়, ‘এই কবিতার মানে কি? পাঠক তো কিচ্ছু বুঝবে না।’

রাশেদ হাসে, ‘আধুনিক কবিতা লেখার এই এক মজা। তুমি যা ইচ্ছা লিখতে পারবা কোনো সমস্যা নেই। কেউ বুঝবে না। কবিতা পড়ে কিছু না বুঝে পাঠক যখন অবাক হয়ে তাকাবে তখন শুধু মুচকি হাসি দিয়ে বলবা, ‘ভাইরে ইহাকে বলে আধুনিক কবিতা। শিল্পমনস্ক মন না থাকলে এই কবিতার গূঢ় অর্থ কেউ অনুধাবন করতে পারেনা।’

তখন পাঠক নিজের মানসম্মান বাচাতে এবং তার মন যে শিল্পমনস্ক এটা প্রমান করতেই তোমার কবিতার তুমুল প্রশংসা করবে।

সিথী হাসতে হাসতে ভেঙে পড়ে। হাসি না থামিয়েই বলে, ‘আপনি এতো জোস ক্যান রাশেদ ভাই?’

আগে একটা সময় রাশেদের জীবনে একটা শুক্রবার থেকে আরেকটা শুক্রবার আসতে এক সপ্তাহই সময় নিতো। এখন দুই শুক্রবারের মাঝে অন্তত এক যুগের বিরতী থাকে, এমনটা মনে হয় ওর। প্রতিদিন রাতে শুয়ে শুয়ে কল্পনায় সিথীর সাথে গল্প করে।

– রাশেদ ভাই আপনাকে আমার অনেক ভালো লাগে।

– কতটা সিথী?

– আমি জানিনা রাশেদ ভাই। আমার সারাদিন শুধু আপনার সামনে বসে থাকতে ইচ্ছা করে।

– আমারো সিথী, আমারো।

– এটাকে কি প্রেম বলে রাশেদ ভাই?

– আমি জানিনা সিথী।

– আমি জানি, আমার ধারণা আমি আপনার প্রেমে পড়ে গেছি।

– আমিও সিথী।

– প্রেমে পড়লে কি করতে হয় রাশেদ ভাই?

– আমি জানিনা সিথী। আমি আগে কখনো কারো প্রেমে পড়িনি।

– সত্যি? আপনি সত্যি বলছেন?

– হ্যা সিথী।

– তাহলে আমার গা ছুয়ে বলেন। বলেন যে, আপনি এই জীবনে কখনো আর কারো প্রেমে পড়বেন না।

– তোমার প্রেমেও না।

– এই না না, হ্যা, শুধু আমার প্রেমে। মনে থাকবে? শুধু আমার।

– হ্যা সিথী, আমার মনে থাকবে।

ভাবতে ভাবতে বুকের মধ্যে অদ্ভুত একটা কষ্ট হয় রাশেদের। সেই কষ্ট কত আনন্দের। ভালোবাসা ছাড়া এই আনন্দের কষ্ট জিনিসটা বুঝি পৃথিবীতে আর কোথাও নেই। একসময় সকাল হয়। ক্যালেন্ডারের পাতায় আরো একটা নতুন বার আসে। আরেকটা শুক্রবার আসার জন্য শেষ হয় একটা যুগের মতো লম্বা একটা দিনের।

তারপর একসময় শুক্রবার আসে। সকাল থেকে বিকেল অব্দি পৃথিবীর সবকিছু ভালো লাগতে থাকে রাশেদের। মেসের পাশের বস্তি থেকে উচ্চস্বরে ভেসে আসা ঝগড়া ভালো লাগে, ডাস্টবিনের দূর্গন্ধ ভালো লাগে, ভালো লাগে অর্ধেক গোসলের মাঝে পানি শেষ হয়ে যাওয়াও।

সিথী বলে, ‘রাশেদ ভাই, আপনার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।’

বুক কাপে রাশেদের।

– কি সারপ্রাইজ জানতে চাইবেন না?

– হ্যা বলো।

– গেস করেন তো।

– আমি পারবোনা সিথী। তুমি বলো।

– না না, আপনি গেস করেন।

রাশেদের মুখ ফুটে বের হয়ে যায়, ‘তোমার বিয়ে?’

– আপনি কিভাবে জানলেন? চোখ বড় বড় হয়ে যায় সিথীর। আমি ভাবতে পারিনি আপনি পারবেন।

কিছু বলেনা রাশেদ। চুপ করে থাকে।

সিথী বলে, ‘তাই বলে ভাববেন না কিন্তু যে বিয়ের পর আমি কবিতা শেখা বাদ দিবো। আমি ওকে বলবো যে আমার কবিতা শেখা এলাউ করতে হবে। ওদের বাসা ধানমন্ডিতে, আপনি যেতে পারবেন না?’

রাশেদ দেখে আনন্দে সিথীর চোখ ঝলমল করছে। এটা কি প্রেমের বিয়ে? কই, রাশেদ কখনো কিছু টের পায়নি তো! অবশ্য ও কে সিথীর? ওর জানার কি অধিকার ই বা আছে!?

সিথী উঠে পাশের রুমে যায়। একটা সোনালী কভারের সুদৃশ্য খাম এনে রাশেদের হাতে দেয়। আমার বিয়ের কার্ড, সুন্দর হইছে না?

রাশেদ মাথা নাড়ে।

– আপনাকে কিন্তু আসতেই হবে। আর গিফট হিসাবে আমি চাই আপনি সুন্দর একটা কবিতা লিখে আনবেন। আনবেন তো?

রাশেদ হ্যা সূচক মাথা নাড়ে। কথা বলেনা। ভয় হয়, কিছু বলতে গেলেই ওর বুকের মধ্যে যে তোলপাড় হচ্ছে তার সবটা ফাস হয়ে যাবে। তখন খুব একটা লজ্জার ব্যাপার হবে।

– রাশেদ ভাই, আমি একটা আধুনিক কবিতা লিখেছি। দেখবেন না?

– আজ থাক সিথী, আমার শরীরটা ভালো নেই। কোনমতে বলে রাশেদ।

আর দশটা দিনের মতো বিছানায় শুয়ে থাকে রাশেদ। টেবিলের ওপরে সিথীর বিয়ের কার্ড। রাশেদের মনে হয় ওটা কার্ড না, একগুচ্ছ কষ্ট। আচ্ছা এই পৃথিবীর সবচাইতে ভাগ্যবান ছেলেটা কে? এক হাত দূরেই ছেলেটার নাম লেখা, কিন্তু খাম খুলে দেখতে ইচ্ছা করেনা। ভীষণ ঈর্ষা হয় রাশেদের, ভীষণ। কী ভীষণ ভাগ্য নিয়ে একেকটা ছেলে এই পৃথিবীতে আসে। যারা সিথীর মতো একটা মেয়েকে সারা জীবনের জন্য নিজের করে পায়। সারা জীবনের জন্য। দলা হয়ে থাকা এক পৃথিবী কষ্ট তাদের বুকে কখনো বাসা বাধেনা।

পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান ছেলেটাকে দেখার ইচ্ছা হয় রাশেদের। হাত বাড়িয়ে কার্ডটা নিয়ে খাম খোলে।

এ কি! খামের ভেতরে একটা সাদা কাগজ।

রাশেদ ভাই, আপনি এতো বোকা কেন? আপনার চোখের দিকে তাকিয়েই আমি বুঝে যাই আপনি আমাকে কত তীব্রভাবে চান। আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আপনি কিছু বোঝেন না, না? এইটা আমার কাজিনের বিয়ের কার্ড। আমার আগাম চিন্তা করেই খুব মজা লাগছে যে কার্ডটা হাতে নিয়ে আপনার মুখের অবস্থা কি হবে! আপনি মুখ দিয়ে কিছু বলতে পর্যন্ত পারবেন না। নিজের ওপর কনফিডেন্স এতো কম আপনার? নাকি ভালো ছেলেরা এরকম বোকা হয়! আপনি প্রতি শুক্রবার রুমে এসে বসে থাকতেন আমি জানালার পর্দার ফাকা দিয়ে পাশের ঘর থেকে আপনাকে দেখতাম। আপনার চিন্তিত মুখ এতো মায়া মায়া লাগতো আমার। মনে হতো এক ঘন্টা না, সারাজীবন দেখি। তারপর আমি যখন দরজা দিয়ে ঢুকতাম তখন দেখতাম আপনার চোখে একশো ওয়াটের বাতি জ্বলে উঠলো খুশিতে। আমার এতো ভালো লাগতো। একঘণ্টা খুব কম সময়, তাইনা রাশেদ ভাই? আমরা সারাজীবন একসাথে থাকলে কেমন হয়? আমার বাবাকে আমি রাজি করাবো, তবে শর্ত শুধু একটাই। আমি খুব স্বার্থপর একটা মেয়ে। আপনাকে কথা দিতে হবে বিয়ের পর আপনি যত কবিতা সব আমাকে ভেবে লিখবেন। আমাকে ছাড়া পৃথিবীর আর কোনো মেয়েকে নিয়ে আপনি কোনোদিন কবিতা লিখতে পারবেন না। রাজি? ভেবে চিন্তে বলেন, রাজি তো?

রাশেদের প্রচন্ড কান্না পাচ্ছে। প্রচন্ড! এতোক্ষণ বুকে জমে থাকা কষ্টের দলাটা চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে। জল হয়ে! রাশেদ ফিসফিস করে বলে, ‘আমি রাজি সিথী, সারাজীবনের জন্য রাজি।’

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।