আমির খানের পাঁচ ‘নিয়ম ভঙ্গ’

আমির খান কোনো অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে যান না। কেন আসেন না? – এই প্রশ্ন নিয়ে তর্ক-বিতর্ক আছে। এই নিয়ে আমির নিজেও অনেকবার কথা বলেছেন। জানিয়েছেন, পুরস্কারের ওপর থেকে তার বিশ্বাস উঠে গেছে। কেউ কেউ দাবী করে, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কি’, ‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’, ‘রাঙ্গিলা’র মত সিনেমায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরও পুরস্কার থেকে বারবার বঞ্চিত হয়ে তিনি এই না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

যদিও, গত ১৬ বছরে পাঁচবার এই নিয়মের ব্যাতিক্রম ঘটিয়েছেন মিস্টার ‘পারফেকশনিস্ট’। চলুন সেই পাঁচটা নজীর জেনে আসা যাক।

এএএম অ্যাওয়ার্ড

আমেরিকা অ্যাব্রোড মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডের প্রথম অ্যাওয়ার্ড নাইটে উপস্থিত ছিলেন আমির খান। তার জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘সত্যমেভ জ্যায়াতে’র জন্য পুরস্কারে সম্মানিতও হয়েছিলেন।

দাদা সাহেব ফালকে অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস

২০১৩ সালের মেতে দাদা সাহেব ফালকে অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে দেখা গিয়েছিল আমির খানের ‘স্পেশাল অ্যাপেয়ারেন্স’। যদিও, সেবার কোনো পুরস্কার পাননি।

জিকিউ মেন অব দ্য ইয়ার (২০১০)

সেবার বর্ষসেরা ‘সিনেম্যাটিক আইকনের পুরস্কার জিতেছিলেন আমির। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন সে বছরের বর্ষসেরা ব্যক্তিত্বের পুরস্কারজয়ী হলিউজ কিংবদন্তি জন ট্রাভোল্টা।

মাস্টার দীনানাথ মাঙ্গেশকর অ্যাওয়ার্ডস

চলচ্চিত্র পুরস্কার অনুষ্ঠানে যেতে তার অনেক অরুচি। অসংখ্যবার অনেককে না বলার পর আমিরের মন গললো কিংবদন্তি লতা মাঙ্গেশকরের অনুরোধে। চলতি বছরই দঙ্গলের জন্য পেলেন বিশেষ পুরস্কার।

জিকিউ মেন অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড (২০১৭)

এটা তার অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সর্বশেষ নজীর। পেলেন ক্রিয়েটিভ ম্যাভেরিকের পুরস্কার।

দেশিমার্টিনি.কম অবলম্বনে

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।