আমি ‘নিখুঁত’ নই, সবই ফটোশপের উদারতা

আর দশটি মেয়ের মতোই, বেড়ে ওঠার সময়টাতে বারবার বাড়ির আয়নার সামনে দাঁড়িয়েছি আর আক্ষেপ করেছি কেন আমাকে ওরকম দেখাচ্ছে না, যেমন আমাকে দেখানো উচিৎ?

কেন আমার পেট বেড়ে যাচ্ছে? কেন আমার হাত এত মোটা? আমার উজ্জ্বল নই কেন? কেনই-বা সমবয়সী ছেলেদের চেয়েও আমি লম্বা? চোখের নিচে কালো দাগের উৎস কি? কখনো কি তা মুছে যাবে? নাকি আজন্ম বয়ে বেড়াতে হবে?

একবার এক ঘরোয়া আড্ডায় এক স্বজন তো বলেই বসলেন, ‘এত লম্বা, এত কালো! ওকে বিয়ে কে করবে?’ আমার জীবনের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণকেই যেন তা সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিলো।

১৫ বছর বয়সে, খুব বেশি কিছু আমি জানতাম না। তবে, এটা ঠিকই জেনেছিলাম, বলিউডি অভিনেত্রীদের মতো দেখতে আমি নই, কখনো তা হতেও পারবোও না।

যখন আমি ১৩, তখন এক পারিবারিক ভ্রমণে আমরা গোয়া গিয়েছিলাম। ঐশ্বরিয়া রায়, তাঁর কোনো এক বন্ধুর সঙ্গে সেখানে ছুটি কাটাচ্ছিলেন এবং এক সন্ধ্যায় আমরা তাঁর সাথে কিছু সময় কাটালাম। আমার এখনো মনে আছে, নীল জিনস আর সাদা টপে ঐশ্বরিয়া রায়কে খুব রাজকীয় দেখাচ্ছিলো। বিষয়টা আমাকে বিমোহিত করেছিলো।

দুই বছর সময় এবং বেশ কিছু বিস্ময়কর সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে, সঞ্জয় লীলা বানসালি আমাকে সাওয়ারিয়ায় সুযোগ দিলেন।

যদিওবা সিনেমার নায়িকার আসনে আমি বেশ ভালোমতোই জাঁকিয়ে বসেছিলাম, তবুও আমার মনে ধারণা ছিলো, এ জায়গা আমার নয়। হরহামেশাই দুশ্চিন্তায় ভুগতাম, যদি কখনো পিঠখোলা জামায় নাচা লাগে, তা আমাকে এই শিল্পের একজন ‘প্রতারক’ হিসেবেই পরিচয় করিয়ে দেবে। কেউ তো আর ঝুলে পড়া মোটা চামড়া দেখার জন্যে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট কাটে না!

তাই আমি বেশকিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে গেলাম। আমি নিয়মিতভাবেই ডায়েট শুরু করলাম, কখনো দক্ষিণের বিচে, আবার কখনো এটকিন্সে। এ মরিয়া চেষ্টায়, এমনও দিন কেটেছে যখন কেবল আনারসই ছিলো সারাদিনে আমার খাবার।

আমি জিমে নিজেকে নিংড়ে দিলাম, যোগব্যায়াম করলাম। খাবারদাবারের সাথে বেশ দূরত্ব বজায় রেখেই চলা শুরু করলাম। মেদ ঝরানোর প্রাণান্ত প্রচেষ্টায়, কোনো কোনো সপ্তাহে খাবার ছুঁইনি বললেই চলে।

১৮ বছর বয়সে আমি এক ছেলের সাথে ডেটে গেলাম, যেই ডেটকে বেশ ভালোই কেটেছে বলে বোধ হয়েছিলো আমার কাছে। পরবর্তীতে ছেলেটি আমাদের দু’জনের কমন এক বন্ধুকে বলেছিলো, ‘সোনম একটু বেশিই মোটা।’ সেটার জন্য আমি পুরো একদিন না খেয়ে ছিলাম।

আজ, সেদিনের সেসব গর্দভের মতো সিদ্ধান্তগুলোকে ধন্যবাদ জানাতেই হয়, কেননা বাকিটা জীবনের জন্য আমি যে সে দিনগুলোর কল্যানেই ‘এসিডিটি’তে বাধা পড়েছি।

আমি ধারণা করেছিলাম, জুহু বিচের বিলবোর্ডে নিজের ছবি দেখলেই যাবতীয় বিতৃষ্ণা কর্পূরের মতো মিলিয়ে যাবে। আমি কতই না ভুল ছিলাম! অনলাইন আর্টিকেলে ছেয়ে গেলো, আমার বাহু-উরু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হলো। সামান্যতম ত্রুটিও লাল বৃত্তে চিহ্নিত করা হলো।

আমার কিছু সিনেমা যখন মুক্তি পেলো, সোহাব দে তাঁর এক ব্লগ পোস্টে লিখলেন, ‘যৌনতা-কামনায় সোনম কাপুর ঠিক যায় না!’

মানুষ আমাকে ডাকা শুরু করলো – ‘ফ্ল্যান চেস্টেড’; যা নিয়ে আমি কখনোই চিন্তিত ছিলাম না কিন্তু কফি উইথ করণে আমি রক্ষণাত্মক হতে বাধ্য হই।

অবশেষে, নিজের খুঁত বের করার জন্য আমার আর ট্যাবলয়েডের পাতায় চোখ বুলানোর দরকার পড়তো না, আমি ক্যামেরার মনিটরে নিজের দিকে চোখ রেখেই অনুমান করতে পারতাম, কোনটি সমালোচিত হতে যাচ্ছে। আমি এখনো স্মরণ করতে পারি, তাৎক্ষণিকভাবেই যা আমি ঘৃণা করতে শুরু করেছিলাম: বেওয়াকুফিয়া-এর আঁটসাঁট রুপালি জামা, ‘প্লেয়ারস’ চলচ্চিত্রে নিল নীতিনের সাথে গানটি, ‘আয়শা’ সিনেমার সুইমস্যুট-শর্টস এবং এরকর আরো কিছু দৃশ্য।

অবশ্যই এবং অতি অবশ্যই, নারীদের শরীরের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ নতুন কিছু নয়, এমনকি যদি নারী তারকাদের মাঝেও এই বিশ্লেষণের দেয়াল সীমাবদ্ধ করে দিই। আমি বলতে চাচ্ছি, হাত তোলো, যদি তোমার কোনো আত্মীয় তোমাকে ‘স্বাস্থ্যবান’ বলে থাকে। হাত তোলো, যদি তোমার বন্ধু যেচে এসে তোমাকে ওজন কমানোর উপায় বাতলে দেয়।

হাত তোলো, যদি তোমাকে সূর্যালোক থেকে দূরে দূরে থাকতে বলা হয়, কেননা এতে তোমার উজ্জ্বলতা কমে যেতে পারে।

আর এটাই ভুল।

আমরা শিখে চলেছি, মেয়েদের হতে হবে নিখুঁত যেখানে নিখুঁত হওয়া কার্যত অসম্ভব। হতে হবে আবেদনময়ী, ইভেন হোয়েন সেক্সিনেস ইজ ব্রেক ফ্রম প্লট। আমরা হিল জুতা পায়ে জুরাসিক পার্ক দৌড়ে চলি, অতিপ্রাকৃতিক অসুরের সাথে বন্ধনীহীন অন্তর্বাস পরে লড়ি, সামান্য নড়চড় ব্যতীত নির্জন দ্বীপে অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকি। বাস্তবের নারী শরীর এতটাই নিষিদ্ধ যে হেয়ার-রিমুভাল ক্রিমের বিজ্ঞাপনেও পশমহীন পা দেখানো হয় যেখানে কিনা ক্রিম এখনো মাখানোও হয়নি।

আমাদের শিক্ষা দেয়া হয়, তুমি মেয়ে তাই তোমাকে হতে হবে নিখুঁত, অথচ বাস্তবিক অর্থে তা অসম্ভব।

সৌন্দর্যের শর্তাবলী খুবই কঠিন এবং তা প্রায় অজেয়। আনুশকা শর্মা শুকনাতেই সুন্দর, সোনাক্ষী সিনহা মোটা, এটাই তাঁর সৌন্দর্য। ক্যাটরিনা কাইফ ফিট, এতেই তিনি সুন্দর। এই নারীত্রয়ী সবসময়ই অবিশ্বাস্যভাবে সুন্দর।

কিন্তু, যেখানেই একটি ভেঙে পড়া ব্যবস্থা আছে, সেখান থেকে উত্তরণের পথও বিদ্যমান। আমাদের মূলধারার সংস্কৃতির প্রধান সমস্যা, নারী সৌন্দর্যের বাঁধাধরা ব্যাখ্যা করা। আমি বিশ্বাস করি, এই সমস্যার সমাধান, আমাদের নারীদের মাঝেই রয়েছে।

এক দশক হয়ে গেলো পায়ের তলায় ভীতিকর আত্মমর্যাদা নিয়ে আমি চলচ্চিত্র শিল্পে প্রবেশ করেছি। এই ভীতিকর দশক পাড়ি দিতে সেসব নারী সমর্থনকে কৃতজ্ঞতা জানাতেই হয়, যাদের জন্য আমার আত্মসম্মানবোধ এখন কিছুটা উন্নতির দিকে।

আমি ভাগ্যবতী আমার বন্ধু এবং মেকআপ শিল্পী হিসেবে নম্রতা সোনিকে পেয়ে, যিনি আমার মুখ খুব কাছ থেকে দেখেন এবং এ ব্যাপারে তার নিজের মতো করেই আমাকে ভালো লাগাতে উৎসাহিত করেন। যখন আমি আমার হাসির রেখা কিংবা বলিরেখা নিয়ে ঘ্যানঘ্যান করি, তখন তিনিই আমাকে বলেন যে এগুলো প্রাকৃতিক এবং তাই তারা সুন্দর। আমার মুখের ডান পাশে একটি ক্ষতচিহ্ন রয়েছে এবং আমার ঠোঁট একপাশে তোলা। (আপনি এই বিষয়গুলো তখনই লক্ষ্য করবেন, যখন আপনি ক্যামেরার সামনে খুব বেশি থাকবেন।) যখন আমি ভাবলাম এই ক্ষতগুলো সারিয়ে তোলা দরকার, নম্রতা আমাকে মনে করিয়ে দিলো, এই ক্ষতগুলোই আমাকে ‘আমি’ বানিয়েছে।

আমার দেহের ভ্রমগুলোকে বুঝতে না দিয়ে এবং সেগুলোকে খুঁতে পরিবর্তন না করে, তাদের আমার দেহের অনন্য বৈশিষ্ট্য আর অনন্য সৌন্দর্য হিসেবে উদযাপন করতেই নম্রতা আমাকে সাহায্য করেছে।

আমি রিহাকে বোন হিসবে পেয়েও ভাগ্যবতী, যিনি কিনা একজন স্টাইলিস্টও। আমার চোখে ওই সবচেয়ে সেক্সি। যখন আমি নিজেকে তাড়া করে চলেছি খুব ঢ্যাঙা হবার জন্যে, তাঁর মতো দেহের বাঁক না থাকবার কারণে, তিনি আমাকে চুপ করান এবং দৃঢ়কণ্ঠে বলেন যে তিনি যা পরিয়ে দেন, তাতেই আমায় ভাল্লাগে। যখন আমি অনুযোগ করা শুরু করি, আমাকে ২১ বছর বয়সের মতো লাগছে না, তিনি বলেন, আমি এখন আরও ভালো দেখাচ্ছি।

সব নারীই যারা আমাকে ‘জয়ী’ বানিয়েছেন, তারা আমাকে এই শিক্ষাই দিয়েছেন যে অমায়িক এবং অকৃত্রিম সমর্থনই বদলে দিতে পারে তোমার বন্ধু, বোন কিংবা সতীর্থের জীবন।

ভেবে দেখো, দিনটা কতটা ভালো যাবে, যখন তোমার দিন শুরু হবে একটি প্রশংসাসূচক বাক্য দিয়ে। ভেবে দেখো, অন্যকাউকে এটি দেয়া কত সোজা! তাই, যেকোনো সুযোগ পেলেই তা লুফে নাও।

আজ ৩১ বছর বয়সে, আমি আমার শরীরকে অনেক পছন্দ করি কারণ তা স্বাস্থ্যকর। শুকনো হওয়া আর নিখুঁত হবার উদযাপন যথেষ্ট হয়েছে আমার। পরিমিত জীবনধারা, খাওয়াদাওয়া আর উদ্দীপ্ত হয়ে প্রতি সকালে জেগে ওঠার সাধনাকেই এখন আমি আলিঙ্গন করেছি। সুস্বাস্থ্যেই সৌন্দর্য রয়েছে।

বল এখন মিডিয়ার কোর্টে, শুকনো দেহের চেয়ে মাপসই শরীরকে উপভোগ করা এবং পার্থক্য জানার জন্য।

আমি এখন জানি, ক্ষতদাগ, কালোদাগে কোনো ভুল নেই। তারা আমাদের বৃদ্ধ হবার চিহ্ন। তাদের উপস্থিতিতেই সৌন্দর্য রয়েছে।

এবং সবার নিশ্চিতকরণের জন্য, আকর্ষণীয় হবার চেষ্টাকে নিরুৎসাহিত করার জন্য আমি এ লেখা লিখছি না। যে কেউ যারা আমাকে জানেন, তারা জানেন যে আমি পরিপাটি বোধ করতে ভালোবাসি- ফ্যাশন হতে পারে শক্তি, মেকআপ হতে পারে অনুপ্রেরণা। একটি হাস্যকর অনুষঙ্গ সারাদিন জুড়ে হতে পারে তোমার আত্মবিশ্বাসের জ্বালানি।

কিন্তু নিজের জন্য, নিজের সংজ্ঞানুযায়ী সৌন্দর্য নিশ্চিত করার অর্থ এই নয় যে সমাজ কর্তৃক বেঁধে দেয়া ‘নিখুঁত’ হওয়া।

কেননা, খুঁতহীন হওয়া ভয়ংকর এবং একটি উচ্চাভিলাষী রূপকথা। এই রূপকথার জাল ছিন্ন করার জন্য এখনই উপযুক্ত সময়।

তাই, সকল টিনএজের বালিকাদের জন্য যারা ঘরের আয়নার দিকে ঝুঁকে রয়েছে এবং ভাবছে, কেন তাদের তারকাদের মতো দেখাচ্ছে না, তারা জানুক, কেউই এভাবে ঘুম থেকে ওঠে না। আমিও না। অন্য কোনো অভিনেত্রীও না। (এমনকি বিয়ন্সও নন, আমি হলফ করে বলছি। )

এখানেই আসল কাজ।

প্রতিবার জনসম্মুখে উপস্থিত হবার পূর্বে আমি মেকআপ চেয়ারে ৯০ মিনিট সময় কাটাই। আমার চুল এবং মেকআপের জন্য ছ’জন মানুষ রয়েছেন যেখানে নখের পরিচর্যায়ও রয়েছে একজন পেশাদারের ছোঁয়া। প্রতি সপ্তাহেই আমার আইব্রো প্লাক করা হয় এবং পুনরায় বোনা হয়। যা লুকানো যাবে বলে আমি কখনোই ভাবিনি, আমার দেহের সেই অংশও গোপন করা গিয়েছে।

প্রতি সকালে আমি ছয়টায় ঘুম থেকে উঠি এবং সাড়ে সাতটায় জিমে যাই। সেখানে ৯০ মিনিট অনুশীলন করি, কখনো সন্ধ্যাবেলায় এবং আবার রাতে ঘুমোতে যাবার আগে। আমি কি খেতে পারবো আর কি পারবো না, এটা ঠিক করা কখনো কখনো পূর্ণকালীন দায়িত্ব। আমার ফেসপ্যাকে যেসব উপাদান রয়েছে, আমার খাদ্যতালিকার চেয়ে তা ঢের বেশি। আমার তৃপ্তিদায়ক পোশাক বাছাইয়ের জন্যই একটি দল রয়েছে।

এরপরও, আমি ‘নিখুঁত’ নই, সবই ফটোশপের উদারতা।

আমি আগেই বলেছি এবং বলতেই থাকবো, তোমরা যা দেখো এবং একজন নারী তারকা নিজেকে যেভাবে দেখতে চান, তাকে সেভাবে তৈরির বহু মানুষ, প্রচুর অর্থ আর অঢেল সময়ের দরকার পড়ে। এটা বাস্তববাদী নয় এবং এটা আকুলভাবে কামনা করার মতোও কিছু নয়।

এর পরিবর্তে, কামনা করো, তোমার শরীরের জন্য যতটুকু ঘুম দরকার। কামনা করো, নিজে করে মজা পাও, এমন ব্যায়ামের সুযোগ আসে। কামনা করো, নিজের দেহকে জানার এবং তার মাঝেই ভালোভাবে বেঁচে থাকার।

বিশ্বাসের আকাঙ্ক্ষা করো। সুন্দর অনুভব করার, ভাবনাহীন হবার, নির্দিষ্ট কোনো কিছুর প্রতি তাকিয়ে না থাকবার, সুখী হবার কামনা করো।

এবং পরবর্তী সময়ে তোমার আশেপাশে যখনই কোনো ১৩ বছরের বালিকাকে ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে, খুঁতহীন, চকচকে চুলের বলিউডি কোনো নায়িকার একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে দেখবে, তখনই তার সামনে নিখুঁত হবার এই রূপকথার জাল উন্মুক্ত করো।

তাকে বলো, সে কত সুন্দর। তার হাসিকে, তার চিন্তাভাবনাকে অথবা তার চালচলনকে প্রশংসা করো।

তাকে এমনভাবে বেড়ে উঠতে দিও না যেন সে বিশ্বাস করতে শুরু করে, তার মাঝে খুঁত রয়েছে, বিলবোর্ডের ওই রমণীর মতো দেখতে সে নয়। তার জন্য ওই উঁচু মানদণ্ড ঠিক করো না, এমনকি বিলবোর্ডের ওই নারীর জন্যও নয়।

তাকে বলো, আমি এমনভাবে প্রতি সকালে ঘুম থেকে জেগে উঠি না। সে-ও উঠবে না। এবং তা-ই পরিপূর্ণভাবে সুন্দর।

– মূল লেখাটি I Didn’t Wake Up Like This শিরোনামে সম্প্রতি প্রকাশিত হয় বাজফিড.কমে। লিখেছেন স্বয়ং সোনম কাপুর।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।