অভিনব আবাসনের ১২ বৃত্তান্ত

আমরা হয়তো সাধারণ কোনো অ্যাপার্টমেন্ট কিংবা ফ্ল্যাট বাড়িতে থাকি, কিন্তু এমন অনেকেই আছে যারা এমন সাদামাটা জীবনে অভ্যস্ত নয়। তাদের বাসস্থান এতটাই অভিনব যে, সেগুলোকে ‘প্রাসাদ’ বললেও কম বলা হয়।

হেলিওডোম

এই বাড়িটি ফ্রান্সে অবস্থিত। এনার্জি ইউনিট বাঁচানোর অভিনব ক্ষমতা সম্পন্ন বাড়িটা বানানো হয়েছে সোলার প্যানেলের আদলে। একই কারণে গরমে এটা শীতল থাকে, শীতে ছড়ায় উষ্ণতা।

হ্যাবিটেড ৬৭

কানাডার মন্ট্রিলে অবস্থিত। বানিয়েছেন মোশে সেফডি। বোঝাই যাচ্ছে বাড়ির লোকজন একসাথে থাকতে খুব ভালবাসেন।

ফিউচুরো

সুইডেনের এই বাড়িটি স্পেসশিপের আদলে বানিয়েছেন ম্যাটি সুরোনেন। চাইলে বাসাটা যেকোনো জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। বড় একটা সময় কাটায় ফিনল্যান্ডে।

মিরর হাউজ

দূর থেকে দেখলে এই আয়নাবাড়িটা এক রকম বিভ্রম সৃষ্টি করে। কাছে আসলে ভুল ভাঙে। ইতালির বোলজানোতে অবস্থিত এই অনন্য বাড়িটি। চাইলে এটা ভাড়া নিয়ে ছুটি কাটিয়ে আসতে পারেন।

দ্য মেকানিক্যাল হবিট হাউজ

চেক প্রজাতন্ত্রের এই বাসা পরিবেশ বান্ধব বাসস্থান হিসেবে অনেকগুলো পুরস্কার জিতেছে। বাসাটা বানাতে সময় লেগেছে প্রায় তিন যুগ।

দ্য নটিলাস হাউজ

এই অনন্য শিল্প নিদর্শনটি মেক্সিকোর নাউক্যালপ্যান ডি জুয়ারেজে অবস্থিত। বানিয়েছিলেন জেভিয়ার সেনোসিয়াইন। সারা বছর এটা ঘুরে দেখার জন্য উন্মুক্ত থাকে।

দ্য স্টোন হাউজ

পর্তুগালের এই বাসাটা একেবারেই ব্যক্তিগত সম্পত্তি। বাড়ির চারপাশ দেয়াল দিয়ে ঢাকা। চাইলেই কেউ ঢুকতে পারেন না।

রোটারডাম কিউবিক হাউজ

নেদারল্যান্ডসের এই বাড়িটা বরাবরই খুব বাড়তি আগ্রহ পায়। মূলত কিউবিক স্ট্রাকচারের জন্যই এমন নামকরণ করা হয়েছে।

দ্য শু হাউজ

নেদারল্যান্ডসের এই বাড়িটা খুবই আদুরে। আর সত্যিকার অর্থেই বাড়িটা কার্টুন থেকে উঠে এসেছে। এটা ১৯৯০ সালের ডাচ কার্টুনের আলফ্রেড জে কোয়াকের বাড়ি।

আরেকটি জুতো বাড়ি

জুতোর আদলে নির্মিত এই বাড়িটি দক্ষিণ আফ্রিকার মপুমালাঙ্গায় অবস্থিত। ১৯৯০ সালে বাড়িটি বানান উদ্যোক্তা ও চিত্রকর রন ভ্যান জিল। মূলত শিশুবেলার ছড়া ‘দেয়ার ওয়াস অ্যান ওল্ড ‍উইম্যান ও লিভড ইন এ শু’ অবলম্বনে বাড়িটা বানানো। বাড়ির সাথে লাগোয়া গেস্ট হাউজ, একটা রেস্টুরেন্ট ও একটা সুইমিং পুলও আছে।

আপসাইড-ডাউন হাউজ

জার্মনির গেটরফ শহরের একটা চিরিয়াখানার ভেতরে অবস্থিত। এটাকে খুব সাধারণই বলা যায়। কিন্তু, ব্যাপার হল বাড়িটা উল্টো। ছবি দেখে তো বুঝতেই পারছেন।

দ্য টয়লেট হাউজ

এই বাসাটা দক্ষিণ কোরিয়ার সুয়োন সিটিতে অবস্থিত। টয়লেটের আদলে বানানো বলেই সারাবছরই প্রদর্শনীর জন্য উন্মুক্ত থাকে।

ব্রাইট সাইড অবলম্বনে

অলিগলি.কমে প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার লেখকের। আমরা লেখকের চিন্তা ও মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত লেখার সঙ্গে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল তাই সব সময় নাও থাকতে পারে।