অযোগ্যদের বিশ্ব একাদশ: দ্বাদশ ব্যক্তি সুজন!

সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে বিশ্ব একাদশ গড়ার রীতি বেশ পুরনো। বিশ্বখ্যাত গণমাধ্যমগুলো তো বটেই, অধুনা বাংলাদেশি গণমাধ্যমেও এর চল আছে। তবে, অযোগ্যদের নিয়েও যে বিশ্ব একাদশ হতে পারে সেটা অকল্পনীয় এক ব্যাপারই ছিল এতদিন। তবে, খুব অভিনব এই একাদশটি গঠন করেছে ক্রিকেট বিষয়ক ভারতীয় গণমাধ্যম ক্রিকেট কান্ট্রি। আর তাদের এই একাদশে আছেন খালেদ মাহমুদ সুজন, বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও বর্তমানে দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর।

গণমাধ্যমটির উপদেষ্টা সম্পাদক হলেন সাবেক ভারতীয় কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান ভিভিএস লক্ষণ। দলটিতে সুজনকে ক্রীড়া লেখক অনিন্দ দত্ত রেখেছেন দ্বাদশ ব্যক্তি হিসেবে। ভদ্রলোকের রসবোধ দারুণ।

অনিন্দ মজা করে লিখেছেন, ‘অধিনায়কত্ব করতে গিয়ে বিজয়ানন্দ (গাজাপতি রাজু) খুব বেশি ক্লান্ত হয়ে গেলে, কিংবা অন্য কিছুতে ব্যস্ত হয়ে গেলে খালেদ মাহমুদকে অধিনায়ক হিসেবে কাজে লাগানো যাবে। আসলে তিনি তো সত্যিকারের একজন অলরাউন্ডার। বাংলাদেশের হয়ে ১২ টি টেস্ট খেলে নেতৃত্ব দিয়েছেন নয়টিতেই। মনে না রাখলেও চলবে যে সেই নয়টা টেস্টের মধ্যে নয়টিতেই হেরেছে বাংলাদেশ।’

সুজন ছাড়াও একাদশে আছেন বাংলাদেশের সাবেক কোচ ট্রেভর চ্যাপেল। ইয়ান চ্যাপেল ও ক্রেইগ চ্যাপেলের ভাই পরিচয় বাদে তার জীবনে বলার মত কোনো সাফল্য নেই। বাংলাদেশ দলের কোচ হিসেবেও তেমন কিছু একটা অর্জন করতে পারেননি তিনি। আম্পায়ার হিসেবে রাখা হয়েছে শাকুর রানা ও বাপু জোশিকে।

লেখায় বলা হয়েছে, চাইলে একাদশে ভারতের স্টুয়ার্ট বিনিকে সরিয়ে সুজনকে জায়গা দেওয়া যায়, ‘একটা নবীন দেশ হিসেবে না হয় সুজনের দলের পারফরম্যান্স মেনে নেওয়াই যায়। তবে, ১২ টেস্টে তাঁর ১২ ব্যাটিং গড় আর ৬৪ ব্যাটিং গড় কতটা মেনে নেওয়া যায় সেটা আমার ঠিক জানা নেই। চাইলে একাদশে তাঁকে স্টুয়ার্ট বিনির জায়গায় অলরাউন্ডার হিসেবেও খেলানো যায়। সেটা না হলেও, পানি টানার মহাগুরুত্বপুর্ণ কাজটা তো তিনি করতেই পারবেন।’

অযোগ্য টেস্ট দল: বিজয়ানন্দ গাজাপতি রাজু (অধিনায়ক), রব কুইনি, ট্রেভর চ্যাপেল, উসমান আফাল, জ্যাক ইকিন, স্টুয়ার্ট বিনি, রিচার্ড ব্ল্যাকি (উইকেটরক্ষক), লোনওয়াবো সোৎসোবে, জন ওয়াটকিন্স, মার্ক হাসলাম, রবার্ট কেনেডি, খালেদ মাহমুদ সুজন (দ্বাদশ ব্যাক্তি)।

আম্পায়ার: শাকুর রানা, বাপু জোশি।

Related Post

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।